প্রকাশিত: ১১ মার্চ, ২০২৬ ০৪:৫০:৩০
মামলার নথি অনুযায়ী জানা গেছে, চট্টগ্রাম রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের সংকেত বিভাগের অস্থায়ী নারী কর্মচারীর সঙ্গে একই বিভাগের অফিস সহকারী আবদুল্লাহ আল মামুনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে ২০২৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি। সম্পর্ক গভীর হলে মামুন তাকে বিয়ের আশ্বাস দেন। সেই আশ্বাসে ভরসা করে ভুক্তভোগী নারী ২০২৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর তার আগের স্বামীকে তালাক দেন। এরপর একই বছরের ১ অক্টোবর নগরের ওয়াসা মোড় এলাকার একটি ফ্ল্যাটে তারা স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বসবাস শুরু করেন। কিন্তু পরে বিয়ের বিষয়টি সামনে এলে মামুন নানা অজুহাতে তালবাহানা করার অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী।
জানা গেছে, চলতি বছরের ২৭ অক্টোবর তিনি বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে আদালতে মামলা করেন। মামলাটি বর্তমানে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্ত করছে। এর আগে ৪ ডিসেম্বর শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে নগরীর কোতোয়ালি থানায় আরেকটি অভিযোগ করেন তিনি। বিষয়টি রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাপরিচালকের কাছেও লিখিতভাবে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী নারী।
মামলা করার পর থেকে অভিযুক্তের লোকজন নিয়মিত হুমকি দিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন ওই নারী। চার বছর ধরে সিআরবিতে অফিস সহায়ক হিসেবে কাজ করলেও গত বছরের ৪ ডিসেম্বর তাকে জংশন কেবিন এলাকায় লাইনে খালাসি হিসেবে বদলি করা হয়। সাধারণত রেললাইনের এসব কাজ পুরুষ কর্মীরাই করে থাকেন। অভিযোগ রয়েছে, শাস্তি হিসেবে তাকে তীব্র রোদে কাজ করতে দেওয়া হয়, এতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।
ভুক্তভোগীর দাবি, সংকেত বিভাগের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী মুরাদ হোসেন এবং প্রধান সংকেত ও টেলিযোগাযোগ প্রকৌশলী (পূর্ব) মোস্তাফিজুর রহমান তাকে নানা ধরনের হয়রানি করেছেন। এমনকি মোস্তাফিজুর রহমান গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর টাইগারপাস এলাকায় তার ভাড়া বাসার সামনে ডেকে মামলা তুলে নিতে বলেন।
সর্বশেষ গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের দিন কর্মস্থলে উপস্থিত না থাকার অভিযোগে তাকে কৌশলে অনুপস্থিত দেখানো হয়। এরপর মৌখিকভাবে তাকে অফিসে না আসার নির্দেশ দেন সংকেত বিভাগের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী মুরাদ হোসেন। এ ঘটনায় গত ২৩ ডিসেম্বর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও সেই প্রতিবেদন নিয়ে লুকোচুরি চলছে বলে অভিযোগ করেন ওই নারী।
এই বিষয়ে ভুক্তভোগী নারী বলেন, ‘আমি ধর্ষণের বিচার চেয়ে আদালতে মামলা করেছি। সেটির বিচার আদালত করবে। কিন্তু রেলওয়ের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। অভিযুক্ত চাকরিতে বহাল থাকলেও আমাকে নানা ধরনের হয়রানি করে শেষ পর্যন্ত কৌশলে অনুপস্থিত দেখিয়ে অফিসে আসতে নিষেধ করা হয়েছে। পবিত্র রমজান মাসে চাকরি হারিয়ে আমি মানবেতর জীবন যাপন করছি। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সংকেত বিভাগের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী মুরাদ হোসেনকে একাধিকবার কল করা হলে তিনি কল ধরেননি।
অভিযোগের বিষয়ে আবদুল্লাহ আল মামুন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘আমি কাউকে চাকরিচ্যুত করার জন্য কোনো ধরনের চাপ দিইনি। বিষয়টি মিথ্যা। এটি তদন্তাধীন রয়েছে।’
মনিরার মনোনয়নপত্র স্থগিত, নুসরাতের বাতিল
‘সরকারের ব্যর্থতা ঢাকতেই পরিকল্পিতভাবে ক্যাম্পাসগুলো উত্তপ্ত করা হচ্ছে’
স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ, যুবককে যাবজ্জীবন
ঐক্য ভাঙলে আবার দাদারা চলে আসবে: স্পিকার
বিএনপির মহাসচিব পদে আসছে নতুন মুখ
মুখস্থভিত্তিক বিসিএস থেকে দক্ষতাভিত্তিক পদ্ধতিতে যাচ্ছে সরকার
ইবিতে শিক্ষিকা হত্যা বিচারের দাবিতে প্রশাসন ভবনে তালা
ট্র্যাপে ফেলে দুই মাসে ১৩ ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার
বিচারিক হত্যাকাণ্ডের শিকার হন শহীদ কামারুজ্জামান: শিবির সভাপতি
ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভন দেখিয়ে বিধবা নারীকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১