শেষ ষোলো নিশ্চিত করার ম্যাচে

ফিলিস্তিনকে জয় উৎসর্গ করল মিশর, গাজায় আনন্দের ঢেউ

প্রকাশিত: ০৪ জুলাই, ২০২৬ ০২:০৬:৫০

ফিলিস্তিনকে জয় উৎসর্গ করল মিশর, গাজায় আনন্দের ঢেউ

প্রজন্ম ডেস্ক:  বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে প্রথমবারের মতো জয় তুলে নিয়ে ইতিহাস গড়েছে মিশর। তবে এই সাফল্যের আনন্দ নিজেদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখেননি দলটির প্রধান কোচ হোসাম হাসান। অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করার পর তিনি ফিলিস্তিনের মানুষের প্রতি জয়টি উৎসর্গ করেছেন। তার এই আবেগঘন বার্তার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজাতেও দেখা গেছে আনন্দের অনন্য দৃশ্য।

শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের ম্যাচে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময় শেষে ১-১ সমতা ছিল মিশর ও অস্ট্রেলিয়ার। পরে টাইব্রেকারে ৪-২ ব্যবধানে জিতে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জয় পায় আফ্রিকার দেশটি।

ম্যাচের ১৩ মিনিটে ইমাম আশুরের হেডে এগিয়ে যায় মিশর। দ্বিতীয়ার্ধের ৫৫ মিনিটে মোহাম্মদ হানির আত্মঘাতী গোলে সমতায় ফেরে অস্ট্রেলিয়া। এরপর আর কোনো দল গোল করতে না পারায় ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয় টাইব্রেকারে। সেখানে জয়সূচক স্পটকিক থেকে গোল করেন হোসাম আবদেলমাগুইদ। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে হ্যারি সাউতার ও লুকাস হেরিংটন পেনাল্টি মিস করলে শেষ ষোলো নিশ্চিত হয় মিশরের।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে আবেগাপ্লুত হোসাম হাসান বলেন, ‘আল্লাহ ফিলিস্তিনিদের বিজয় দান করুন এবং তাদের শহীদদের প্রতি রহমত বর্ষণ করুন। এই জয় আমি মিশরের জনগণ এবং ফিলিস্তিনের সেই সম্মানিত মানুষের উদ্দেশে উৎসর্গ করছি।’

জয়ের পর মাঠে মিশর ও ফিলিস্তিন দুই দেশের পতাকা হাতে উদযাপন করেন হাসান। দলের খেলোয়াড়রাও মাঠে সিজদায় লুটিয়ে পড়ে ঐতিহাসিক এই অর্জন উদযাপন করেন।

হাসানের এই বার্তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। গাজার অনেক বাসিন্দা ও ফিলিস্তিনি সমর্থক মিশরের জয়ে নিজেদের আনন্দ প্রকাশ করেন। 

গাজার বাসিন্দা তামের নাহেদ এক্সে লিখেছেন, ‘জীবনে এই প্রথম এতটা উত্তেজনা নিয়ে বিশ্বকাপ দেখছি। মিশরের জয় আমাকে ভীষণ আনন্দ দিয়েছে। তবে সবচেয়ে সুন্দর দৃশ্য ছিল, ধ্বংসপ্রাপ্ত ঘরবাড়ি আর তাঁবু থেকে হাজারো মানুষ বেরিয়ে এসে একসঙ্গে ম্যাচ দেখছিল। চারদিকে ছিল হাসি আর উল্লাস।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলোতে দেখা যায়, বোমায় বিধ্বস্ত ভবনের পাশেই অস্থায়ী পর্দায় খেলা দেখছেন শত শত মানুষ। অনেক শিশুর মুখে আঁকা ছিল মিশরের পতাকা। গোলের পর উল্লাসে ফেটে পড়েন উপস্থিত দর্শকেরা, যেন যুদ্ধের ভয়াবহতার মাঝেও ফুটবল তাদের এনে দিয়েছে স্বস্তি আর আনন্দের কিছু মুহূর্ত।
 

এ সম্পর্কিত খবর

ফিলিস্তিনকে জয় উৎসর্গ করল মিশর, গাজায় আনন্দের ঢেউ

খামেনির জানাজা : বাংলাদেশের পক্ষে শ্রদ্ধা জানালেন স্পিকার

সংবিধান সংস্কার:জনগণের ম্যান্ডেট বাস্তবায়নের আন্দোলন চলবে

নকআউট ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোল এমবাপ্পের, কাছেও নেই মেসি

রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের শুভেচ্ছা মিছিল

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর খুলে না দিলে জনগণ খুলে দেবে: নাহিদ ইসলাম

ঋণখেলাপি হওয়া শপথ নিতে পারবেন না আসলাম চৌধুরী: আপিল বিভাগ

সব মুক্তিযোদ্ধার ভাতা বৃদ্ধির সুপারিশ করলেন জামায়াত আমীর

বাড়ছে তিস্তার পানি, প্লাবিত লালমনিরহাটের নিম্নাঞ্চল

ভারতের ভোটার হয়েও খুলনায় স্কুলের প্রধান শিক্ষক দীপক চন্দ্র

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন



আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ