প্রকাশিত: ০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ০৩:৪৯:৫২
প্রজন্ম ডেস্ক: বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষ্যে সরকার ব্যাপক কর্মসূচি নিয়েছে। এ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিব-এর বাণী সম্বলিত বাংলা নববর্ষের বিশেষ ক্রোড়পত্র বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশ করা হবে। জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) ও ছায়ানট রমনা বটমূলে ১৪ এপ্রিল সকালে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করবে। বাংলা নববর্ষের অনুষ্ঠান আবশ্যিকভাবে জাতীয় সংগীত ও ‘এসো হে বৈশাখ’ গান পরিবেশনের মাধ্যমে শুরু হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ প্রতি বছরের মতো পহেলা বৈশাখের শোভাযাত্রার আয়োজন করবে।
মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) সরকারের এক তথ্যবিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে জানানো হয়েছে, শোভাযাত্রায় এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘নববর্ষে ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’। অনুষ্ঠানগুলো সব সরকারি-বেসরকারি টিভি, রেডিওতে, বাণিজ্যিক রেডিও ও কমিউনিটি রেডিওতে সম্প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে বাংলা একাডেমি এবং বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন কর্তৃক বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ১৪ এপ্রিল থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত সাত দিনব্যাপী নববর্ষের মেলা, আলোচনা সভা ও অন্যান্য অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হবে। বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রতিষ্ঠানটির প্রাঙ্গণে ২০ এপ্রিল থেকে ১৪ দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী বৈশাখি মেলা আয়োজন করা হবে।
নববর্ষ উপলক্ষ্যে সব কারাগার, হাসপাতাল ও শিশু পরিবারে ঐতিহ্যবাহী খাবার সরবরাহের ব্যবস্থা ও শিশু পরিবারের শিশুদের নিয়ে ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। সব জাদুঘর ও প্রত্নস্থান সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হবে (শিশু-কিশোর, ছাত্র-ছাত্রী প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের বিনা টিকিটে প্রবেশের সুযোগ থাকবে)।
প্রতিটি জেলা/ উপজেলায় পহেলা বৈশাখে ‘বৈশাখি শোভাযাত্রা’ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। জেলা শহর ও সব উপজেলায় বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, লোকজ মেলা ও শিক্ষার্থীদের জন্য রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। এছাড়া, উপজেলা প্রশাসন প্রতিটি ইউনিয়নে ‘বৈশাখি শোভাযাত্রা’ আয়োজনসহ বাংলা নববর্ষ উদযাপনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ উদ্যাপন করবে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তরসমূহ/ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট/কেন্দ্র/একাডেমিতে তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠান আয়োজন করবে।
বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে অভিজাত হোটেল ও ক্লাবে বিশেষ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন ও ঐতিহ্যবাহী খাবার পরিবেশন করা হবে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও রমনা পার্কের আশপাশে সুবিধাজনক স্থানে পর্যাপ্তসংখ্যক চিকিৎসা সেবা কেন্দ্র, প্রয়োজনীয়সংখ্যক টয়লেট স্থাপন করা হবে ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের ব্যবস্থা থাকবে।
জাতীয় পর্যায়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানসহ জেলা-উপজেলা পর্যায়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানগুলোতে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে বলেও তথ্যবিবরণীতে জানানো হয়েছে।
নববর্ষ উদযাপনে থাকছে নানা কর্মসূচি
গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নে ৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা ১১ দলীয় ঐক্যের
১৪ বছর পর খুলনা চেম্বারের নির্বাচন, বানচালের চেষ্টায় দখলদাররা
গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে খুলনায় ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ মিছিল
প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শিতায় টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
এবার আনন্দ বা মঙ্গল নয়, হবে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’
গণভোটে বিএনপি কেন ‘হ্যাঁ’র পক্ষে ছিল জানালেন ডা. জাহেদ
জরুরিভিত্তিতে হামের টিকা পাবে যে ৩০ উপজেলা