প্রকাশিত: ২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ০৫:০৩:১৩
সংযুক্ত আরব আমিরাতের (দুবাই) পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংস্থা (ওপেক) থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বিশেষ উপহার হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। আগামী মাসে এই জোট ত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা কার্যকর হতে যাচ্ছে।
আমিরাতের ওপেক ত্যাগের পেছনে সৌদি আরবের সঙ্গে দীর্ঘদিনের নীতিগত বিরোধ বড় কারণ হিসেবে কাজ করছে। যেখানে রিয়াদ তেলের দাম ধরে রাখতে উৎপাদন কমানোর পক্ষে, সেখানে আমিরাত বেশি পরিমাণে তেল উত্তোলন ও রপ্তানি করে মুনাফা বাড়ানোর পক্ষপাতী।
জ্বালানি বিশ্লেষক আর্নে লোহম্যান রাসমুসেন বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত সবসময় তেলের পরিমাণের ওপর জোর দেয়, আর সৌদি আরব জোর দেয় দামের ওপর। এ দুই দেশের টানাপোড়েন দীর্ঘদিনের।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্তের পেছনে অর্থনৈতিক কারণের চেয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বেশি প্রবল।
আটলান্টিক কাউন্সিলের সিনিয়র ফেলো এলেন ওয়াল্ড মনে করেন, ইরান থেকে সুরক্ষার বিনিময়ে ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের বৈরী এই জোটকে (ওপেক) দুর্বল করতেই সম্ভবত আমিরাত এই পদক্ষেপ নিয়েছে। এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আমিরাতের কোনো বড় প্রতিরক্ষা চুক্তি হতে পারে বলেও গুঞ্জন রয়েছে।
সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন ওপেক জোট থেকে তৃতীয় বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী দেশের বেরিয়ে যাওয়া ৬৫ বছরের পুরনো এই জোটের অস্তিত্বের জন্য বড় হুমকি। বিশ্লেষকরা একে ওপেকের জন্য একটি ‘মৃত্যুঘণ্টা’ হিসেবেও অভিহিত করেছেন।
প্রজন্মনিউজ২৪
নতুন এলিট ফোর্স গঠনের বার্তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ৪৫ দিন বাড়াল ইসরায়েল-লেবানন
ঘোড়াঘাটে কৃষি অফিসের আয়োজনে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত
রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ওআইসির সমর্থন চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সাথে, পাক প্রতিনিধি দলের বৈঠক
খালেদা জিয়া স্মৃতি স্বর্ণপদক পাচ্ছেন তামিমসহ ১৫ জন
ইরানের ট্যাংকার লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা
গণভোটের রায়কে উপেক্ষা করে জনগণের আস্থা অর্জন করা যায়না’
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী
মার্কিন চুক্তিকে 'সম্পর্ক উন্নয়ন' হিসেবে দেখছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা