প্রকাশিত: ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ০৩:২৮:৪০
জনগণের কথা ভেবে আমরা জ্বালানি তেলের দাম সামান্য বাড়িয়েছি। কিন্তু বিশ্ববাজারে দ্বিগুণ বেড়েছে। সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
রাজধানীর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির বিভিন্ন যৌক্তিকতা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থির পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি তেল আমদানিতে সরকারের বাড়তি দুই বিলিয়ন ডলার খরচ করতে হচ্ছে। যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের যে দাম ছিল, বর্তমানে তা প্রায় দ্বিগুণ। এই বিশাল মূল্যবৃদ্ধির ফলে সরকারের ওপর ব্যাপক অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা জনগণের স্বস্তির কথা চিন্তা করেই পরিস্থিতির তুলনায় অনেক কম দাম বাড়িয়েছি। সরকার ভর্তুকি প্রদান অব্যাহত রেখে বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। মূলত জনগণের ভোগান্তি কমাতে এবং দেশের অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকার এই বিশাল বাড়তি ব্যয়ের একটি বড় অংশ নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছে এবং অত্যন্ত সীমিত পরিসরে দাম সমন্বয় করা হয়েছে।
সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পেট্রোলের দাম লিটার প্রতি ১৯ টাকা ও অকটেনের দাম লিটার প্রতি ২০ টাকা করে বেড়েছে। সেইসঙ্গে ডিজেলের দাম বেড়েছে প্রতি লিটারে ১৫ টাকা।
এর ফলে, বর্তমানে প্রতি লিটার অকটেনের দাম দাঁড়িয়েছে ১৪০ টাকা, পেট্রোলের দাম হয়েছে ১৩৫ টাকা এবং ডিজেলের দাম হয়ে গেছে ১১৫ টাকা। ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার কেরোসিন এখন বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়।
প্রজন্মনিউজ২৪
এলপি গ্যাসের নতুন মূল্য নির্ধারণ
পরের ম্যাচেই ঘুরে দাঁড়াব: শরীফুল
সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা-ডাটাবেইজ তৈরি করছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী
সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে : মন্ত্রী
মৃণালের প্রেমে ধানুশ, বার্তা দিলেন অভিনেত্রী
ট্রাম্প বেশি কথা বলেন: ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী
জনগণের কথা ভেবে তেলের দাম সামান্য বাড়িয়েছি: জ্বালানি মন্ত্রী
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের কাছে ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’