প্রকাশিত: ২৪ জানুয়ারী, ২০২৩ ১১:৩৩:১৯
অনলাইন নিউজডেস্কঃ মাসা আমিনির মৃত্যু ঘিরে ইরানে বিক্ষোভের মধ্যে গত দুই দিনে তিন নারী সাংবাদিককে আটক করা হয়েছে। দেশটির সংবাদমাধ্যমগুলো গতকাল সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে।
গত ১৬ সেপ্টেম্বর নীতি পুলিশের হেফাজতে ২২ বছরের কুর্দি তরুণী মাসা আমিনির মৃত্যু হয়। যথাযথ বিধি মেনে পোশাক না পরায় মাসা আমিনিকে আটক করা হয়েছিল। মাসা আমিনির মৃত্যুর প্রতিবাদে দেশটিতে তুমুল বিক্ষোভ-প্রতিবাদ শুরু হয়।
আরও পড়ুন:সাভারে কিশোর গ্যাংয়ের নেতৃত্বে আবারও হামলা,আটক ১
বিক্ষোভ রুখতে দমন-পীড়ন চালাচ্ছে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড। ইতিমধ্যে নিহত হয়েছেন তিন শতাধিক এবং কি বিক্ষোভকারীদের দেশদ্রোহী হিসেবে চিহ্নিত করেছে ইরান সরকার।
ইরানে কয়েক মাস ধরে চলা বিক্ষোভে শিল্পী, সাহিত্যিক, সাংবাদিকসহ অসংখ্য মানুষ সমর্থন দিয়েছেন। সেই সঙ্গে চলছে নির্বিচার ধরপাকড়। এ ধারাবাহিকতায় আটক করা হয়েছে তিন নারী সাংবাদিককে। তেহরান সাংবাদিক ইউনিয়নের বরাতে দেশটির সংস্কারবাদী সংবাদপত্র এতেমাদের প্রতিবেদনে গতকাল বলা হয়েছে, শেষ ৪৮ ঘণ্টায় আটক হওয়া তিন নারী সাংবাদিক হলেন মেলিকা হাশেমি, সাইদেহ সাফিয়ে ও মেহেরনৌশ জারেই।
সংবাদপত্রটি জানিয়েছে, আটক হওয়া তিন নারী সাংবাদিককে এভিন কারাগারে রাখা হয়েছে। বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে আটক হওয়া অনেককেই এই কারাগারে রাখা হয়েছে। তবে তাঁদের আটকের কারণ সম্পর্কে কিছুই জানানো হয়নি। কয়েক মাসের বিক্ষোভে ইরানে প্রায় ৮০ জন সাংবাদিককে আটক করা হয়েছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর, সাইদেহ সাফিয়ে লেখক ও ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেন। মেহেরনৌশ জারেই বেশ কিছু সংস্কারবাদী লেখা লিখে আলোচিত হয়েছেন। আর মেলিকা হাশেমি সহর নামের একটি সংবাদমাধ্যমে যুক্ত রয়েছেন।
প্রজন্মনিউজ২৪/এমএইচ
পদত্যাগ করে জেলা আ.লীগ নেতা: ইবাদতে জীবন পার করতে চাই
গাজীপুরে পোশাক কারখানার গোডাউনে আগুন, সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে
ভারত তার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে সুরক্ষা দিতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে: নাহিদ ইসলাম
সেনাবাহিনীর সহায়তায় খাগড়াছড়ি পৌঁছেছেন সাজেকে আটকে পড়া পর্যটকরা
দেড় মিনিটে মন্ত্রীকে ৩৫ বার ‘স্যার’ বলে আলোচনায় ইউএনও
ফ্রান্সে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে নতুন স্লোগান ‘বিসমিল্লাহ’
১ নভেম্বর থেকে ফুটপাতে লাইসেন্স ছাড়া চা-পেয়াজু-মুড়ির ব্যবসা নয়
পটিয়ায় চালককে অজ্ঞান করে চিনিসহ কাভার্ডভ্যান ছিনতাই
রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে বিরোধী দলের পেছনে লাগানো ফ্যাসিবাদী প্রবণতা