প্রকাশিত: ০৩ মে, ২০২৬ ০৮:২৩:৩৫ || পরিবর্তিত: ০৩ মে, ২০২৬ ০৮:২৩:৩৫
প্রজন্ম ডেস্ক: পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) ফেসবুকে সরকার বিরোধী পোস্ট দেওয়ার কারণে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের মারধরের শিকার হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই কর্মচারী।
তারা হলেন শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের আশরাফ উদ্দিন অপু এবং মেডিকেল সেন্টারের কম্পাউন্ডার সৈকত হোসাইন।
অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা-কর্মীরা হলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের শিক্ষার্থী মো. ওলিউল্লাহ, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা (ইউআরপি) বিভাগের নয়ন খান, ব্যবসায় প্রশাসন (বিবিএ) বিভাগের হৃদয় খান, স্বপ্নীল পোদ্দার, রসায়ন বিভাগের রনি, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের রঙ্গণসহ আরো কয়েকজন। আজ রোববার (৩ মে) এই ঘটনা ঘটে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দুপুর বারোটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ওলিউল্লাহর নেতৃত্বে একদল নেতা-কর্মী প্রথমে মেডিকেল সেন্টারের কম্পাউন্ডার সৈকত ও পরবর্তীতে শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের কর্মকর্তা আশরাফ উদ্দিন অপুকে ফেসবুকে সরকারের সমালোচনা করে পোস্ট দেওয়ার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এক পর্যায়ে তারা ঐ দুই কর্মচারীকে চড়-থাপ্পড় এবং শারীরিকভাবে হেনস্তা করেন। এরপর এদের দুইজনকে নিয়ে মেডিকেল সেন্টারে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি মুজাহিদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলামসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তার সামনে আগামীদিনে ফেসবুকে সরকারের বিরুদ্ধে কোন পোস্ট দিবেনা এবং ঘটনা এখানেই শেষ বলে মুচলেকা নেওয়া হয়।
মেডিকেল সেন্টার কর্মচারী সৈকত হোসাইন বলেন, ‘ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা হঠ্যাৎ করে আমার অফিসে এসেই আমাকে বলেন যে, এই ফেসবুক পোস্ট আপনার কিনা। আমি হ্যাঁ, বলার সাথে সাথেই আমাকে মারধর শুরু করে। ওই ফেসবুক পোস্ট আমি ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে দিয়েছিলাম। পরে এই পোস্ট ডিলেটও করে দিয়েছিলাম। কিন্তু ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা এই পোস্ট নিয়েই আমাকে মারধর করলো।’
মারধরের শিকার আরেক কর্মচারী আশরাফ উদ্দিন অপু বলেন, ‘আমি ট্রেজারার স্যারের অফিস থেকে বের হয়ে ব্যাংকের দিকে যাচ্ছিলাম। তৃতীয় তলার সিঁড়ির পাশে পৌঁছালে পেছন থেকে কয়েকজন আমাকে ঘিরে ধরে। তারা একটি ফেসবুক পোস্টের স্ক্রিনশর্ট দেখিয়ে জানতে চায় সেটি আমার কিনা। আমি স্বীকার করলে তারা বলে—সরকারি চাকরিজীবী হয়ে কেন সরকারের সমালোচনা করেছি। এরপর তারা আমাকে কিল-ঘুষি মারতে থাকে। পরে অন্য কর্মকর্তারা এগিয়ে এলে তারা চলে যায়।’
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা ওলিউল্লাহ বলেন, ‘পোস্ট দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে কিছু শিক্ষার্থী সেখানে গিয়েছিল। আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলাম, তবে মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি মোজাহিদ হোসেন বলেন, ‘কর্মচারীদের মারার বিষয়ে আমি কিছুই অবগত নই। আমি এবিষয়ে কিছুই জানিনা। তুমি যেহেতু বললা আমি বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখতেছি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান বলেন, ‘দপ্তর প্রধানদের সঙ্গে কথা হয়েছে। ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ করলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।’
ইউনূসকে বিয়ের নিমন্ত্রণ ও বিভিন্ন চিত্রকর্ম দিলেন ডাকসু ভিপি
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সাথে, পাক প্রতিনিধি দলের বৈঠক
গাজীপুরে পোশাক কারখানায় অর্ধশত শ্রমিক অসুস্থ
একদিনে হাম উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু
ভারত সংখ্যালঘুদের আপন করলে আরও বেশি শ্রদ্ধা করবো : ধর্মমন্ত্রী
গর্ভের শিশুর লিঙ্গ পরিচয় শনাক্ত করা যাবে না: হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়
বাজার সিন্ডিকেট ভাঙতে এআই নজরদারিতে যাবে সরকার
এবার পদত্যাগ করলেন ঢাবির সহকারী প্রক্টর শেহরীন মোনামি
বিএনপি নিজেদের মতো করে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে চায়: জামায়াত সেক্রেটারি