সার ডিলার নিয়োগে দলীয়করণ ও দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তসহ ৬ দাবি জামায়াতের

প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ০২:৫৬:৫৯

সার ডিলার নিয়োগে দলীয়করণ ও দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তসহ ৬ দাবি জামায়াতের

প্রজন্ম ডেস্ক: দেশে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ তুলে তদন্ত এবং দায়ীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দীর্ঘদিনের সার ব্যবসায়ীদের বাদ দিয়ে বিএনপির নেতাকর্মী, সংসদ সদস্যদের স্ত্রী, সন্তান, ভাই ও আত্মীয়স্বজনকে ডিলারশিপ দেওয়া হয়েছে। কোথাও কোথাও দলীয় প্যাডে দেওয়া তালিকা অনুযায়ী ডিলার নিয়োগ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছে দলটি।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এসব অভিযোগ তোলেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

তিনি বলেন, দেশে সংকটের কোনো অন্ত নেই। যেখানেই ধরতে যাওয়া হয়, সেখানেই সংকট। যখন কোনো বিষয় জাতির কাছে একেবারেই অপরিহার্য ও অনিবার্য হয়ে ওঠে, তখন কথা না বললেই নয়। রাজনৈতিকভাবে সভা-সমাবেশে বক্তব্য ও বিবৃতির মাধ্যমে তারা এসব বিষয় তুলে ধরেন। বিশেষ করে দেশে সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ নিয়ে চরম অব্যবস্থাপনা এবং দলীয়করণ সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এতে জনগণের চরম ভোগান্তি ও ক্ষোভ তৈরি হচ্ছে এবং এর প্রভাব পড়ছে কৃষি, প্রশাসনের নৈতিকতা ও সাধারণ নাগরিকদের ওপর।

সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণে অনিয়ম, দুর্নীতি এবং নৈরাজ্যের অভিযোগ তুলে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সার আমদানি, উৎপাদন, বিতরণ, ব্যবহার ও ডিলার নিয়োগের বিষয়ে নির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। সংবিধানের ৫৫(৬) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে প্রণীত রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬ এবং এর অধীন অ্যালোকেশন অব বিজনেস অনুযায়ী সারসংক্রান্ত বিষয় কৃষি মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত। আগে একাধিকবার নীতিমালা প্রণয়ন ও সংশোধন করা হয়েছে। ২০২৫ ও ২০২৬ সালেও এ বিষয়ে নীতিমালা ছিল। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে আবার সেই নীতিমালা সংশোধন করেছে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত সারসংক্রান্ত বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের বক্তব্য নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তার অভিযোগ, এক মন্ত্রণালয়ের বিষয়ে অন্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির বক্তব্য এবং হস্তক্ষেপের কারণে দায়িত্বের সীমা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। ক্ষমতাসীন দলের মধ্যে সব কাজের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার মানসিকতা তৈরি হয়েছে।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সার ডিলার নিয়োগের নীতিমালা লঙ্ঘন করা হচ্ছে। উপজেলা ও জেলা সার-বীজ মনিটরিং কমিটিতে রাজনৈতিক নেতাদের প্রভাব অবাধ হয়েছে। উপজেলা সার-বীজ মনিটরিং কমিটির ১০ জন সদস্যের মধ্যে তিনজনকে রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। একইভাবে জেলা সার-বীজ মনিটরিং কমিটির ১৩ জন সদস্যের মধ্যে তিনজনকে রাজনৈতিক বিবেচনায় মনোনীত করা হয়েছে। এভাবে ডিলার নিয়োগে রাজনৈতিক প্রভাব প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে। এমন নীতিমালার প্রয়োগে যোগ্য ও নিরপেক্ষ ব্যবসায়ীদের ডিলার হওয়ার সুযোগ থাকছে না।

বিভিন্ন উপজেলা থেকে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে তিনি অভিযোগ করেন, সরকারদলীয় সংসদ সদস্য ও নেতারা কে কতজন ডিলার নিয়োগ করবেন, তা ভাগ করে নিয়েছেন। টাকার বিনিময়ে সেই ভাগ অনুযায়ী ডিলারশিপ বণ্টন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, এক পরিবারের একাধিক ব্যক্তিকে ডিলারশিপ দেওয়ার সুযোগ নেই। একইভাবে যে এলাকায় ব্যবসা নেই বা যিনি ওই এলাকার বাসিন্দা নন, তার অন্য এলাকায় ডিলারশিপ পাওয়ার ক্ষেত্রেও নীতিমালায় বিধিনিষেধ রয়েছে। কিন্তু এসব শর্ত একের পর এক লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।

সরকার চাহিদার তুলনায় বেশি ইউরিয়া ও নন-ইউরিয়া সার মজুত থাকার দাবি করলেও বিভিন্ন এলাকায় সারের জন্য বিক্ষোভ, গুদাম থেকে কৃষকদের সার নিয়ে যাওয়া এবং ডিলারদের পালিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত সার থাকলে সংকট দেখা দেওয়ার কথা নয়। এ পরিস্থিতি সার বিতরণে সরকারের ব্যর্থতার পরিচয় দেয়।

২০২৬-২৭ অর্থবছরে ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি মিলিয়ে মোট সারের চাহিদা ৫৮ লাখ মেট্রিক টন বলে উল্লেখ করেন তিনি। কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশিদের দেওয়া হিসাবের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ইউরিয়ার চাহিদা ২৬ লাখ টন, টিএসপির ৭ লাখ টন এবং অন্যান্য সারের চাহিদা ৯ লাখ টন বলে জানানো হয়েছে। তার বক্তব্য অনুযায়ী, সরকারের হিসাবেই চাহিদার তুলনায় প্রায় ৯ লাখ মেট্রিক টন বেশি সার থাকার কথা।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকারের এই হিসাব সত্য হলে সারের সংকটের পেছনে দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা, চোরাকারবারি ও কালোবাজারি দায়ী হতে পারে। অসাধু ডিলাররা সার কালোবাজারে বিক্রি করে দিচ্ছেন। ডিলার নিয়োগে স্বজনপ্রীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবের পাশাপাশি কৃত্রিম সংকট তৈরি, অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি এবং চোরাচালানের ঘটনা ঘটছে।

তিনি আরও বলেন, দেশে প্রায় পাঁচ হাজার ডিলার নিয়োগের সুযোগ রয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নে একজন করে নতুন ডিলার নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে আগের ডিলাররাও থাকবেন। পাঁচ হাজার ডিলারশিপের বিপরীতে ৪৭ হাজারের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী আবেদনকারীর যোগ্যতা, ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা, আর্থিক সক্ষমতা এবং নিজস্ব গুদাম থাকার মতো শর্ত পূরণ করার কথা থাকলেও সেগুলো যথাযথভাবে মানা হয়নি।

মিয়া গোলাম পরওয়ারের দাবি, দীর্ঘদিনের সার ব্যবসায়ীদের বাদ দিয়ে নেতাদের এবং সংসদ সদস্যদের স্ত্রী, সন্তান, ভাই ও আত্মীয়স্বজনকে ডিলারশিপ দেওয়া হয়েছে। কিছু এলাকায় দলীয় প্যাডে স্বাক্ষর করা তালিকাও গ্রহণ করা হয়েছে।

সার ডিলার নিয়োগে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ তুলে মিয়া গোলাম পরওয়ার ফরিদপুরের নগরকান্দা, দিনাজপুরের পার্বতীপুর, বদরগঞ্জ, আলফাডাঙ্গা ও ডুমুরিয়াসহ বিভিন্ন এলাকার উদাহরণ দেন। তিনি বলেন, ফরিদপুরের নগরকান্দায় ডিলার নিয়োগে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। সেখানে ডিলারশিপ থেকে বঞ্চিত অর্ধশতাধিক আবেদনকারী তাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ করেছেন। দিনাজপুরের পার্বতীপুরের জামশেদ আলী সার ডিলার নিয়োগ পাওয়ার জন্য বিএনপির এক নেতাকে ১০ লাখ টাকা দিয়েছেন, কিন্তু ডিলারশিপ পাননি বলে অভিযোগের কথা উল্লেখ করেন তিনি।

বদরগঞ্জের প্রসঙ্গ টেনে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সেখানে বিএনপির নেতাকর্মীদের নাম তালিকার প্রথম দিকে রাখতে এবং জামায়াত ও এনসিপির নেতাদের নাম না রাখতে চাপ দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। আলফাডাঙ্গায় সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগও তুলে ধরেন তিনি। ডুমুরিয়ায় ডিলার নিয়োগ নিয়ে তদন্ত ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগের তথ্য-প্রমাণ তাদের কাছে রয়েছে বলে দাবি করেন জামায়াতের এই নেতা।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সার ডিলার নিয়োগের নীতিমালায় সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের বাসিন্দা হওয়া এবং গুদাম থাকার শর্ত রয়েছে, কিন্তু এসব শর্তও লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, গত ৬ অক্টোবর ‘ইত্তেফাক’-এ রংপুরের পীরগাছায় সার ডিলার নিয়োগে স্বজনপ্রীতি, দলীয়করণ এবং ১৫ থেকে ২৭ লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেনের অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছে। উপজেলা বিএনপির সভাপতি আমিরুল ইসলাম রাঙার স্বাক্ষরযুক্ত বলে দাবি করা একটি তালিকায় নয়টি ইউনিয়নের ১৯ জনের নাম পাওয়া গেছে। ওই তালিকায় বিএনপি নেতাদের স্ত্রী, সন্তান ও আত্মীয়দের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির লোকজনের নামও রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

রাজশাহীর পটিয়া, মোহনপুর, পবা ও গোদাগাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগও তুলে ধরেন তিনি। তার দাবি, কয়েকটি এলাকার কৃষি কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন, বিএনপির সংসদ সদস্যদের দেওয়া তালিকা থেকে লোক নিয়োগ করা হয়েছে। তবে নীতিমালায় এ ধরনের তালিকা অনুযায়ী নিয়োগের সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, কোনো সরকারি নীতিমালায় দলীয় কর্মীদের মূল্যায়নের জন্য ডিলারশিপ দেওয়ার বিধান রয়েছে কি না, তা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। এ ধরনের বক্তব্যের মাধ্যমে দলীয়করণের বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, দুর্নীতি ও দলীয়করণে নিমজ্জিত সরকারের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে সোচ্চার হতে হবে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তারা দুর্নীতিমুক্ত, স্বজনপ্রীতিমুক্ত, ভিন্নমতের ওপর দলীয় নিপীড়নমুক্ত, সমৃদ্ধ, মানবিক ও ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু ক্ষমতাসীন সরকার বিরোধী দলকে বাদ দিয়ে নিজেদের সুবিধামতো সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার মতো কর্তৃত্ববাদী সাংবিধানিক কাঠামো তৈরিতে ব্যস্ত হয়েছে ।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, গণভোটের রায়ে সংবিধান সংস্কারের যে আইনি কাঠামো অনুমোদিত হয়েছে, সংবিধান সংস্কার পরিষদের মাধ্যমে তারা সংবিধান সংস্কার করতে চান। কিন্তু সরকার তা উপেক্ষা করে কর্তৃত্ববাদী শাসনের আদলে সাংবিধানিক কাঠামো সাজাচ্ছে।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, পার্লামেন্টকে কেন্দ্র করে সংবিধান সংশোধনের নামে কর্তৃত্ববাদী ও ফ্যাসিবাদী সাংবিধানিক কাঠামো তৈরির চেষ্টা চলছে। এর লক্ষ্য আজীবন ক্ষমতায় থাকার চিন্তাকে এগিয়ে নেওয়া। ক্ষমতাসীনদের এই সর্বনাশা ও অপরিণামদর্শী পথ থেকে ফিরে আসার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, ৯ নভেম্বর সংসদ অধিবেশন ডাকা হয়েছে। এখনো আলোচনার সুযোগ রয়েছে। সংসদ বাংলাদেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকট এবং জনদুর্ভোগ নিরসনের আলোচনার জায়গা। এসব বিতর্ক রাজপথে ঠেলে না দিয়ে সংসদে নিষ্পত্তি করা উচিত।

দেশের সার, তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকটের কথা তুলে ধরে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, জ্বালানি সংকটের কারণে দ্রব্যমূল্য বাড়ছে। পরিবহন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় নগরজীবন, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা এবং প্রান্তিক কৃষকদের ওপর নেতিবাচক অর্থনৈতিক প্রভাব পড়ছে।

সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, রাজনৈতিক প্রভাব ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ তদন্তের জন্য সরকারের কাছে ছয় দফা দাবি তুলে ধরেন মিয়া গোলাম পরওয়ার।

দাবিগুলো হলো-

১. সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, রাজনৈতিক প্রভাব ও আর্থিক লেনদেনের যেসব অভিযোগ গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসেছে, সরকারকে অবিলম্বে সেগুলোর তদন্ত করতে হবে। তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হবে, তাদের উপযুক্ত শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

২. নিয়োগ পাওয়া ডিলারদের যোগ্যতা মূল্যায়নের মানদণ্ড, তালিকা প্রণয়নের প্রক্রিয়া এবং লাইসেন্স দেওয়ার ভিত্তি জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে।

৩. ডিলারশিপ পাইয়ে দেওয়ার নামে যাদের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য ও অর্থের পরিমাণ তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।

৪. সারের কৃত্রিম সংকট নিয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য এবং জামায়াত ও বিএনপির সংসদ সদস্যদের এলাকার সারসংকট সম্পর্কে দেওয়া তথ্য প্রকাশ করতে হবে। প্রতিমন্ত্রী কেন এ বিষয়ে অসত্য তথ্য দিয়েছেন, তা-ও স্পষ্ট করতে হবে।

৫. সার ডিলার নিয়োগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষকে অভিযোগগুলোর বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে হবে এবং তদন্তের অগ্রগতি জনগণকে জানাতে হবে।

৬. কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা প্রমাণের ভিত্তিতে যাচাই করতে হবে। ভিত্তিহীন অভিযোগ বা রাজনৈতিক বক্তব্যের মাধ্যমে কাউকে দায়ী করা যাবে না

এ সম্পর্কিত খবর

শ্রমিকদের কার্যকর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে দ্রুত ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা করতে হবে 

আন্দোলনে নিহত শ্রমিক তৌফিকের পরিবারকে জামায়াত আমিরের ফোন

ট্রাভেল পাশ নয় ফাঁসির আসামি হিসেবে হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ব্যারিস্টার সালেহী এবং আইউবীর নেতৃত্বে অংশগ্রহন জামায়াতের

আমাকে অভিশংসন করতে এলে ডেমোক্র্যাটরা ধ্বংস হয়ে যাবে : ট্রাম্প

সুনামগঞ্জে প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত ১৫

এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে বক্তব্য: নাহিদ ইসলামকে আইনি নোটিশ

সারাদেশে একযোগে নবনির্বাচিত জেলা ও মহানগর আমিরের নাম প্রকাশ জামায়াতের

হাসিনার সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী আটক

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন



আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ