প্রকাশিত: ০৬ মে, ২০২৬ ০৬:৩২:৪৮
প্রজন্ম ডেস্ক; কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষের পদত্যাগসহ বিভিন্ন দাবিতে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বরে ‘সচেতন শিক্ষার্থীবৃন্দ’–এর ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে এসব দাবি তোলা হয়। পরে প্রশাসনিক ভবনের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল।
সাধারণ শিক্ষার্থীরা জানান, ‘সচেতন শিক্ষার্থীবৃন্দ’–এর ব্যানারে আয়োজিত কর্মসূচির নেপথ্যে ছাত্রদল ছিল এবং মানববন্ধনে বক্তব্য দেওয়া অধিকাংশই ছাত্রদলের সঙ্গে যুক্ত।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বর্তমান প্রশাসন নিরপেক্ষতার আড়ালে বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘জামায়াতীকরণ’ করছে। ২০০৯ থেকে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগে দুর্নীতির সুষ্ঠু তদন্ত এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রতিবেদন প্রকাশের দাবি জানান তাঁরা। একই সঙ্গে আবাসিক হলগুলোর খাবারের মান উন্নয়নের দাবিও তোলা হয়।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, উপাচার্য হায়দার আলী জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) তথ্য পাচার মামলার আসামি। একজন ফৌজদারি মামলার আসামি কীভাবে একটি স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ পদে বহাল থাকেন? একই সঙ্গে কোষাধ্যক্ষ মো. সোলাইমানের বিরুদ্ধেও দুদকের মামলা আছে।
মানববন্ধনে আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. আসিফ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় এখন নিয়োগ–বাণিজ্য ও স্বজনপ্রীতির কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী এনামুল হক বলেন, প্রশাসনের নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠলেও উপাচার্যের পক্ষ থেকে কোনো জবাবদিহি নেই। দ্রুত পদত্যাগ না করলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা মোতাসিম বিল্লাহ পাটোয়ারী বলেন, টেন্ডার থেকে নিয়োগ—সব ক্ষেত্রেই অনিয়ম হচ্ছে এবং প্রশাসন দলীয়করণের প্রমাণ দিচ্ছে।
পরে প্রশাসনিক ভবনের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন ও সদস্যসচিব মোস্তাফিজুর রহমান। তাঁরা শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগে পক্ষপাতিত্ব, টেন্ডারে অনিয়ম এবং নিয়োগ বোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে আয়োজনের অভিযোগ তুলে উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবি করেন।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপাচার্য হায়দার আলী। আজ বিকেলে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, তিনি দায়িত্ব পালনকালে কোনো অনিয়মের সঙ্গে আপস করেননি। তাঁর দাবি, ছাত্রদল মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ তুলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। নতুন উপাচার্য নিয়োগ হলে তিনি দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে প্রস্তুত।
এবার পদত্যাগ করলেন ঢাবির সহকারী প্রক্টর শেহরীন মোনামি
আমাদের একটি যুদ্ধ শেষ এখন আরেকটি যুদ্ধ শুরু হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদের পদত্যাগ দাবি বাংলাদেশ ছাত্রপক্ষের
কুবিতে উপাচার্য-কোষাধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে ছাত্রদলের মানববন্ধন
ফেসবুকে সরকার বিরোধী পোস্ট করে ছাত্রদলের কাছে মার খেলেন পাবিপ্রবির দুই কর্মচারী
ছাত্রদল নেতার ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ পোস্ট, দল থেকে বহিষ্কার
ববিতে ছাত্রদলের কমিটিতে ১০ ছাত্রলীগ নেতাকর্মী