প্রকাশিত: ৩০ জানুয়ারী, ২০২৬ ০৩:১৯:৫৭
সিলেট প্রতিনিধি : সিলেটে শীতের প্রকোপ অনেকটাই কমেছে। তবে এখনো চলছে শীত মৌসুম। এখনো ফ্যান ছাড়ার প্রয়োজন পড়েনি। কিন্তু এই শীতকালেও সিলেটে গ্রীস্মকালের মতো লোডশেডিং হচ্ছে।
বৃহস্পতি ও শুক্রবার নগরের জিন্দাবাজার এলাকায় কয়েক দফায় প্রায় ৫ ঘন্টা বিদ্যুৎ ছিলো না। একই অবস্থা নগরের বেশির ভাগ এলাকারই। পুরো মাসজুড়েই এমনটি চলছে। দিনে দফায়-দফায় লোডশেডিং হচ্ছে। প্রত্যেকবার বিদ্যুৎ যাওয়ার পর ঘন্টাখানেক বিদ্যুৎহীন থাকতে হচ্ছে। এতে দুর্ভোগ পেহাতে হচ্ছে গ্রাহকদের।
শীত মৌসুমে যেখানে বিদ্যুতের চাহিদা কমে তখনও সিলেটে কেন এতো লোডশেডিং? চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায়ই এমনটি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল কাদির।
তিনি আমাদের প্রতিনিধিকে বলেন, সিলেটে এখন প্রতিদিন চাহিদা ১২০ মেঘাওয়াট। কিন্তু সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ মেঘাওয়াট। ফলে প্রায় ৫০ মেঘাওয়াট ঘাটতি থাকছে।
শীতেও কেন এতো ঘাটতি এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র গুলোর সংস্কারের কাজ চলছে। এছাড়া গ্যাসের সরবরাহ কম। জ্বালানীও কেনা যাচ্ছে না। এসব কারণে বিদ্যুতের উৎপাদন কমেছে।
আব্দুল কাদির বলেন, দেশে প্রতিদিন গড়ে বিদ্যুতের চাহিদা ১৩ হাজার মেঘাওয়াট কিন্তু উৎপাদন হচ্ছে ১০ হাজার মেঘাওয়াট।
তবে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে অবস্থার কিছু উন্নতি হতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, (বৃহস্পতিবার) বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যানের সাথে এ ব্যাপারে বৈঠক হয়েছে। তিনি বলেছেন ১ তারিখ থেকে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে বিরোধীদলীয় নেতার অভিনন্দন
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করায় বাংলাদেশ দলকে অভিনন্দন
গণভোটের রায়কে অগ্রাহ্য করা মানে দেশের জনগণকে অপমান করা
পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে মির্জা ফখরুল: উসকানিমূলক বক্তব্য দেবেন না
পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প একনেক সভায় অনুমোদন
পর্যায়ক্রমে মাঠ থেকে সশস্ত্র বাহিনী প্রত্যাহার করা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
১৬ মে চাঁদপুর ও ২৫ মে ফেনী সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে ৮ নির্মাণ শ্রমিক নিহতের ঘটনায় জামায়াতের শোক
দ্রুত সময়ের মধ্যে সিলেটের আইটি পার্ক চালু হবে : প্রধানমন্ত্রী