প্রকাশিত: ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০২:৫৬:১৫ || পরিবর্তিত: ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০২:৫৬:১৫
প্রজন্মডেস্ক: আসামি থেকে রাজসাক্ষী হওয়া সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আন্দোলন দমনে মারণাস্ত্র ব্যবহার, হেলিকপ্টার থেকে গুলি ও ব্লক রেইডের সিদ্ধান্ত হয় রাজনৈতিকভাবে। লেথাল উইপেন ব্যবহারের নির্দেশনা এসেছিল শেখ হাসিনার কাছ থেকে। আর সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান হাবিব, ডিবির হারুন ছিলেন মারণাস্ত্র ব্যবহারে অতিউৎসাহী।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ০১- এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে জবানবন্দিতে তিনি এ কথা বলেন।
এদিন বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে সাক্ষ্য দেয়া শুরু করেন জুলাই আন্দোলনের সময়ে পুলিশ প্রধানের দায়িত্বে থাকা মামুন।
এসময় মামুন আরও জানান, র্যাব-১ এ টিআইএফ নামে গোপন বন্দিশালা ছিল। অন্যান্য র্যাবের ইউনিটে ছিল এমন বন্দিশালা। রাজনৈতিক ভিন্নমত ও সরকারের জন্য হুমকি হয় এমন মানুষদের ধরে আনা হত এখানে।
‘প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে আসতো এসব নির্দেশনা। কখনো নির্দেশনা দিতেন তারেক সিদ্দিকী। আর আয়নাঘরে আটক ও ক্রসফায়ারে হত্যার মতো কাজগুলো করতেন র্যাবের এডিসি অপারেশন ও গোয়েন্দা বিভাগের পরিচালক’, যোগ করেন সাবেক এ আইজিপি।
এ বছরের ২৪ মার্চ মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি জানান, স্বেচ্ছায় আসামি থেকে রাজসাক্ষী হয়ে সত্য উন্মোচন করতে চান তিনি।
এর আগে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনে আহত, শহীদ পরিবারের সদস্য, চিকিৎসকসহ ৩৫ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। এ মাসেই এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হওয়ার প্রত্যাশা করছে প্রসিকিউশন।
রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বিজিবি মোতায়েন
আশুরা ঘিরে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ডিএমপি
বিএনপি অফিসে জুয়ার আসরের ভিডিও ভাইরাল, এলাকায় তোলপাড়
ঢাকাসহ ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের নির্দেশ
মানবতাবিরোধী অপরাধে ট্রাইব্যুনালে ইনুর রায় ৩০ জুন
কেউ বিশৃঙ্খলা করতে চাইলে তারা নিজেরাই ঝুঁকির মধ্যে পড়বে
প্রেমিকাকে বন্ধুর বাড়িতে ডেকে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩
কেএমপি‘র সেই পুলিশ কমিশনারকে স্ট্যান্ড রিলিজ
গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে খুলনায় ১১ দলের বিভাগীয় সমাবেশ