প্রকাশিত: ১৬ অগাস্ট, ২০২৫ ১১:৪২:০৪ || পরিবর্তিত: ১৬ অগাস্ট, ২০২৫ ১১:৪২:০৪
বাংলাদেশের মিডিয়া ও এন্টারটেইনমেন্ট নিয়ে কাজ করা মানুষদের দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে দেখেন বলে জানিয়েছেন বুয়েটের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের নির্যাতনে নিহত আবরার ফাহাদের ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ। তিনি বলেছেন, এদের হাতে অনেক বেশি ক্ষমতা ন্যারেটিভ বানানোর। আজকের এই মুজিবপ্রেমীদের যে ঠিক ওই উদ্দেশ্যেই মাঠে নামানো হয়েছে, তা বলার অপেক্ষা রাখেনা।
শুক্রবার (১৫ আগস্ট) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেছেন আবরার ফাইয়াজ। তিনি লিখেছেন, ‘এই মুজিবপ্রেমিকদের জিজ্ঞেস করলে দেখবেন ম্যাক্সিমাম স্বাধীনতার ইতিহাসের ই ও কোনোদিন জানার চেষ্টা করেনি, কোনো বই পড়া তো দূরের কথা। ৭ মার্চের ভাষণ বাদে এরা কিছুই জানে না মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের। কিন্তু তারা একটা কথা জানে, মুজিবকে বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘আবার কিছুদিন পরই দেখা যাবে এদের অনেকেই কান্নাকাটি করবে এসে যে, আমাকে ও আমার পরিবারকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল, তাই বলতে বাধ্য হয়েছি। তাদের কথায় মনে হয়, পরিবার শুধু তাদেরই আছে, আমাদের বা জুলাইয়ের শহীদদের পরিবার বলে কিছু এক্সিস্টই করে না।’
আবরার ফাইয়াজের ভাষ্য, ‘গত ১৭ বছরে টু শব্দ না করার কারণ জিজ্ঞেস করলেও উত্তর দেবে, পাবলিক ফিগার হলে রিস্ক বেশি ছিল ব্লাহ ব্লাহ। অথচ আমাকে আপনাকে চিনবেই সর্বোচ্চ ৫০০ মানুষ, গুম করে দিলে সারা দুনিয়ায় খোঁজ করার মানুষ নেই পরিবারের বাইরে। কিন্তু তাও লাখ লাখ ফ্যান ফলোয়ার থাকা পাবলিক ফিগারের রিস্ক বেশি। আসলে তারা তো কালচারাল এলিট।’
তিনি বলেন, ‘এদের কাজ আসলে এ দেশে দুইটা, যত সম্ভব নোংরামি ক্রিয়েট করে তরুণদের ডিস্ট্রাক্টেড রাখা আর ফ্যাসিবাদ শক্তিশালী করার টুল হিসেবে ব্যবহার হওয়া।’
প্রজন্মনিউজ/২৪
ফ্রান্সে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে নতুন স্লোগান ‘বিসমিল্লাহ’
দুই দলের সমঝোতা হয়েছে, সেই দল হলো বিএনপি-আওয়ামী লীগ
১ নভেম্বর থেকে ফুটপাতে লাইসেন্স ছাড়া চা-পেয়াজু-মুড়ির ব্যবসা নয়
পটিয়ায় চালককে অজ্ঞান করে চিনিসহ কাভার্ডভ্যান ছিনতাই
রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে বিরোধী দলের পেছনে লাগানো ফ্যাসিবাদী প্রবণতা
টঙ্গীতে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৩
৬ বছরে স্কুলে যাওয়ার পথেই মৃত্যু ২,৫১৩ শিশুর
বাবার পাগড়ি-আবা পরে মসজিদে বিয়ে করেছিলেন শহীদ ওসমান হাদি
রাষ্ট্র, সরকার আর সরকারি দলকে এক করে ফেলেছে বর্তমান ক্ষমতাসীনরা