কোচিং ব্যবসা বন্ধে ব্যর্থ সরকার

প্রকাশিত: ২০ অগাস্ট, ২০১৭ ০১:২৮:০৬

কোচিং ব্যবসা বন্ধে ব্যর্থ সরকার

আব্দুল হামিদ: বিগত কয়েকবছরে একাধিকবার দেশের কোচিং ব্যবসা বন্ধের উদ্যোগ নিলেও তা সফল করতে ব্যর্থ সরকার।এ ব্যবসায় নিয়োজিতরা প্রভাবশালী হওয়ায় বার বার উদ্যোগ নিলেও পিছু হটে সরকার।অনুন্ধানে জানা গেছে, প্রতিবছর দেশজুড়ে কমপক্ষে ৩২ হাজার কোটি টাকার কোচিং বাণিজ্য হয়।একসময় শুধু রাজধানীতে এ ব্যবসা চালু হলেও এখন তা ছড়িয়ে পড়ছে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে।

কোচিং বাণিজ্য কার্যত নিষিদ্ধ হলেও এসব প্রতিষ্ঠান জয়েন্ট স্টক কোম্পানি থেকে ব্যবসার জন্য নিবন্ধন গ্রহণ করে কোচিং ব্যবসা চালাচ্ছে।কোচিংয়ের ক্লাস নেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক প্রজন্ম নিউজকে বলেন,আগে ২০/২৫ হাজার টাকা বেতনে চাকুরী করতাম।এখন কোচিংয়ে ক্লাস নেই।চলতি সেশনে এক থেকে দেড় লক্ষ টাকা আয় করবো। কোচিং ছাড়া বাকি সময় অন্য প্রাইভেটে ক্লাস নিই।

এখানে পাবলিক বা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও ক্লাস নিতে আসে।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এসব কোচিংয়ে ক্লাস নেয়াটা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য পার্ট টাইম শিক্ষকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।কোনো কোনো ক্ষেত্রে এসব কোচিং সেন্টারে ছাত্রীদের যৌন হয়রানির একাধিক ঘটনাও ঘটেছে।রাজধানীর ফার্মগেটে অপেক্ষারত এক অভিবাবক বলেন,সরকার পিছন হতে কোচিং ব্যবসাকে উসকে দিচ্ছে আর সামনে এসে নিষেধ করছে।

আর এ ব্যবসার শিকার হচ্ছে ভালো ছাত্র-ছাত্রীরা।কারণ তাদের কোচিংয়ের প্রযোজন না হলেও বাধ্য হয়ে আসতে হচ্ছে।শিক্ষকদের অবহেলার কারণে এই ভুগান্তি ছাত্রছাত্রীদের।শিক্ষা নিয়ে কাজ করা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এডুকেশন কমিউনিকেশনের (ইসি) হিসাবমতে, দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যন্ত প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি শিক্ষার্থী রয়েছে।এরমধ্যে প্রায় চার কোটি ২৪ লাখ ছাত্র ছাত্রী কোনো না কোনোভাবে মূল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাইরে অর্থের বিনিময়ে কোচিং নিচ্ছে।

এ হিসাবে প্রায় ৭৭ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ শিক্ষার্থীই কোচিংয়ের ওপর নির্ভরশীল।ইসির জরিপ বলছে, দেশজুড়ে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় পৌনে দুই লাখ কোচিং সেন্টার রয়েছে।এগুলোতে বছরে ৩০-৩৫ হাজার কোটি টাকা লেনদেন হচ্ছে। অবশ্য এডুকেশন রিসার্চ কাউন্সিল (ইআরসি) নামে অপর একটি প্রতিষ্ঠান বলছে, দেশে বছরে আড়াই হাজার কোটি টাকার কোচিংবাণিজ্য হয় থাকে।

কোচিং সেন্টারের শেষ কোথায়

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, নানান ধরনের কোচিং সেন্টারের ছড়াছড়ি।একাডেমিক কোচিং, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং, মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি কোচিং, ক্যাডেট কলেজ ভর্তি কোচিং, বিসিএস কোচিং, আর্মি-নেভি-বিমানবাহিনীতে চাকরি কোচিং, ব্যাংকে চাকরির কোচিংসহ বহু ধরনের কোচিং সেন্টার রাজধানী জুড়ে আছে।কেবল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য রাজধানীতেই মোট ৩৩টি কোচিং সেন্টারের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।

এগুলোর মধ্যে রয়েছে- ইউসিসি, ইউনিএইড, ইউনাইটেড,ফোকাস, সানরাইজ, গার্ডিয়ান, ডিভাইন, এনইউসিসি (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়), সাইফুর’স, ইপিপি (শুধু ক ইউনিট), ডিইউসিসি, ডিহক স্যার, লীডস, হোপ, আইকন প্লাস, ভয়েজ, মেরিন, আইকন, কোয়ান্টা, দুর্বার, প্যারাগন, অ্যাডমিশন অ্যাইড, প্রাইমেট, প্লাজমা, এইউএপি, সংশপ্তক, এফ্লিক্স, এডমিশন প্লাস, এডমিয়ার, ইউএসি, ইউরেনাস, পিএসি, ইঞ্জিনিয়ার্স।

মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তির জন্য রয়েছে ১৬টি কোচিং সেন্টার- রেটিনা, সানরাইজ, উম্মেষ, উদ্ভাস, পিএসি, কর্ণিয়া, ডিএমসি, মেডিকো, দি রয়াল, গ্রীন অ্যাডমিশন এইড, থ্রি ডক্টরস, ফেইম, প্রাইমেট, প্লাজমা, এভিস ও মেডিকেয়ার। প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য উদ্ভাস, সানরাইজ, পিএসি, ওমেকা, মেরিনথ এ পাঁচটি কোচিং.সেন্টার.রয়েছে।ঢাকায় প্রায় ১৯টি একাডেমিক কোচিং সেন্টারের মধ্যে রয়েছে সানরাইজ, ডিভাইন, উদ্ভাস, উম্মেষ, ম্যাবস, অপরাজিতা, আইডিয়াল একাডেমি, রিয়াল, সেন্ট তেরেসা, অন্বেষা, ফেইম, মবিডিক, ক্রিয়েটিভ, উদ্দীপন, ই. হক, বিইউপি, সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড, দুরন্ত, অভিযাত্রিক।

এছাড়া ইংরেজিসহ বিভিন্ন ভাষা শেখার কোচিং সেন্টারগুলো হলো সাইফুর’স, এফএম মেথড, ইংলিশ ওয়ার্ড, ব্রিজ কাউন্সিল, সুগন্ধা, হোপ, টার্গেট, নজরুল, ওয়ান ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব, হিলস, এজিসিসি, ওরি,মামুস কেয়ার, গ্লোবাল, লীডার, ইংলিশ সেন্টার, এলফিক্স, বিজয়, সিডি মিডিয়া ও লিবার্টি ইংলিশ।বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমশিন(বিসিএস)ও অন্যান্য চাকরির জন্য রয়েছে ১৩টি কোচিং- কনফিডেন্স, বীকন, ওরাকল, ক্যারিয়ার এইড, এইউএপি, সাকসেস, সুগন্ধা, হোপ, প্রাইম একাডেমি, বিসিএস আপগ্রেড, ওয়ান ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব, ইউনিটি, গ্লোবাল প্রফেশনাল একাডেমি ও ডিফেন্স গাইড।মেরিন টেক্সটাইল ও ক্যাডেট কোচিংয়ের জন্য রয়েছে প্রায় ৬টি প্রতিষ্ঠান- ইম্যাক, ভয়েজ, মিরপুর ক্যাডেট কোচিং মেরিন গাইড, অ্যাডমিয়ার ও বর্ণ।আর শিক্ষকদের ব্যক্তিগত বড় ধরনের কোচিং প্রায় ৯টি- মানিক স্যার, আলবার্ট স্যার, ডি হক স্যার, জেমস স্যার, রোকন স্যার, সঞ্জয় স্যার, রণজিত স্যার, তরুণ স্যার ও আলতাফ স্যার মামুস কেয়ার।

ধাপে ধাপে টাকা

উদ্ভাস কোচিং সেন্টারে এ বছর সারাদেশে সব সেন্টার মিলিয়ে প্রায় ২০ হাজার ছাত্র ছাত্রী ভর্তি হয়েছে। যারা বিশেষ ছাড়ে ভর্তি হয়েছে, তাদের ভর্তি ফি ১৫ হাজার এবং বাকিদের কাছ থেকে ১৮ হাজার ৫০০ টাকা মাথাপিছু ফি নেওয়া হয়েছে।রেটিনা কোচিং সেন্টারে এ বছর সারাদেশে সব সেন্টার মিলিয়ে প্রায় ২২-২৫ হাজার ছাত্র ছাত্রী ভর্তি হয়েছে যাদের কাছ থেকে গড়ে ১৪ হাজার টাকা ভর্তি ফি নেওয়া হয়েছে।

উম্মেষ কোচিং সেন্টারে এ বছর সারাদেশে সব সেন্টার মিলিয়ে প্রায় ১২-১৫ হাজার ছাত্র ছাত্রী ভর্তি হয়েছে যাদের কাছ থেকে গড়ে ১৩ হাজার টাকা ভর্তি ফি নেওয়া হয়েছে।ইউসিসি কোচিং সেন্টারে শুধু ঢাকার প্রধান অফিসে  ক, খ, গ ও ঘ’ ইউনিটে এবার অন্তত ১০-১২ হাজার ছাত্র ছাত্রী ভর্তি হয়েছে।ঢাকার ১০টি শাখা বাদেও সারাদেশে এ প্রতিষ্ঠানের আরও ৯৮টি শাখা আছে। ভর্তি ফি প্রতি ইউনিট ১২ হাজার টাকা, আইবিএর বিবিএ ১১ হাজার ৫০০ টাকা, যৌথভাবে যে কোনো দুটি ইউনিট ১৮ হাজার টাকা, বিবিএ ও যে কোনো ইউনিট ১৭ হাজার টাকা এবং বিবিএ, ঘ ,ইউনিট ও অন্য যে কোনো একটি ইউনিট ২২ হাজার টাকা।

বিসিএস ওরাকল কোচিং সেন্টারের দেশজুড়ে মোট ২৩টি শাখা আছে। এদের মধ্যে শুধু ফার্মগেট সেন্টারে বিসিএস’র জন্য কমপক্ষে ২০০ শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে।জন প্রতি গড়ে ১০ হাজার টাকা করে কোচিং ফি নেওয়া হচ্ছে।এখানে শেষ নয় কোচিং শেষে মডেল টেস্টের নামে আবার ভর্তি হতে হয় এইসব কোচিংয়ে।যেখানে থাকে ১৫-২০টা ক্লাস থাকে।আর এর জন্য গুনতে হয় আরো বাড়তি টাকা।আবার অনেক ছাত্র ছাত্রী শুধু মডেল টেস্ট দেবার জন্য আসে। আর এক সেশনে ছাত্র ছাত্রীদের কাছ থেকে ২-৩ ধাপে অর্থ নেওয়া হয়।

কোচিং মালিকদের সহজ কথা

ই.হক কোচিং সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা ইমদাদুল হক বলেন, শিক্ষকরা ক্লাসে পড়ায় না বলেই ছাত্র ছাত্রীরা কোচিং সেন্টারে আসে।আমরা তো শিক্ষার্থীদের বাড়ি থেকে ডেকে আনছি না।কোচিং সেন্টার পরিচালনার জন্য নীতিমালার প্রয়োজন স্বীকার করে তিনি বলেন, আমার কোচিংয়ের জন্য আমি আয়কর দিই।শিক্ষামন্ত্রীর কাছে নীতিমালা চেয়েছি।নীতিমালা হলে ব্যাঙের ছাতার মতো কোচিং সেন্টার গড়ে উঠবে না।

ইউনিএইড এর (মনির, মল্লিক, জহির) পরিচালক জহিরুল কাইয়ুম বলেন, কোচিং করাটা কারও জন্য বাধ্যতামূলক নয়।বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য কিছু অতিরিক্ত যোগ্যতা লাগে।পাবলিক কিংবা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়ে আসার কারণ জানতে চাইলে তারা বলছে শিক্ষাথীদের আকার্ষন করার জন্য এটা করে থাকি। তাই ছাত্র ছাত্রীরা কোচিং সেন্টারে আসে।সবাই সবার যোগ্যতা নিয়েই ভর্তির সুযোগ পায়।

এটাকে কোচিংব্যবসা বলতেও নারাজ তিনি।কিন্তু রেটিনার একজন প্রজন্মকে বলেন এটা আমাদের ব্যবসা সরকারের নির্দেশ মানতে বাধ্য।রাজধানীর উদয়ন স্কুলের অষ্টম শ্রেণীর এক ছাত্রী বলেন, নিজ স্কুলের শিক্ষককের কাছেই গণিত ও ইংরেজি কোচিং করতে হয়।কেন তুমি কোচিংয়ে যাচ্ছ- জানতে চাওয়া হলে সে অকপট উত্তর দেয়, ক্লাসে যা পড়ায়, তাতে হয় না।সেখানে ভালোমতো বোঝানো হয় না।তাই কোচিং তো করতেই হয়।

তার মতো লাখ লাখ শিক্ষার্থীর একই মনোভাব- ক্লাসে বুঝি না।বোঝানো হয় না। দেখা গেল, তার অভিভাবকের মুখেও একই কথা।অভিভাবকেরা বলেছেন, মেয়েটাকে ভালো রেজাল্ট করাতে হলে কোচিং করাতেই হবে,নইলে সে অন্যদের চেয়ে পিছিয়ে পড়বে।ভিকারুননিসার এক অভিভাবক বলেন, সরকারের ইচ্ছা হয়েছে তাই কোচিং নিষিদ্ধ করেছে।সরকার তো নিয়ম করতে পারবে।ছাত্র ছাত্রীরা বলছে ক্লসে তাদের চাহিদা অনুযায়ী পড়ানো হয় না।যদি তাই হতো তাহলে আমাদের ক্লাস শেষে ক্লান্তে শরীরে ছুটতে হতো না কোচিং পানে। গুণতে হত না পরিবারের বাড়তি অর্থ।

নীতিমালার অকার্যকরতা

২০১২ সালের ২০ জুন কোচিংবাণিজ্য বন্ধের নীতিমালার প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।এরপর ওই বছরের ২৫ জুন নীতিমালায় একটি সংশোধনী আনা হয়।এতে সব বিষয়ের জন্য স্কুলভিত্তিক কোচিং ফি সর্বোচ্চ এক হাজার ২০০ টাকা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।নীতিমালায় বলা আছে, সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা নিজ প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ছাত্রীদের কোচিং বা প্রাইভেট পড়াতে পারবেন না।

তবে তারা নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের অনুমতি সাপেক্ষে অন্য প্রতিষ্ঠানের প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১০ জন শিক্ষার্থীকে নিজ বাসায় পড়াতে পারবেন।বাস্তবে এ নীতিমালা কেউই মানছেন না।একজন কর্মকর্তা বলেন, নীতিমালা কার্যকর করার জন্য একটি মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছিল।বাস্তবে সে কমিটিও নিষ্ক্রিয় হয়ে আছে।দেখা গেছে, এ নীতিমালা জারির পর কোচিংব্যবসা শুধু বাড়েনি, বরং বেড়েছে কোচিং ফিও।

আবার নীতিমালা নিয়ে শিক্ষকদের মধ্যে শুরু হয়েছে পরস্পরকে ঘায়েল করার তৎপরতা।এবিষয়ে জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ফাহিমা খাতুন বলেন, কোচিংবাণিজ্য বন্ধে শিক্ষা প্রশাসন অত্যন্ত আন্তরিক।এ লক্ষ্যে কাজ চলছে। তবে একসঙ্গে তো সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে না।এটা একটা চলমান প্রক্রিয়া।

শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, কোচিং ব্যবসা একদিনে এতদূর প্রসার লাভ করেনি।তাই বন্ধও একদিনে করা যাবে না।এ জন্য দরকার ব্যাপক জনমত।তিনি বলেন, হাইকোর্টও নির্দেশ দিয়েছেন, তবুও কোচিং বন্ধ হয়নি।আমরা নীতিমালা করেছি, তা কার্যকর করার চেষ্টা করছি।তবে সাধারণ মানুষের সচেতনতা ছাড়া এ কাজে সফল হওয়া সম্ভব নয়।ক্লাসরুমে কিছু শিক্ষক পরিপূর্ণ পাঠদান করেন না, অথবা পারেন না।

শিক্ষার্থী-অভিভাবক সবাই চান, ক্লাসরুমের ঘাটতিটুকু পুষিয়ে নিতে।এ থেকেই কোচিংয়ের সৃষ্টি।কিছু মানুষ এটাকে অর্থবিত্ত গড়ার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। দেশবাসী এটার নেতিবাচক দিক উপলব্ধি করে রুখে দাঁড়ালে কোচিং ব্যবসা আর থাকবে না।

প্রজন্মনিউজ২৪ডট কম

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন



আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ












A PHP Error was encountered

Severity: Core Warning

Message: PHP Startup: Unable to load dynamic library '/opt/cpanel/ea-php56/root/usr/lib64/php/modules/redis.so' - /opt/cpanel/ea-php56/root/usr/lib64/php/modules/redis.so: cannot open shared object file: No such file or directory

Filename: Unknown

Line Number: 0

Backtrace: