প্রকাশিত: ০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ০১:০২:৪৭
রাবি প্রতিনিধি: দীর্ঘ ছয় বছরের স্থবিরতা কাটিয়ে অবশেষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। সদ্য সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীবের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪টি বিভাগে মোট ১৫৪ জন নতুন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিনের শিক্ষক সংকট নিরসনে এ উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে নিয়োগ প্রক্রিয়াকে ঘিরে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগও উঠেছে, যা নিয়ে ক্যাম্পাসে আলোচনা-সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের অনুসারীদের প্রাধান্য দিয়ে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগ চলাকালীন এ দাবিতে বিক্ষোভ, সংবাদ সম্মেলন ও অনশন কর্মসূচিও পালন করা হয়। তবে এসব অভিযোগ সরাসরি নাকচ করেছেন সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় সভাপতিরা। তাদের দাবি, নিয়োগ প্রক্রিয়া ছিল সম্পূর্ণ স্বচ্ছ এবং মেধাভিত্তিক।
এর আগে, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহানের সময় শিক্ষক নিয়োগে নীতিমালা শিথিল ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ ওঠে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সব ধরনের নিয়োগের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে।
পরবর্তীতে নতুন প্রশাসনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সেই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয় এবং সংশোধিত নীতিমালার আলোকে পুনরায় নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হয়।
উল্লেখযোগ্যভাবে, এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রথমবারের মতো লিখিত পরীক্ষা চালু করা হয়, যা স্বচ্ছতা বৃদ্ধির একটি নতুন পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ভাইভা বোর্ডের মধ্য দিয়ে শুরু হয় শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম। পর্যায়ক্রমে ৩৪টি বিভাগে মোট ১৫৪ জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়।
নতুন শিক্ষক নিয়োগে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘদিন শিক্ষক স্বল্পতার কারণে ক্লাস ও গবেষণায় যে ব্যাঘাত ঘটছিল, তা দূর হবে বলে তারা আশা করছেন। শিক্ষার্থীদের মতে, নতুন শিক্ষকদের আধুনিক পাঠদান পদ্ধতি তাদের একাডেমিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
এ বিষয়ে অর্থনীতি বিভাগের সভাপতি ড. এ এন কে নোমান বলেন, অত্যন্ত উচ্চ মানের ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে। এখানে অস্বচ্ছতার কোনো সুযোগ নেই।
ক্রপ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক এম আল বাকী বরকতুল্লাহ বলেন, আমাদের বিভাগে যারা নিয়োগ পেয়েছে তারা সবাই মেধাতালিকায় শীর্ষস্থান অর্জনকারী। লিখিত পরীক্ষা ও ভাইভার মাধ্যমে যোগ্যদেরই নির্বাচন করা হয়েছে।
সার্বিক বিষয়ে সদ্য সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ হাসান নকীব বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক বিভাগে শিক্ষক সংকট প্রকট ছিল। সেই সংকট কাটাতেই নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করে প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক কোনো প্রভাব ছাড়াই যোগ্যদেরই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
আ. লীগ ও ‘গুপ্ত’ দল যৌথভাবে চক্রান্ত করছে : রিজভী
ভারত তার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে সুরক্ষা দিতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে: নাহিদ ইসলাম
ফ্রান্সে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে নতুন স্লোগান ‘বিসমিল্লাহ’
বাবার পাগড়ি-আবা পরে মসজিদে বিয়ে করেছিলেন শহীদ ওসমান হাদি
রাষ্ট্র, সরকার আর সরকারি দলকে এক করে ফেলেছে বর্তমান ক্ষমতাসীনরা
আ.লীগ ১৬ বছরে নজিরবিহীন লুটপাট করেছে: স্পিকার হাফিজ
আসামে ১১০০ মুসলিম পরিবার উচ্ছেদ, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ১০ মসজিদ
নাটোরে সড়ক দূর্ঘ’টনায় নি'হত ১৪: তদন্তে কমিটি, ফিটনেস ছিল না বাসটির
বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ