প্রকাশিত: ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৫:৫৫:১৪ || পরিবর্তিত: ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৫:৫৫:১৪
প্রজম্ম ডেস্ক:
বাংলাদেশের বিজয় দিবসকে ভারতের বিজয় বলে মন্তব্য করায় ভারতীতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মধুর ক্যান্টিনের সামনে কুশপুত্তলিকা দাহ করে প্রতিবাদ জানায় আধিপত্যবাদ বিরোধী শিক্ষার্থীবৃন্দ।
তারা বলেন, ৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে ভারতীয় আধিপত্যবাদ শেষ হয়ে গেছে। খুনি হাসিনার অধিপত্যবাদের সাথে সাথে ভারতীয় আধিপত্যবাদের কবর দিয়েছি। আমরা খুনি, কসাই , আধিপত্যবাদী মোদির কুশপুত্তলিকা দাহ করেছি । সে বাংলাদেশের বিজয়কে নিজেদের বিজয় বলে দাবি করেছে।
এর আগে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে একটি পোস্ট করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে এ পোস্টে কোথাও বাংলাদেশের নাম উল্লেখ করেননি তিনি।
মঙ্গলবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরকে ভারতের বিজয় দিবস হিসেবে উল্লেখ করলেও পোস্টে বাংলাদেশের নাম একবারও উল্লেখ করেননি।
পোস্টে মোদি লেখেন, বিজয় দিবসে আমরা সেই বীর সৈনিকদের স্মরণ করি, যাদের সাহস ও আত্মত্যাগের ফলেই ১৯৭১ সালে ভারত এক ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করেছিল। তাদের অটল সংকল্প ও নিঃস্বার্থ সেবা আমাদের দেশকে সুরক্ষিত করেছে এবং ইতিহাসে গর্বের এক স্বর্ণালি অধ্যায় রচনা করেছে।
তিনি লেখেন, এ দিনটি তাদের বীরত্বের প্রতি আমাদের সশ্রদ্ধ অভিবাদন এবং তাদের অতুলনীয় মনোবলের স্মারক। তাদের বীরত্ব আজও প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে দেশবাসীকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।
‘ইরানে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরাইল হামলায় জাতিসংঘ সনদ লংঘন
পাক-আফগান সংঘাত বন্ধে যেকোন ধরনের সহযোগীতা করতে প্রস্তুত ইরান
বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন অর্থনৈতিক সংস্কার: তারেক রহমান।
আমাদের বেসিক প্রয়োজন গুলো নিশ্চিত করে দেন: জ্যোতি
ডিজিএফআইয়ের অফিসে আলাদা কক্ষে কার্যক্রম চালাত ‘র’
১৮ ঊর্ধ্ব সবাইকে বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে: নাহিদ ইসলাম
রাষ্ট্র পরিচালনায় লুটেরা শ্রেণি ভয়ংকর: ফরিদা আখতার
গণমাধ্যমের কাছে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রত্যাশা করে সরকার : প্রেসসচিব
‘রাজনৈতিক স্বার্থে রাজাকার জঙ্গি আখ্যা জনগণ গ্রহণ করছে না’
ক্ষমতার জন্য একটি মহল পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাসীদের লালন-পালন করছে