প্রকাশিত: ০৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০১:৪১:৫৭
তফশিল ঘোষণায় ভাষণের সবকিছু চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার সন্ধ্যায় কিংবা ১১ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করা হতে পারে।
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) ইসি রহমানেল মাসউদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, আগামীকাল বুধবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সন্ধ্যায় কিংবা ১১ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করবে কমিশন।
তফশিল ঘোষণায় রাজনৈতিক দলসহ সকলের সহযোগিতার বিষয়ে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
তফশিলের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘বিটিভি ও বেতারকে চিঠি দিচ্ছে ইসি সচিবালয়। ভাষণের মাধ্যমে তফশিল হবে। ১০ ডিসেম্বর হতে পারে। আর তো সময় নেই। ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে তফশিল দিতে হবে।’
জানা গেছে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন তফশিল ঘোষণা করবেন। তফশিলে আগামী বছর ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ভোটগ্রহণের দিন ধার্য করা হতে পারে বলে জানা গেছে। তফশিল ঘোষণার প্রস্তুতি হিসেবে এরই মধ্যে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বেতারকে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভাষণ রেকর্ড করতে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
এএমএম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বধীন নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম ভোটের অভিজ্ঞতা নিতে যাচ্ছে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে। প্রথম ধাপেই জাতীয় নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন দিয়ে কঠিন পরীক্ষার মধ্যে পড়তে যাচ্ছে এ কমিশন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক হবে। সেখান থেকে ফিরে বিকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের তফশিল-সংক্রান্ত ভাষণ রেকর্ড করা হবে। রেকর্ড শেষে এদিন সন্ধ্যার দিকে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে পারেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। তবে কোনো কারণে বুধবার তফশিল ঘোষণা না হলে বৃহস্পতিবার ঘোষণা করা হবে।
জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
ছাত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্বামী গ্রেপ্তার, শাস্তির দাবি
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহালের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ
শেরপুর-৩ আসনের উপ-নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ
নেতানিয়াহুকে ‘খুঁজে বের করে হত্যার’ অঙ্গীকার ইরানের বিপ্লবী গার্ডের
বাংলাদেশপন্থা ও সামাজিক গণতন্ত্রের নতুন দল জেডিপির আত্মপ্রকাশ
সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না ডাকলে রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি
যুদ্ধবিরতির চেয়ে দীর্ঘ যুদ্ধকেই কি সুবিধাজনক মনে করছে ইরান?