প্রকাশিত: ১৯ মে, ২০২৬ ০৭:৩৭:০৩ || পরিবর্তিত: ১৯ মে, ২০২৬ ০৭:৩৭:০৩
প্রজন্ম ডেস্ক: বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মুখোমুখি অবস্থানের কারণে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। পটুয়াখালীর বাউফলে জনগুরুত্বপূর্ণ একটি সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই করতে গিয়ে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের কাছে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার বগা ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।
দুইপক্ষের মুখোমুখি অবস্থানের কারণে প্রায় ১ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর পুলিশের সহায়তায় ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন মন্ত্রী।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সম্প্রতি বাউফলের প্রবেশদ্বার বগা এলাকায় লোহালিয়া নদীর উপর নবম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ এই সেতু নির্মাণ হলে ভোলা, লক্ষ্মীপুর ও পটুয়াখালীর সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হবে।
সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুর সোয়া ১টার দিকে সেতুমন্ত্রী বগা ফেরিঘাটে পৌঁছান। সেখান থেকে নদীর পূর্বপাড়ে আয়োজিত এক সভায় যোগ দিতে ফেরিতে ওঠেন। সভার আয়োজন করেছিলেন পটুয়াখালী-২ বাউফল আসনের জামায়াত সমর্থিত সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
তবে সভাস্থলে মন্ত্রীর যাওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির নেতাকর্মীরা বাধা দেন। মন্ত্রী পূর্বপাড়ে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে বিভিন্ন দিক থেকে ঘিরে ফেলে সেতুমন্ত্রীর গাড়িবহর অবরুদ্ধ করা হয়। এ সময় উভয়পক্ষের নেতাকর্মীরা পালটাপালটি স্লোগান দিতে থাকেন। প্রায় এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর বিরক্ত হয়ে পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে সেতুমন্ত্রী একই ফেরিতে পশ্চিমপাড়ে ফিরে যান। পরে তিনি গাড়িবহর নিয়ে পটুয়াখালীর উদ্দেশে রওনা দেন।
স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, জামায়াত আয়োজিত সভায় মন্ত্রীকে অংশ নিতে না দিতেই পরিকল্পিতভাবে বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন।
বাউফল বিএনপির অধিকাংশ নেতাকর্মী মনে করেন, বগা সেতু নির্মাণ হলে এর ক্রেডিট পাবেন জামায়াত নেতা শফিকুল ইসলাম মাসুদ। তাই যেকোনো মূল্যে এই সেতু নির্মাণ হতে দেওয়া হবে না। এ কারণেই মন্ত্রীকে সভামঞ্চে উঠতে দেওয়া হয়নি। আর মন্ত্রী চলে যাওয়ার পর অধিকাংশ সাধারণ মানুষ মনে করছেন, সহসাই হচ্ছে না বগা সেতু। বিএনপি-জামায়াতের রেষারেষিতে সেতু নির্মাণের স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যাবে।
তবে বিষয়টি অস্বীকার করে পটুয়াখালী মহিলা দলের সদস্য নাজমুন্নাহার নাজু বলেন, সেতু নির্মাণ হলে সুবিধা জনগণের। আর জনগণের কল্যাণের জন্য অতি দ্রুততম সময়ের মধ্যে সেতুটি নির্মাণ করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এখানে জামায়াতের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। এদিকে অবরুদ্ধ থাকার বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতারাও গণমাধ্যমে কথা বলতে রাজি হননি।
তবে বাউফল উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আপেল মাহমুদ ফিরোজ সাংবাদিকদের বলেন, সভাস্থলের ব্যানারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি না থাকায় ক্ষুব্ধ হন নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। তাই সভামঞ্চে না যাওয়ার জন্য সেতুমন্ত্রীকে অবরুদ্ধ করেন তারা।
বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের কাছে সেতুমন্ত্রী অবরুদ্ধ
রাবিতে ছাত্রদলের ক্যাম্পাসজুড়ে লিফলেট বিতরণ
আরেকটি গণ-অভ্যুত্থান হলে নির্বাচন কমিশনের বিচার করা হবে
চট্টগ্রামে জুলাই গ্রাফিতি আঁকতে আসা কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি
চাঁদাবাজি নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি, প্রাণনাশের শঙ্কা এমপি মিলনের
মোটরসাইকেলের কর প্রত্যাহারের দাবিতে এনবিআরের সামনে মানববন্ধন
গণভোটের রায়কে অগ্রাহ্য করা মানে দেশের জনগণকে অপমান করা
রাজশাহীতে ১১ দলীয় জোটের সমাবেশে নেতাকর্মীদের ঢল
বাজেটে ফ্যামিলি কার্ডের জন্য অনেক বেশি বরাদ্দ রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী