এবার কাশ্মীরের স্বাদ নিতে দার্জিলিং যাচ্ছেন দর্শনার্থীরা

প্রকাশিত: ১৫ মে, ২০২৪ ১২:৫৮:৩১

এবার কাশ্মীরের স্বাদ নিতে দার্জিলিং যাচ্ছেন দর্শনার্থীরা

অনলাইন ডেস্ক: একটুকরা কাশ্মীরের স্বাদ উপভোগ করতে পর্যটকরা এখন পাড়ি জমাচ্ছে ভারতের শৈলশহর দার্জিলিংয়ের মিরিকে। পর্যটকদের কাছে বহুল পরিচিত মিরিক লেক। ঘোড়সওয়ারি থেকে লেকে বোট চালাতে চালাতে ছুটি উপভোগ পর্যটকদের কাছে সব সময়েই আকর্ষণের। এবার মিরিকে নতুন সংযোজন কাঠের নৌকা শিকারা।

আপাতত দুটি শিকারা দিয়ে শুরু হলেও চাহিদা যেভাবে বাড়ছে, তাতে আগামী দিনেও আরো শিকারার জোগান দেবে পর্যটন দপ্তর। ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এমনটাই জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এখন দার্জিলিংয়ে ঘুরতে গেলে পর্যটকরা একটুকরা কাশ্মীরের স্বাদও উপভোগ করতে পারবেন মিরিকে।

কাশ্মীরের ডাল লেকের মতো মিরিকেও চলছে শিকারা। গোর্খাল্যান্ড টেরিটরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (জিটিএ) পর্যটন বিভাগ ইতিমধ্যে আপ্লুত। কারণ শিকারার চাহিদা বেড়ে গেছে। মিরিকে দুটি শিকারা দিনভর বুকিং হচ্ছে।

প্যাডেল বোটিং থাকলেও সবার শিকারার প্রতি আগ্রহের ফলে কিছুদিনের মধ্যে আরো শিকারার সংখ্যা বাড়ানোর কথা ভাবছে জিটিএ।
মিরিকে শিকারায় চড়ার জন্য লম্বা লাইন পড়ছে। বুকিং না পেয়ে নিরাশ হয়ে ফিরছেন অনেকে। মুম্বাই থেকে আসা রোহিত আইয়ার নামে এক পর্যটক জানান, মিরিকে এসেছিলেন শিকারায় চড়বেন বলে। কিন্তু ভিড়ের জন্য ওঠা হলো না।

তিনি বলেন, ‘শিকারা চড়ব বলে আশা করে এসেছিলাম। কিন্তু পারলাম না। কারণ দুটিই মাত্র বুকিং ছিল।’
আবার দার্জিলিংয়ে শিকারায় চড়তে পেরে কৃষ্ণনগরের বাসন্দা অমল তালুকদার দারুণ উচ্ছ্বসিত। তিনি বলেন, ‘খুব ভালো লাগল। কাশ্মীরে যেতে পারব কি না তো জানি না। তাই এখানেই চড়ে নিলাম।’

গণমাধ্যমটির তথ্য অনুসারে, জনপ্রতি ঘণ্টায় ২০০ রুপি করে নেওয়া হচ্ছে শিকারা চড়ার জন্য। তাতেও ব্যাপক চাহিদা। এ নিয়ে জিটিএর পর্যটন বিভাগের কর্মকর্তা দাওয়া গ্যালপো শেরপা বলেন, ‘চাহিদা তো রয়েছেই। পর্যটকরা এসে ঘুরে চলে যাচ্ছেন, চড়তে না পেরে। এটাই খারাপ লাগছে। তবে আরো শিকারার সংখ্যা বাড়ানোর চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘মানুষের কাছে আরো আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে মিরিক। পাহাড়ের কোলে হ্রদে শিকারায় ঘুরে বেড়ানো পর্যটকদের কাছে একটুকরা কাশ্মীরের মতো।’


প্রজন্মনিউজ২৪/এএন

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন



আরো সংবাদ