কেমন ভাবে নামায পড়লে তাড়াতাড়ি কবুল হয়

প্রকাশিত: ১৯ জুলাই, ২০২২ ০৪:৫৫:৫৩

কেমন ভাবে নামায পড়লে তাড়াতাড়ি কবুল হয়

নামায প্রতিটা মুসলিমের ওপর আল্লাহ তাআলা পাঁচ ওয়াক্ত ফরয করছেন এবং নামাযকে যথাসময়ে আদায় করাটাও আবশ্যক করেছেন। যদি কেউ মসলমান দাবি করে তাহলে তাকে নামায পড়তেই হবে। ঈমানের পর নামায হলো ইসলামের প্রধান ইবাদত। যদি কোনো ব্যক্তি নামায ইচ্ছাকৃতভাবে ছেড়ে দেয় তাহলে সে ব্যক্তি কাফের বলে গন্য হবে ।

নামায কবুল হওয়ার জন্য আল্লাহ তাআল্লা যে সব নিয়ম কানুন কোরআনে বর্ণনা করেছেন। নামায কবুল হওয়ার বিষয়ে রাসুল সা: ও অনেক হাদীস বর্ণনা করেছেন।
 
আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন , ৩ শ্রেণির ব্যক্তির নামায কখনোই কবুর হয়না। পালাতক ক্রীতদাস, যতক্ষণ না সে ফিরে আসে। এমন স্ত্রী, যার স্বামী তার উপর রাগ অবস্থায় রাত অতিবাহিত করে। ওই ইমাম, যাকে লোক অপছন্দ করে ( তিরমিজি শরীফ)  

নামায কবুল হওয়ার শর্ত হলো, সঠিক নিয়মে পবিত্রতা অর্জন করা। নামাযের মধ্যে তেলওয়াত সহী ও মন দিয়ে তেলওয়াত করা। এবং রুকু সেজদাহ ভালো ভাবে আদায় করা। এমন ভাবে নামাযে দাড়াতে হবে যাতে মনে হয় আল্লাহ তাআল্লা সামনে আমরা দাড়িয়ে আছি। এবং হালাল পথে আয় রোজগার করা।

এবং সর্বোপরি যারা নিজেদের নামায হেফাজত করে, পরকালে এরাই আল্লাহর জান্নাতে মর্যাদা সহকারে প্রবেশ করবে। (সুরা আল মারিজ ৩৪-৩৫)
 আল্লাহ এদের ব্যাপারে আরও বলেন-
أولائك هم الوارثون الذين يرثون الفردوس هم فيها خالدون

এ লোকগুলোই হচ্ছে মুলত জমিনে আমার যথার্থ উত্তরাধিকারী, জান্নাতুল ফিরদাউসের উত্তরাধিকারও এরা পাবে, এরা সেখানে চিরকাল থাকবে। (সুরা আল মুমিনুন ১০-১১)

কাজেই আমরা আল্লাহর কাছে শয়তানের হাত থেকে আশ্রয় চাইব, অর্থ বুঝে নামায পড়ব।


প্রজন্মনিউজ২৪/মনিরুল

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন



আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ