চাকরির ক্ষেত্র তৈরি করবেন যুবকরা:আইসিটি প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত: ২৯ মে, ২০২২ ০৪:২৪:১৬

চাকরির ক্ষেত্র তৈরি করবেন যুবকরা:আইসিটি প্রতিমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ বলেছেন, শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এক অনন্য উপহার।আজ রোববার দুপুরে মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার পঞ্চরাস্তা মোড় এলাকায় শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।উপজেলা সদরে দুর্গা নারায়ণ (ডিএন) পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ প্রতিষ্ঠান থেকে তরুণ-তরুণীরা প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারবেন। তাঁরা প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসেই ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে কাজ করে ডলার আয় করবেন। নিজেরা উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবেন। ডিজিটাল বাংলাদেশের তরুণেরা এখন চাকরি খুঁজবেন না, তাঁরা চাকরির ক্ষেত্র তৈরি করবেন।

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২৫ সালের মধ্যে প্রযুক্তি খাতে ৩০ লাখ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। এ সময়ের মধ্যেই এ খাত থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার আয় হবে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়, পুলিশ স্টেশন, কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোকে অপটিক্যাল ফাইবারের আওতায় আনা হচ্ছে। সারা দেশে ১ লাখ ৭০ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে অপটিক্যাল ফাইবারের আওতায় আনা হবে। ২০২৫ সালের মধ্যে শতভাগ মানুষকে ইন্টারনেটের আওতায় আনা হবে।

জুনাইদ আহমেদ আরো বলেন, তারুণ্যের মেধা ও প্রযুক্তিশক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেশের তরুণেরা চাকরি করবেন না, তাঁরা চাকরির ক্ষেত্র তৈরি করবেন। দেশের তরুণদের উদ্যোক্তা ও আত্মনির্ভরশীল করতে ব্রেন চাইল্ড শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার, স্কুল অব ফিউচার, ডিজিটাল এডুটেইনমেন্ট সেন্টারসহ দেশে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে দেশের মেধাবী তরুণেরা চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের রোবোটিকস প্রযুক্তি, আইওটি, সাইবার সিকিউরিটি টুলস তৈরি করে বিদেশে রপ্তানি করবেন। সরকার সেই সুযোগ তৈরি করতে নিরলস কাজ করছে।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য নাঈমুর রহমান দুর্জয়ের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ডিজেল প্ল্যান্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. রফিকুল ইসলাম, শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন প্রকল্পের পরিচালক এ কে এম আবদুল্লাহ খান, জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আবদুল লতিফ, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান, লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং প্রকল্পের পরিচালক হুমায়ুন কবীর, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মহীউদ্দিন, ঘিওর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল আলীম প্রমুখ।

ঘিওর উপজেলার পঞ্চরাস্তা মোড় এলাকায় ২ একর জমির ওপর ৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার নির্মাণ করা হচ্ছে। এসএসসি ও এইচএসসি পাস করা তরুণ-তরুণীরা এ প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন।


 প্রজন্মনিউজ২৪/এমআরআই

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন



আরো সংবাদ