নদী শাসনসহ একনেকে ১০ প্রকল্পের অনুমোদন

প্রকাশিত: ০৭ ডিসেম্বর, ২০২১ ০৫:৪৩:৪৬

নদী শাসনসহ একনেকে ১০ প্রকল্পের অনুমোদন

স্টাফ রিপোর্ট: নদী শাসনসহ একনেকে ৭ হাজার ৪৪৭ কোটি ৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ১০ টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে ৫ টি নতুন প্রকল্প আর ৫ টি সংশোধিত প্রকল্প রয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) আগারগাঁও এ এন এ সি অডিটোরিয়াম এ আয়োজিত একনেক পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। একনেক চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেন। 

অনুমোদিত ১০ টি প্রকল্পের মোট ব্যয় ৭ হাজার ৪৪৭ কোটি ৭ লাখ টাকা। যার মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৩ হাজার ৬৮২ কোটি ২৮ লাখ টাকা । সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ১৫৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা আর বৈদেশিক ঋণ ৩ হাজার ৬১০ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। 

অনুমোদিত প্রকল্পসহ:
নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনে মংলা বন্দর থেকে চাঁদপুর মাওয়া গোয়ালন্দ হয়ে পাকশী পর্যন্ত নৌ রুটের নাব্যতা উন্নয়ন প্রকল্প। যার মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ২৯০ কোটি টাকা। যা বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন অধিদপ্তর (BIWTA)। প্রকল্পটির মেয়াদকাল জুলাই ২০১৭ থেকে জুন ২০২৫ পর্যন্ত। এটি একটি সংশোধিত প্রকল্প।

স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের সমন্বিত অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প। যার ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৫৩৮ কোটি ১০ লক্ষ টাকা। যেটি বাস্তবায়ন করবে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের 
বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) আওতায় চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে ক্রীড়া স্কুল প্রতিষ্ঠা প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩১ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।

এছাড়াও ৪৫৬ কোটি ৯ লাখ টাকা ব্যয়ে সিলেট, বরিশাল, রংপুর, রাজশাহী এবং ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট স্থাপন প্রকল্প। প্রতি জেলা ও উপজেলায় একটি করে ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৭১৩ কোটি টাকা।

জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের আইসিটি অবকাঠামো মানবসম্পদ ও প্রযুক্তি দক্ষতা উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। ডিজিটাল গভর্নমেন্ট ও অর্থনীতি সমৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৫৪১ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। সেচ অবকাঠামো পুনর্বাসন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩২২ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। ক্লাইমেট স্মার্ট এগ্রিকালচার অ্যান্ড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ১৮২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। বৃহত্তর নোয়াখালী জেলার পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩১৩ কোটি টাকা।

এক প্রশ্নের উত্তরে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, নানা কারণে প্রকল্প সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়। কতিপয় খাত যেমন—অফিসারদের বেতন, বিদ্যুৎ, ফ্যাক্স, ইন্টারনেট, নিবন্ধন ফি, পেট্রল, লুব্রিক্যান্ট, গ্যাস ও জ্বালানি, অন্যান্য মনোহারি, মোটরযান মেরামত ও সংরক্ষণ, অফিস সরঞ্জাম, ভবন নির্মাণে ব্যয় বাড়ছে।

এছাড়া, আপ্যায়ন ব্যয়, চুক্তিভিত্তিক যানবাহন ব্যবহার, ব্যাংক চার্জ, সাকুল্য বেতন, কুরিয়ার, যাতায়াত ব্যয়, আউটসোর্সিং, শ্রমিক মজুরি, নিয়োগ পরীক্ষা, মুদ্রণ ও বাঁধাই, অন্যান্য মনোহারি (গণপূর্ত), ডিজাইন ও ড্রইং (গণপূর্ত), আসবাবপত্র মেরামত ও সংরক্ষণ, কম্পিউটার মেরামত ও সংরক্ষণ কাজ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অফিস সরঞ্জামাদি মেরামত ও সংরক্ষণ, অন্যান্য যন্ত্রপাতি মেরামত ও সংরক্ষণ, অভ্যন্তরীণ শোভাবর্ধন কাজ অন্তর্ভুক্ত করায় মূলত ব্যয় ও সময় বাড়ছে।

পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান; কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক; স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম; তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ; শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন; স্বাস্থ্য মন্ত্রী জাহিদ মালেক; বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি; মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম; বন ও পরিবেশ মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীগণ সভার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন।

সভায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, এসডিজি'র মুখ্য সমন্বয়ক; পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যবৃন্দ, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সমূহের সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

প্রজন্মনিউজ২৪/মুজাহিদ

নদী শাসনসহ একনেকে ১০ প্রকল্পের অনুমোদন

স্টাফ রিপোর্ট: নদী শাসনসহ একনেকে ৭ হাজার ৪৪৭ কোটি ৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ১০ টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে ৫ টি নতুন প্রকল্প আর ৫ টি সংশোধিত প্রকল্প রয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) আগারগাঁও এ এন এ সি অডিটোরিয়াম এ আয়োজিত একনেক পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। একনেক চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেন। 

অনুমোদিত ১০ টি প্রকল্পের মোট ব্যয় ৭ হাজার ৪৪৭ কোটি ৭ লাখ টাকা। যার মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৩ হাজার ৬৮২ কোটি ২৮ লাখ টাকা । সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ১৫৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা আর বৈদেশিক ঋণ ৩ হাজার ৬১০ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। 

অনুমোদিত প্রকল্পসহ:
নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনে মংলা বন্দর থেকে চাঁদপুর মাওয়া গোয়ালন্দ হয়ে পাকশী পর্যন্ত নৌ রুটের নাব্যতা উন্নয়ন প্রকল্প। যার মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ২৯০ কোটি টাকা। যা বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন অধিদপ্তর (BIWTA)। প্রকল্পটির মেয়াদকাল জুলাই ২০১৭ থেকে জুন ২০২৫ পর্যন্ত। এটি একটি সংশোধিত প্রকল্প।

স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের সমন্বিত অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প। যার ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৫৩৮ কোটি ১০ লক্ষ টাকা। যেটি বাস্তবায়ন করবে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের 
বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) আওতায় চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে ক্রীড়া স্কুল প্রতিষ্ঠা প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩১ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।

এছাড়াও ৪৫৬ কোটি ৯ লাখ টাকা ব্যয়ে সিলেট, বরিশাল, রংপুর, রাজশাহী এবং ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট স্থাপন প্রকল্প। প্রতি জেলা ও উপজেলায় একটি করে ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৭১৩ কোটি টাকা।

জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের আইসিটি অবকাঠামো মানবসম্পদ ও প্রযুক্তি দক্ষতা উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। ডিজিটাল গভর্নমেন্ট ও অর্থনীতি সমৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৫৪১ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। সেচ অবকাঠামো পুনর্বাসন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩২২ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। ক্লাইমেট স্মার্ট এগ্রিকালচার অ্যান্ড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ১৮২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। বৃহত্তর নোয়াখালী জেলার পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩১৩ কোটি টাকা।

এক প্রশ্নের উত্তরে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, নানা কারণে প্রকল্প সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়। কতিপয় খাত যেমন—অফিসারদের বেতন, বিদ্যুৎ, ফ্যাক্স, ইন্টারনেট, নিবন্ধন ফি, পেট্রল, লুব্রিক্যান্ট, গ্যাস ও জ্বালানি, অন্যান্য মনোহারি, মোটরযান মেরামত ও সংরক্ষণ, অফিস সরঞ্জাম, ভবন নির্মাণে ব্যয় বাড়ছে।

এছাড়া, আপ্যায়ন ব্যয়, চুক্তিভিত্তিক যানবাহন ব্যবহার, ব্যাংক চার্জ, সাকুল্য বেতন, কুরিয়ার, যাতায়াত ব্যয়, আউটসোর্সিং, শ্রমিক মজুরি, নিয়োগ পরীক্ষা, মুদ্রণ ও বাঁধাই, অন্যান্য মনোহারি (গণপূর্ত), ডিজাইন ও ড্রইং (গণপূর্ত), আসবাবপত্র মেরামত ও সংরক্ষণ, কম্পিউটার মেরামত ও সংরক্ষণ কাজ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অফিস সরঞ্জামাদি মেরামত ও সংরক্ষণ, অন্যান্য যন্ত্রপাতি মেরামত ও সংরক্ষণ, অভ্যন্তরীণ শোভাবর্ধন কাজ অন্তর্ভুক্ত করায় মূলত ব্যয় ও সময় বাড়ছে।

পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান; কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক; স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম; তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ; শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন; স্বাস্থ্য মন্ত্রী জাহিদ মালেক; বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি; মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম; বন ও পরিবেশ মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীগণ সভার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন।

সভায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, এসডিজি'র মুখ্য সমন্বয়ক; পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যবৃন্দ, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সমূহের সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

প্রজন্মনিউজ২৪/মুজাহিদ

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন



আরো সংবাদ