ওয়ার্ল্ডফিশ এর উদ্যোগে কুয়াকাটায় মাছের পুষ্টিগুণ নিয়ে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান

প্রকাশিত: ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১০:৪৯:৪৪

ওয়ার্ল্ডফিশ এর উদ্যোগে কুয়াকাটায় মাছের পুষ্টিগুণ নিয়ে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান

পবিপ্রবি প্রতিনিধি: ফিড দ্য ফিউচার বাংলাদেশ অ্যাকোয়াকালচার অ্যাকটিভিটি-এর সহযোগিতায় ইউএসএআইডি বাংলাদেশ-এর অর্থায়নে ওয়ার্ল্ডফিশ-এর উদ্যোগে মাছের পুষ্টি বিষয়ক সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

১৫ সেপ্টেম্বর, বুধবার, বিকাল সাড়ে ৩ টায় "হোটেল কুয়াকাটা গ্রান্ড সাফা ইন" এ রাঁধি ও খাই, পুষ্টি ভুলি নাই এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মাছের পুষ্টি বিষয়ক সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুয়াকাটা পৌরসভার মেয়র মোঃ আনোয়ার হাওলাদার,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের ওসি মোঃ মিজানুর রহমান। এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কুয়াকাটা পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মনির আহম্মেদ ভূইয়া, কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি নাসির উদ্দীন বিপ্লব, ট্যুর অপারেটরস এসোসিয়েশন অফ কুয়াকাটা (টোয়াক)-এর প্রেসিডেন্ট রুমান ইমতিয়াজ তুষারসহ স্থানীয় মাছচাষী, জেলে এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। 

উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফিড দ্য ফিউচার বাংলাদেশ অ্যাকোয়াকালচার অ্যাকিটিভিটি-এর সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার মোঃ এমদাদ হোসেন এবং সঞ্চালনা করেন নিউট্রিশন অ্যাম্বাসেডর ওয়ার্ল্ডফিশ বরিশাল বিভাগের মফিদুল ইসলাম নোমান ও ফারিয়া জামান শৈতী। 

এমদাদ হোসেন বলেন, দেশীয় ছোট মাছ উন্নত প্রানিজ আমিষ ও মানবদেহের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টির সরবরাহকারী। এ মাছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন ও জিংক থাকে। ছোট মাছে মানবদেহের জন্য উপকারী ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড আছে, যা দেহের কোলেস্টেরল-এর মাত্রা কমায় ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। ছোট মাছ অন্ধত্ব, রাতকানা, রক্তস্বল্পতা, গলগন্ড ইত্যাদি রোগ প্রতিরোধকারী। আবার আমাদের দেশে ব্যয়ের দিক থেকে তুলনামূলক মাংসের চেয়ে মাছই হলো সহজলভ্য এবং নিরাপদ পুষ্টির আধার।  তাই পরিবারে মাছ খাওয়ার চর্চা বৃদ্ধি করতে হবে এবং প্রতিবেশী ও আত্মীয় স্বজনদেরকেও মাছ খেতে উদ্বুদ্ধ  করতে হবে।
 
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বাংলাদেশ অ্যাকোয়াকালচার অ্যাকিটিভিটি-এর পুষ্টি বিশেষজ্ঞ মোঃ আবু হাসান আলী বলেন, সুস্থ-সবল জাতি বিনির্মাণে পুষ্টির কোন বিকল্প নেই। শারীরিকভাবে শিশুদের সুষ্ঠুভাবে বেড়ে উঠতে, কিশোর-কিশোরীদের বর্ধিত পুষ্টি চাহিদা নিশ্চিত করণে এবং প্রবীণদের সুস্বাস্থ্যের নিরাপত্তায় মাছ নিঃসন্দেহে উত্তম ভূমিকা পালন করতে সক্ষম। 

আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে কুইজ প্রতিযোগিতা, নাটিকা এবং কুয়াকাটা শিল্পী গোষ্ঠীর শিল্পীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

প্রজন্মনিউজ২৪/ইমরান হোসাইন

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন



আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ