মুরগি-ডিম-আলুর দাম বেড়েছে 

প্রকাশিত: ১৮ জুন, ২০২১ ১২:৩০:৫৪ || পরিবর্তিত: ১৮ জুন, ২০২১ ১২:৩০:৫৪

মুরগি-ডিম-আলুর দাম বেড়েছে 

রাজধানীতে সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে ব্রয়লার মুরগি, আলু ও ডিমের। অপরদিকে অপরিবর্তিত আছে অন্য পণ্যের দাম। আজ শুক্রবার (১৮ জুন) সকালে রাজধানীর কাওরান বাজার, নিউমার্কেট, মিরপুরের মুসলিম বাজার, মিরপুর ১১ নম্বর বাজার, মিরপুর ৬ নম্বর বাজার, মিরপুর কালশী বাজার ও পল্লবী এলাকা ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে বাজারে প্রতিকেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, টমেটো ৬০ টাকা, বরবটি ৭০ টাকা, চাল কুমড়া ৪০ থেকে ৫০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৩০ টাকা, পটল ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ থেকে ৫০ টাকা, কচুর লতি ৫০ টাকা, ধুন্দুল ৬০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, কাকরোল ৬০ টাকা, শসা ৪০ টাকা, কাঁচামরিচ ৪০ টাকায়। এছাড়া প্রতিপিস লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কাঁচা কলার হালি ২৫ থেকে ৩০ টাকা, লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ টাকায়।

এদিকে আলুর দাম ৫ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা কেজি। এছাড়া প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকায়।  এসব বাজারে প্রতিকেজি শুকনো মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৬০ টাকা, রসুন ৮০ থেকে ১৩০ টাকা, আদার দাম ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। এছাড়া হলুদ ১৬০ টাকা থেকে বেড়ে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চিনি প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৭৫ টাকায়। প্যাকেট চিনি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭৮ থেকে ৮০ টাকায়।

বাজারে প্রতিকেজি বিআর-২৮ চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৮ থেকে ৫০ টাকা, মিনিকেট ৬০ থেকে ৬২ টাকা, নাজিরশাইল ৬২ থেকে ৬৫ টাকা, মোটা চাল ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা, পোলাওয়ের চাল ৯০ থেকে ১০০ টাকায়। প্রতিলিটার ভোজ্যতেল বিক্রি হচ্ছে ১৫১ থেকে ১৫৫ টাকায়। আধা লিটারের বোতল বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়।

লাল ডিমের দাম বেড়ে ডজন বিক্রি হচ্ছে ১০৫ থেকে ১১০ টাকা। হাঁসের ডিমের ডজন ১০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকায়। এছাড়া সোনালি (কক) মুরগির ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়। কালশী বাজারের ডিম বিক্রেতা আশিক বলেন, বাজারে ডিম তুলানামূলক আমদানি কম। ডিমের চাহিদা বেশি থাকায় দাম একটু বেশি।  

বাজারে প্রতিকেজি সোনালি (কক) মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২১০ থেকে ২২০ টাকায়। গত সপ্তাহে ব্রয়লার মুরগি ১৩০ টাকায় বিক্রি হলেও ৩০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়। এছাড়া লেয়ার মুরগি প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকায়।  মিরপুর ১১ নম্বর বাজারের মুরগি বিক্রেতা মো. রুবেল বলেন, বৃষ্টি বাদলের বাজারে মুরগি আসতে পারছে না ঠিকমতো। এ কারণেই মুরগির দাম বাড়তি যাচ্ছে।

ব্যবসায়ীদের দাবি, বাজেটে পোলট্রি ফিডের উপকরণ আমদানিতে শুল্ক ছাড় দেওয়া হলেও এই সময়ে জাহাজভাড়া বেড়ে গেছে। যে কারণে বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম বাড়তি।

পোলট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মো. মহসীন বলেন, কয়েক মাস আগেও পোলট্রি ফিডের কেজি ছিল ৪৪ টাকা। জাহাজভাড়া বেড়ে যাওয়ায় এখন সেটা ৫২ টাকা হয়েছে। যে কারণে মুরগির দাম বেড়েছে।

তবে, বাজারে অপরিবর্তিত আছে গরু ও খাসির মাংস, মসলাসহ অন্য পণ্যের দাম। বাজারে প্রতিকেজি খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা, বকরির মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা ও গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকায়।#

প্রজন্মনিউজ২৪/ফাহাদ

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন



আরো সংবাদ