ঝিনাইদহে ১৪৭ ভারত ফেরত বাংলাদেশীর হোম কোয়ারেন্টাইন

প্রকাশিত: ০৭ মে, ২০২১ ১১:৫৯:৪৮ || পরিবর্তিত: ০৭ মে, ২০২১ ১১:৫৯:৪৮

ঝিনাইদহে ১৪৭ ভারত ফেরত বাংলাদেশীর হোম কোয়ারেন্টাইন

আজিম আলী, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ভারত ফেরত বাংলাদেশীদের হোম কোয়ারেন্টাইন সেন্টার করা হয়েছে ঝিনাইদহে। শহরের দুটি প্রতিষ্ঠানে পুলিশ প্রহরায় তাদের রাখা হয়েছে। তবে তাদের শরীরের করোনার উপসর্গ নেই। পরীক্ষাও মেলেনি পজিটিভ রিপোর্ট। 

বৃহস্পতিবার (৬ মে) পর্যন্ত গত ৬ দিনে ১৪৭ জন বাংলাদেশিকে এসব জায়গায় বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।

এছাড়া যশোর সাতক্ষীরা, খুলনা ও নড়াইল জেলাতেও খোলা হয়েছে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার। যশোরে স্থান সংকুলান না হওয়ায় মে মাসের ১ তারিখ থেকে পুলিশ পাহারায় ভারত ফেরৎ এ সব যাত্রীদের বেনাপোল থেকে ঝিনাইদহে আনা হয়।

জানা যায়, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, খুলনা, ফরিদপুর, রংপুর, বগুড়া ও রাজশাহী জেলার বাসিন্দাদের ঝিনাইদহে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। ঝিনাইদহের পিটিআই ও এনজিও এইড ফাউন্ডেশন কমপ্লেক্সে তাদের রাখা হয়েছে। পিটিআই ভবনে কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তিরা সরকারী ভাবে ফ্রি থাকা খাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

অন্যদিকে এইড ফাউন্ডেশন কমপ্লেক্সে ভারত ফেরত যে সব যাত্রী আছেন তারা টাকা দিয়ে থাকছেন। এইড ফাউন্ডেশনে কোয়ারেন্টাইনে থাকা কয়েকজন যাত্রী জানান, আমাদের একাধিকবার করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। ভারত থেকে দুইবার আবার দেশে ফিরে বেনাপোলে একবার পরীক্ষা করা হয়। কিন্তু প্রতিবার আমাদের করোনা রেজাল্ট পজিটিভ।

তারা প্রশ্ন তোলেন কেন আমাদের এখানে ১৪ দিন থাকতে হবে? এদিকে ঝিনাইদহ শহরে ভারত থেকে আসা ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা করায় ভয়ে আছে এখানকার সাধারণ মানুষ। ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট জেলা শহরে ছড়িয়ে পড়লে সামাল দেওয়া কষ্টসাধ্য বলেও কেও কেও অভিযোগ করেন।

ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক মোঃ মজিবর রহমান বলেন, করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট রোধে দুই সপ্তাহের জন্য ভারত ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। এতে ভারতে আটকা পড়ে বাংলাদেশি কিছু যাত্রী বিশেষ অনুমতি নিয়ে দেশে ফিরছেন। ভারত ফেরত এসব যাত্রীকে ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হচ্ছে ঝিনাইদহে।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ঝিনাইদহে ১৪৭ যাত্রী এসেছে। তাদেরকে ঝিনাইদহ পিটিআই এর হোস্টেল ও এইড ফাউন্ডেশনের রেস্ট হাউজে রাখা হয়েছে। যারা পিটিআই এর হোস্টেলে আছেন তাদের থাকা-খাওয়ার খরচ সরকার বহন করছে। আর যারা এইড ফাউন্ডেশনের রেস্ট হাউজে থাকছেন তাদের খরচ নিজেদের বহন করতে হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, তাদের চিকিৎসার জন্য বিশেষ মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। চিকিৎসকরা নিয়মিত তাদের খোঁজখবর নিচ্ছেন। তাদেরকে পুলিশী নিরাপত্তায় রাখা হয়েছে যাতে শহরে বেরিয়ে ঘোরাঘুরি না করতে পারে।#

প্রজন্মনিউজ২৪/এফএম

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন



আরো সংবাদ