তৃণমূল-বিজেপির নির্বাচনপরবর্তী সংঘর্ষে নিহত ১১

প্রকাশিত: ০৪ মে, ২০২১ ১১:৪০:৫৩ || পরিবর্তিত: ০৪ মে, ২০২১ ১১:৪০:৫৩

তৃণমূল-বিজেপির নির্বাচনপরবর্তী সংঘর্ষে নিহত ১১

নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর পশ্চিমবঙ্গ যেন রণক্ষেত্র। রোববার রাত এবং সোমবার সারাদিন মিলিয়ে সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন ১১ জন রাজনৈতিক কর্মী। অগ্নিসংযোগ এবং লুটপাটের ঘটনা বহু। উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক রাজ্য সরকারের কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে।

তারকেশ্বরে পরাজিত বিজেপি প্রার্থী স্বপন দাসগুপ্ত অভিযোগ করেছেন যে, বীরভূমের নানুরে হিন্দুরা আক্রান্ত হচ্ছেন। বিজেপি জানিয়েছে, তাদের ছজন কর্মী তৃণমূলের আক্রমণে মারা গেছে।

তৃণমূলের দাবি, তাদের চারজন কর্মী মারা গেছেন বিজেপির আক্রমণে। উত্তর চব্বিশ পরগনার দেগঙ্গায় নিহত হয়েছে এক আইএসএফ কর্মী। কলকাতার কাঁকুড়গাছিতে বিজেপি সমর্থক অভিজিৎ সরকারকে পিটিয়ে মারার পর বিজেপি কর্মী ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে মা শোভারানি মন্ডল নিহত হন জগদ্দলে। নবগ্রামে ও শীতলকুচিতে নিহত হয় উত্তম ঘোষ ও মানিক বৈদ্য নামের দুই বিজেপি সমর্থক। কাকলি ক্ষেত্রপাল নামের এক বিজেপি কর্মীও খুন হয়। জয়বাংলা ধ্বনি দেয়ার অপরাধে খুন করা হয় দুই তৃণমূল সমর্থক সাজু সাহা এবং বিভাস বাগকে। খুন হন দেবু প্রামানিক নামের এক তৃণমূল কর্মী।

এছাড়াও আগুন, লুটতরাজের ঘটনা ঘটছেই। বিপুল জয়ের পর তৃণমূল সুপ্রিমো রাজধর্ম পালনের আবেদন জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, ৯ মে রাজভবনে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হবে অনাড়ম্বরভাবে। ৬ ও ৭ মে নবনির্বাচিত বিধায়কেরা শপথ নেবেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে রাজ্যবাসীর প্রতি বিজয়ের শুভেচ্ছা জানিয়ে রাজ্যে শান্তি বজায় রাখার আবেদন জানিয়েছেন। যদিও মমতা এবারের নির্বাচনে তার পরাজয়কে মেনে নিতে পারেননি। বলেছেন, নন্দীগ্রামে ইভিএম মেশিন পাল্টে দেওয়া হয়েছে। আরও অনেক কিছু করেছে ওরা। এটা মানা যায় না। এ নিয়ে আমরা আদালতে যাব।

মমতা এদিন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, দল ছেড়ে যারা বিজেপিতে গেছেন, তারা এখন দলে এলে স্বাগত।

প্রজন্মনিউজ২৪/শাওন

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন