বাজারে ক্রেতাদের ভিড়, বেড়েছে পণ্যের দাম

প্রকাশিত: ১৬ এপ্রিল, ২০২১ ০১:৩৬:২১ || পরিবর্তিত: ১৬ এপ্রিল, ২০২১ ০১:৩৬:২১

বাজারে ক্রেতাদের ভিড়, বেড়েছে পণ্যের দাম বাজারে ক্রেতাদের ভিড়, বেড়েছে পণ্যের দাম

লকডাউন ও রোজা শুরুর পর থেকে কাঁচাবাজারে নানা পণ্যের দাম বেড়ে চলছে। বেগুন, শসা, টমেটো ও লেবুর দাম দ্বিগুণ বেড়েছে। এর মধ্যে বেগুন ও শসার কেজি এবং লেবুর হালির দামে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। কম দামি টমেটোর দামও হাফসেঞ্চুরি করেছে। ইফতারের উপকরণ হিসেবে এগুলোর কদর থাকায় ব্যবসায়ীরা দাম বাড়ানোর সুযোগ নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা।

জানা যায়, মাছ, মাংসসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম বেশি থাকায় সবজির চাহিদা বেশি। এ কারণে এবার পাইকারি মোকামে সবজির দামও বেশি। তাছাড়া করোনা মহামারির কারণে লকডাউনে কড়াকড়ি আরোপ করায় বাজারে সবজির সরবরাহ কম। এতেও দাম বাড়ছে। বিশেষ করে করলার কেজি দ্বিগুণ বেড়ে ১০০ টাকা হয়েছে। অন্যান্য সবজির মধ্যে বরবটি, ঢেঁড়স ও পটোলের কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকা হয়েছে। তবে সরকার যেসব পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে, সেসব পণ্যও অনেক বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে জরিমানা করা হলেও ব্যবসায়ীরা বাড়তি দাম নিচ্ছেন।

বাজারে বিদেশি শিশুখাদ্যের দাম অনেকটাই বাড়তি। মালয়েশিয়া থেকে আমদানি করা একটি ব্র্যান্ডের গুঁড়া দুধের ১ হাজার ৮০০ গ্রামের জারের কেনা দর ছিল ২ হাজার ৪০০ টাকা। বিক্রি করতো ২ হাজার ৬০০ টাকায়। এখন সেটা কিনতেই হচ্ছে ৩ হাজার টাকার বেশি দামে। একইভাবে বিদেশি কয়েকটি ব্র্যান্ডের ডায়াপারের দাম প্যাকেট–প্রতি ৫০ থেকে ১০০ টাকা বাড়িয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীরা বলেন, এখন যাঁরা বিপুল পরিমাণে কিনে রাখছেন, তাঁদের কয়েক দিন পরই আফসোস করতে হতে পারে। পণ্যের ঘাটতি নেই। তাই কয়েক দিন পর চাপ কমে গেলে দাম কমে যেতে পারে। আর এখন যাঁরা বেশি কিনছেন, তাঁরা এক-দেড় মাসে আর বাজারে আসবেন না। ফলে বাজারে চাহিদা কমবেই।

প্রজন্মনিউজ২৪/শাওন

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন



আরো সংবাদ