এপ্রিল ফুল: ইতিহাসের নির্মম ট্রাজেডি

প্রকাশিত: ১৫ এপ্রিল, ২০২১ ০৫:২৮:৫১

এপ্রিল ফুল: ইতিহাসের নির্মম ট্রাজেডি

এপ্রিল ফুল ডে:  প্রতিবছর এপ্রিল মাসের প্রথম দিন পালিত হয় এই দিবস। মাঝে মাঝে একে অল ফুল ডে বলে উদযাপন করা হয়। এপ্রিল ইংরেজি মাসের চতুর্থ মাস । ফুল (Fool) ইংরেজি শব্দ যার অর্থ বোকা। এপ্রিল ফুলের (April Fool) অর্থ এপ্রিলের বোকা। এপ্রিল ফুল ইতিহাসের জঘন্যতম ও ঘৃণ্য একটি অধ্যায়। আজ আমরা অনেকেই এ সম্পর্কে জানি না বলে ইহুদী-খ্রিস্টানদের সাথে এপ্রিল ফুল পালন করে থাকি। আমরা মুসলমান আজ আমাদের ইতিহাস সম্পর্কে আমাদের জানা নেই এবং জানার চেষ্টাও করি না। আর এ কারণে আজ আমাদের অধঃপতন ত্বরান্বিত হচ্ছে। যে জাতি তার ইতিহাস সম্পর্কে জানেনা সে জাতির মত সর্বহারা জাতি আর হতে পারে না।
মূল কথায় আসি-ইসলামের সোনালী যুগে জাজিরাতুল আরবের সীমানা ছাড়িয়ে ইসলামী রাষ্ট্র হয়েছিল পূর্ব-পশ্চিম, উত্তর-দক্ষিণের সকল দিগন্তে। হযরত আলী (রা:) এর ইন্তেকালের পর উমাইয়া খিলাফত শুরু হয়। এই সময় ইসলামের ব্যাপক বিস্তৃতি ঘটে এবং এ সময় মুসলমানগণ জিব্রাল্টার পাড়ি দিয়ে ইউরোপের বুকে স্পেন সাম্রাজ্যের প্রতাপশালী ও অত্যাচারী রডারিককে পরাজিত করেন। এভাবেই স্পেন অষ্টম শতকে মুসলিম দেশ হয়ে যায়।
যাহোক এপ্রিল ফুল এর পিছনে রয়েছে মুসলমানদের জন্য করুণ ইতিহাস। সেই অষ্টম শতাব্দীতে স্পেনের রাজা ছিলেন রডারিক। সে ছিল কট্টরপন্থি জালেম খ্রিস্টান। তার জুলুমে জনগণ ছিল অতিষ্ট। কিন্তু তার বিরুদ্ধে টু শব্দ করার সাহস কারো ছিল না। যখন গোটা ইউরোপের ক্লান্তিকাল চলছিল তখন মুসলিম রণক্ষেত্রের কমান্ডার ছিলেন মুসা বিন নুসায়ের। তিনি তখন দক্ষিণ মরোক্কো জয় কওে কায়রোয়ানে অবস্থান করছিলেন। ইতিহাস থেকে জানা যায় যে, প্রজা উৎপিড়ক রাজা ক্ষমতায় এসেছিলেন তার পূর্বসুরী শাসক ইউটিজাকে হত্যা করে।


এ সময় সিউটা দ্বীপের শাসক ছিলেন কাউন্ট জুলিয়ান। জুরিয়ান তার কন্যা ফ্লোরিডাকে রাজকীয় আদব-কায়দা শেখানোর জন্য রডারিকের কাছে প্রেরণ করেন। কিন্তু রডারিক ফ্লোরিডার সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে। ইউটিজা ছিলেন জুলিয়ানের শ্বশুর। জুলিয়ান শ্বশুর হত্যা ও কন্যা হত্যার প্রতিশোধ নিতে এবং মজলুম মানবতাকে রক্ষা করার জন্য মুসা বিন নুসায়েরকে আহবান করেন। মুসা বিন নুসায়ের তার অধীনে সেনাপতি তারেক বিন জিয়াদের নেতৃত্বে ১২ হাজার সৈন্যের এক মুজাহিদ বাহিনী প্রেরণ করেন। ৯২ হিজরী ২৮ রমজান মোতাবেক ৭১১ খ্রী: জুলাই মাসে স্পেনে অবতরণ করেন এই বাহিনী। স্পেনে পৌঁছা মাত্র তিনি আদেশ দেন তার সব নৌজাহাজ পুড়িয়ে ফেলার জন্য। এই যুদ্ধে খ্রিস্টান বাহিনী চরমভাবে পরাজিত হয়। একের পর এক সকল অঞ্চল মুসলমানদের করায়ত্ব হতে থাকে। ৭১২ খ্রী: থেকে ৭১৪ খ্রী: পর্যন্ত সময়ে স্পেনের প্রায় সমগ্র অঞ্চল ইসলামের সুশীতল পতাকা তলে চলে আসে। এরপর ৮০০ বছর মুসলমানরা শান্তি সাম্য বজায় রেখে স্পেন শাসন করে। তাদের ন্যায়, ইনসাফ আর ভালোবাসায় মুগ্ধ হয়ে লোকজন দলে দলে আশ্রয় গ্রহণ করে ইসলামের ছায়াতলে। শিক্ষা-সংস্কৃতি, জ্ঞান-বিজ্ঞান, শিল্প-বাণিজ্য ইত্যাদির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয় স্পেন।
কালের প্রবাহে একসময় মুসলমানেরা শিক্ষা-সংস্কৃতি, জ্ঞান-বিজ্ঞান ছেড়ে আরাম-আয়েশে মত্ত হতে শুরু করল। শাসকের মাঝে অর্থের লোভ, বিলাসিতা ও বিজাতীয় আচার আচরনসহ সব ধরনের নৈতিক অধ:পতন দেখা দেয়। অপর দিকে মুনাফিক ও ধর্ম ব্যবসায়ীরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠে। এক পর্যায়ে মুসলিম নিধনের লক্ষ্যে ফার্ডিনান্ড বিয়ে করেন পর্তুগীজ রানী ইসাবেলাকে। ১৪৭০ খ্রী: এই সুযোগকে চরমভাবে কাজে লাগায় মহা জালিম খ্রিস্টান দম্পতি ফার্ডিনান্ড ও ইসাবেলা। তারা বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসায় তাদের খ্রিস্টান গুপ্তচর ব্যক্তিকে ইমাম, মুয়াজ্জিন, মাদ্রাসার ওস্তাদ পদেও ঢুকাতে সক্ষম হয়। সেই থেকে তারা ওলামায়ে ‘ছুঁ’ দেরকে ও হাত করতে সক্ষম হয়। তারা ইসলামী আদর্শের উপর অটলতা ছেড়ে ঢিলেঢালা চলার পক্ষে জনমত তৈরী করে। শরাব খাওয়া, গান বাজনা করা ও শোনা, বেপর্দা হওয়া এবং অবৈধ নারী সম্পর্ককে দোষের নয় বলে প্রচার করে। ফলত মুসলমান তাদের ঈমানী বল হারিয়ে ফেলে। ওলামায়ে ‘ছুঁ’ রা আরো প্রচার করে যে, খ্রিস্টানরা মুসলমানদের শত্রু নয়। তারা প্রথমে আল হামরা দূর্গের পতন ঘটায়। কিন্তু দিশেহারা, ঈমানহারা, বিভ্রান্ত মুসলমান মুনাফিক ও ওলামায়ে ‘ছুঁ’ দের প্রতারণার কারনে তখন খুব সহজেই তাদের কাছে সোপর্দ করে দেয়। মুসলমানরা কোণঠাসা হয়ে পড়ে।
অবশেষে ইবনুল আহমার মুসলমানদের নিরাপদ আশ্রয় স্বরূপ গ্রাণডা নামক প্রদেশে একটি রাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে থাকে। এমতবস্থায় দেশহারা মুসলমান সৈন্যদের সন্ধির শর্ত দিয়ে অস্ত্রমুক্ত হতে বলা হয়। কিন্তু তীক্ষ্ণ বুদ্ধি সম্পন্ন তৎকালীন মুসলিম সেনাপতি এ সন্ধিকে মরণ শর্ত বুঝতে পেরে সন্ধি শর্তে আবদ্ধ না হতে স্ব-পক্ষীয় সৈন্যদল ও জনগনকে এক তেজস্বিনী ভাষণে ভবিষ্যতের ভয়াভহ পরিণতির ইঙ্গিত দান করেন। কিন্তু উনার অবশ্যম্ভাবী পতনের আশংকায় মুসলমান গণ এ গুরুত্বপূর্ণ ভাষণের কোন মর্যাদা দেয়নি। তাই তিনি উপায়ন্তর না দেখে এলভিরা তোরণ দিয়ে অশ্বারোহনে নগর ত্যাগের সময় ওঁৎ পেতে থাকা দশ খ্রিস্টান অশ্বারোহীর দ্বারা বাঁধাপ্রাপ্ত হয়ে যুদ্ধ করতে করতে তাদের কয়েকজনকে হতাহত করেন এবং নিজেও মারাত্মক আহত হন। অবশেষে শেনিল নদীতে পড়ে চিরশান্তি লাভের অমীয় সুধা পান করেন। এতদিনে টনক নড়ে মুসলিম বাহিনীর। কখনো সম্মুখ যুদ্ধে মুসলমানদের পরাজিত করতে পারেনি বলে চতুর ফার্ডিনান্ড পা বাড়ায় ভিন্ন পথে। তার নির্দেশে আশ পাশের সব শস্য খামার জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয় শহরের খাদ্য সরবরাহের প্রধান কেন্দ্র ভেগা উপত্যকা। অচিরেই দূর্ভীক্ষ নেমে আসে। শহরের দূর্ভীক্ষ যখন প্রকট আকার ধারন করল তখন এক পর্যায়ে মুসলমানদের অসতর্কতার সুযোগে খ্রিস্টান বাহিনী ঘিড়ে ফেলল গ্রানাডার  তিন দিক। একমাত্র মহাসমুদ্রই বাকি থাকে মুসলমানদের বাঁচার পথ। তিনি দেশ ব্যাপি ঘোষনা করে দেন ‘মুসলমানরা যদি শহরের প্রধান ফটক খুলে দেয়, অস্ত্র ত্যাগ করে মসজিদ গুলোতে আশ্রয় নেয় এবং সমুদ্র পাড়ে নৌযান গুলোতে আরোহন করে তবে তাদেরকে সব রকমের নিরাপত্তা দেওয়া হবে। এমন বিপর্যয় কর পরিস্থিতিতে দুর্ভাগ্য তাড়িত গ্রানাডাবাসি অসহায় নারী ও মাসুম বাচ্চাদের মুখের দিকে তাকিয়ে খ্রিস্টানদের আশ্বাসে বিশ্বাস করে খুলে দেয় শহরের প্রধান ফটক। সরল মনে বিশ্বাস করে মুসলমানগণ মুসজিদ ও নৌকা গুলোতে আশ্রয় নেয়। কিন্তু ইতিহাসের জঘন্য নরপিশাচ প্রতারক  রাজা আগুন লাগিয়ে দেয় মসজিদগুলোতে এবং মাঝ দরিয়ায় ভাসিয়ে দেয় নৌযানগুলোকে। ফলে অগ্নি দগ্ধ পানিতে হাবুডুবু খাওয়া লক্ষ লক্ষ নারী পুরুষ আর নিষ্পাপ শিশুর আর্ত চিৎকারে ভারি হয়ে উঠে স্পেনের আকাশ বাতাস। মুহুর্তের মধ্যে নির্মম ভাবে নিঃশেষ হয়ে যায় সাত লক্ষ মুসলমানের তাজা প্রাণ। আর  এরই সাথে ইতি ঘটে স্পেনের আটশ বছরের মুসলিম শাসনের। পৃথিবীর ইতিহাসে রচিত হয় মানবতা লঙ্ঘণের নির্মম অধ্যায়। আর বাইরে থেকে জালিম খ্রিস্টানরা উল্লাস ভরে কৌতুক করে Fool! Fool! বলে অট্টাহাসি আর চিৎকারে মেতে উঠে। দিনটি ছিল পহেলা এপ্রিল ১৪৯২ খ্রীঃ। অদ্যাবধি প্রতারক খ্রীস্টানরা তাদের সেই শঠতার স্মরণে ধোঁকা বা প্রতারনার দিবস হিসেবে পালন করে এপ্রিল ফুল। কাজেই এ দিনের ইতিহাস থেকে প্রত্যেক  মুসলমান নর-নারীর দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো- হাক্বীক্বী ভাবে ইহুদী খিস্টানদের ইসলাম বিরোধী ও মুসলিম বিদ্বেষী  মনোভাব সম্পর্কে শিক্ষা নেওয়া। পাশাপাশি সমস্ত মুসলমান পুরুষ মহিলা, ছোট বড় সকলের জন্যই ফরজ হলো ‘এপ্রিল ফুল’ পালন থেকে নিজেকে  বিরত রাখা ও অন্যদের বিরত রাখা। দুঃখের সাথে বলতে হয় ‘এপ্রিল ফুল’ এর প্রকৃত ইতিহাস সম্পর্কে না জানার কারণে আমরা আমাদের পূর্বসুরীদের দুর্ভাগ্যকে আনন্দের খোরাক বানিয়ে তা পালন কারছি।

আমরা আর কতকাল আত্মবিস্মৃত হয়ে থাকব? নিজেদের ইতিহাস ঐতিহ্য সম্পর্কে অজ্ঞাত ধারা আর কতদিন আমাদের মধ্যে বিরাজ করবে। অথচ এই অজ্ঞতাই আমাদের জন্য সবচেয়ে মারাত্মক কাল হয়ে দেখে দিয়েছে। নির্দোষ কৌতুকময় ১ লা এপ্রিল! এপ্রিলের এক তারিখ পৃথিবীর অনেক দেশেই কিশোর কিশোরীরা পরস্পরকে বোকা বানানোর প্রতিযোগীতায় মেতে উঠে। কারো মনে কোনদিন প্রশ্ন জাগেনি, এই বোকা বানানোর দিবসটির উৎপত্তি কোথায়, অথবা কবে এর উৎপত্তি হয়েছিল? এপ্রিলফুল ডে স্কুল জীবনে বেশি পালন হতে দেখা যায়।  সেই থেকে খ্রিস্টান জগৎ প্রতি বছর ১ লা এপ্রিল আড়ম্বরের সাথে পালন করে আসছে ‘এপ্রিল ফুল’  বা  এপ্রিলের বোকা উৎসব। এদের চক্রান্ত খুবই গভীর । এরা ১৯৯৩ সালে ১ লা এপ্রিল  মাদ্রিদে এ হত্যাকান্ডের ৫০০ বছর উৎযাপন করে ‘হলি মেরী ফান্ড’ গঠন করে মুসলিম বিনাসের যে চুক্তি করেছে তা বাস্তবায়নের জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। সুতরাং মুসলমানদের ঘুমিয়ে থাকার দিন শেষ। এবার জেগে উঠতে হবে। মানবতার শত্রু  চিনতে হবে। ইহুদী খ্রিস্টান, অবিশ্বাসী ও নৃশংসতার ছোবল এসেছে তার সঠিক হিসাব কেউ না দিতে পারলেও ইতিহাসের পাতায় এ ধরনের ঘটনার অভাব নেই। প্রতারনা বলতে বুঝায় ঠকানো, ফাঁকি দেয়া, বিশ্বাস ভঙ্গ করা। প্রতারনা মিথ্যার সামিল। এ প্রসঙ্গে প্রিয় নবী (সা:) বলেছেন- “যে ব্যক্তি প্রতারনা করে সেই ব্যক্তি আমাদের(মুসলমানদের)দল ভুক্ত নয়”। প্রতারনা করা মুনাফিকদের স্বভাব। আর মুনাফিকদের স্থান জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে। প্রতারনাকারীদের উপর যেমনী আল্লাহর অভিশাপ, তেমনী সমাজে ও তার কোন সম্মান নেই।  
প্রতারনা তাক্বওয়াপূর্ণ ইসলামী জীবন যাপনের সম্পূর্ণ পরিপন্থি। তাই মুত্তাকি ব্যক্তি নোনো সময়ই এপ্রিল ফুলের প্রতারণার আশ্রয় নিতে পারে না। তাই আমরা নির্বিশেষে সবাই এপ্রিলফুলের প্রতারণা থেকে মুক্ত হয়ে তাক্বওয়াপূর্ণ জীবন যাপনে ব্র্রতি হব। মুসলমানদের উপর এত বড় নিষ্ঠুরতার পরও আপনি কি করে এমন জঘন্য দিন পালন করতে পারেন?  আপনি ও তো সেদিন সেই শহীদদের একজন হতে পারতেন। আবারো যদি সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়, আপনি কি সেই দিন ও এ ভাবে ঠাট্টা করে যাবেন? আত্মমর্যাদাবান হতে শিখুন, খালিছ মুসলমান হোন, ইতহাস জানুন, আপনার ও মুসলমান শত্রুকে চিনুন, তাদের মোকাবিলা করার শক্তি অর্জন করুন। বর্তমানে সারা মুসলিম জাহান যে অস্তিত্ব সংকটে হাবু ডুবু খাচ্ছে এ থেকে উদ্ধার পেতে হলে মুসলিম দেশ গুলোর সরকার ও রাজনীতিবিদদের যে কয়টি বিষয়কে অগ্রাধীকার দিতে হবে তা হলো
প্রথমত: সবাইকে ইসলামের মৌলিক বিষয় গুলোর উপর দৃঢ় বিশ্বাস ও আস্থা অর্জনে সর্বাধিক তৎপর হতে হবে।
দ্বিতীয়ত: সকল শাসক নেতৃবৃন্দকে ইসলামী আমল ও আখলাক অর্জনে আন্তরিক হওয়া অপরিহার্য ।
তৃতীয়ত: সকল মুসলিম দেশ শরীয়া আইন বাস্তবায়ন করতে হবে।
চতুর্থত: সকল মুসলিম দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা পবিত্র কোরান ও হাদিসের আর্দশের অনুসারে সাজাতে হবে।
পঞ্চমত: মুসলিম দেশগুলোকে নিজেদের মধ্যকার সকল ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে।
রাজনৈতিক মত পার্থক্য থাকতেই পারে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও রাজনৈতিক মতপার্থক্য এক বিষয় নয়। সকল দেশ থেকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা দূর করে অবাধ গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করা অত্যাবশ্যক। এসব বিষয় মেনে চললেই কেবল এপ্রিলের মত বেদনাদায়ক অভিশাপ এড়ানো সম্ভব।


ইসলামের দৃষ্টিতে ‘এপ্রিল ফুল’: মহান আল্লাহপাক এরশাদ করেন,“যে ব্যক্তি কাফির মুশরিকদের সাথে মিল রাখবে সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত হিসেবে গন্য হবে।” হুযুর (সা: )এরশাদ করেছেন- “যে ধোকা দেয় সো আমার উ¤মত নয়”। রাসূল (সা: ) আরো  বলেন , “যে ব্যক্তি সম্প্রদায়ের সাথে মিল রাখবে তার হাশর নাশর তাদের সাথে হবে”। আজ যারা এপ্রিল ফুল পালন করবে তারা কুফুরী করবে। কারণ মুসলমানদের জন্য ‘পহেলা এপ্রিল’ বা এপ্রিল ফুল পালন করা হারাম বা কুফুরী । আল্লাহ বিশ্বের সকল মুসলমানকে এপ্রিল ফুলের মত জঘন্যতম ষড়যন্ত্র থেকে হিফাজত করুন। আমীন।।

 মুহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল সবুজ

সাংবাদিক গবেষক 

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন