জামিন স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারে ইরফান সেলিমের আবেদন শুনানির তালিকায়

প্রকাশিত: ০৮ এপ্রিল, ২০২১ ১১:৫৫:২১

জামিন স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারে ইরফান সেলিমের আবেদন শুনানির তালিকায়

রাজধানীর ধানমন্ডিতে নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তাকে মারধরের মামলায় হাইকোর্টের দেয়া জামিনের ওপর স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার (স্টে ভ্যাকেট) চেয়ে সংসদ সদস্য হাজী মো. সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিমের আবেদন শুনানির কথা রয়েছে আজ।

আপিল বিভাগের বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর চেম্বারজজ আদালতে শুনানির জন্য রয়েছে আবেদনটি। বিষয়টি জাগো নিউজটি নিশ্চিত করেছেন ইরফান সেলিমের আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা।

এই আবেদনের ওপর শুনানি করার জন্য গত মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) আপিল বিভাগের চেম্বারজজ আদালতে উপস্থাপন করা হয়। পরে সেটি শুনানির জন্য ৮ এপ্রিল কার্যাতালিকায় রাখার আদেশ দেন আদালত।

আদালতে ওইদিন ইরফান সেলিমের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আবদুল বাসেত মুজমদার ও সাঈদ আহমেদ রাজা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোরশেদ।

ওইদিন ইরফান সেলিমের জামিন স্থগিত করে দেয়া আদেশ বাতিল চেয়ে আবেদন করা হয় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে।

নৌবাহিনীর কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট ওয়াসিমকে মারধরের ঘটনায় গত ১৮ মার্চ ইরফান সেলিমের জামিন মঞ্জুর করে রায় দেন হাইকোর্ট। এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন করে, যা ২৮ মার্চ আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের চেম্বারজজ আদালত হাইকোর্টের রায় চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেন।

২০২০ সালের ২৫ অক্টোবর রাতে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহম্মেদ খানকে মারধরের অভিযোগ ওঠে ইরফান ও তার সহযোগীর বিরুদ্ধে। ঘটনার পরদিন ২৬ অক্টোবর সকালে বাদী হয়ে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ ধানমন্ডি মডেল থানায় মামলা করেন। ইরফানসহ চারজন ও অজ্ঞাতনামা আরও দু-তিনজনের বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়।

অন্য মামলায় গত বছরের ২৭ অক্টোবর ইরফানকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন ২৮ অক্টোবর ধানমন্ডি থানার মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। ধানমন্ডি থানার মামলায় নিম্ন আদালতে জামিন চেয়ে গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর বিফল হন ইফরান সেলিম। পরে তিনি চলতি বছরের জানুয়ারিতে জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন।

নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধরের মামলায় ইরফানের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি বিচারিক আদালতে এ অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়।

সংসদ সদস্য হাজী মো. সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিম ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধ ও অসদাচরণের অভিযোগে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়

প্রজন্মনিউজ/নাজমুল

 

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন