হাজী দানেশ বিশ্ববিদ্যালয়: দুর্নীতি-অনিয়মের তদন্তে ইউজিসি

প্রকাশিত: ১৫ মার্চ, ২০২১ ১১:৪৯:২৪

হাজী দানেশ বিশ্ববিদ্যালয়: দুর্নীতি-অনিয়মের তদন্তে ইউজিসি

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের ৩০টির বেশি অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। অনিয়মের অভিযোগ বিষয়ে জানতে মঙ্গলবার (১৫ মার্চ) সকাল সোয়া ১০টায় তদন্ত কমিটি ক্যাম্পাসে পৌঁছান। তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছেন ইউজিসির সদস্য প্রফেসর ড. বিশ্বজিৎ চন্দ, প্রফেসর ড. আবু তাহের ও সংশ্লিষ্ট তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম শেখ।

গত ৮ মার্চ ইউজিসির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের উপ-পরিচালক ও সংশ্লিষ্ট তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম শেখ এক চিঠির মাধ্যমে হাবিপ্রবি কতৃর্পক্ষকে এ বিষয়ে জানান।

চিঠিতে নিজেদের পক্ষে তথ্য-প্রমাণাদিসহ উপস্থিত হতে পরীক্ষা-২০১৮ এর সহযোগী সদস্য সচিব খালেদ হোসেন, উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. তরিকুল ইসলাম, জেনেটিক্স অ্যান্ড এনিম্যাল ব্রিডিংয়ের চেয়ারম্যান ড. আবদুল গাফফার, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক, ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিংয়ের (আইআরটি) পরিচালক অধ্যাপক ড. তরিকুল ইসলাম, ড. বিধান চন্দ্র হালদার ও ড. শ্রীপতি শিকদার, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের চেয়ারম্যান, প্ল্যানিং অ্যান্ড উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান, অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. ফাহিমা খানম, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ডা. ফজলুল হক, কন্ট্রোলার অধ্যাপক মিজানুর রহমান, প্রকৌশল শাখার চাঁদ আলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (সিভিল) আব্দুর রাজ্জাক, নির্বাহী প্রকৌশলী এবং পরিবহন শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল ওয়াহেদকেসহ নির্দেশ দেওয়া হয়।

গত ২০১৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাজ্জাদুল করিম নামে এক ব্যক্তি দুর্নীতি দমন কমিশনকে অনিয়মের বিষয়ে জানান। দুদক বরাবরে অভিযোগপত্রে নিয়োগে আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতি, শিক্ষক-কর্মকর্তা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় টাকা আত্মসাৎ, প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ব্যক্তিদের অনিয়ম ও দুর্নীতি, শিক্ষককে বাঁচানোর চেষ্টা ও স্বাধীনতাবিরোধীদের পুনর্বাসন, নির্মাণ কাজে ঠিকাদারদের সঙ্গে যোগসাজসে টাকা ভাগ-বাটোয়ারা, মিথ্যা কাজের বিল দাখিল, গাড়ির মিথ্যা মেরামত দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ, স্বজনপ্রীতিসহ ৩০টির বেশি অনিয়মের কথা বলা হয়েছে।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. ফজলুল হক বলেন, যেসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত চলছে, সেসব সত্য নয়, বেশিরভাগই মিথ্যা। এরপরেও অভিযোগের বিপরীতে যাবতীয় কাগজপত্র দাখিল করা হবে বলে জানান তিনি।

প্রজন্মনিউজ২৪/নাজমুল

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন



আরো সংবাদ