হাইডেলবার্গ অনুমোদন পেল এমিরেটস সিমেন্ট-পাওয়ারকে একীভূত করার

প্রকাশিত: ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২১ ০৩:৫১:৩৭ || পরিবর্তিত: ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২১ ০৩:৫১:৩৭

হাইডেলবার্গ অনুমোদন পেল এমিরেটস সিমেন্ট-পাওয়ারকে একীভূত করার

হাইডেলবার্গ সিমেন্ট বাংলাদেশ লিমিটেড কোম্পানি এমিরেটস সিমেন্ট বাংলাদেশ লিমিটেড ও এমিরেটস পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডকে একীভূত করার অনুমোদন পেয়েছে আদালত হতে। গতকাল (২২ ফেব্রুয়ারি) কোম্পানিটির কর্তৃপক্ষের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) থেকে বিনিয়োগকারীদের এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 

দেশের শেয়ারাবাজারে তালিকাভূক্ত বহুজাতিক সিমেন্ট উৎপাদনকারী কোম্পানি হাইডেলবার্গ সেমেন্ট বাংলাদেশ লিমিটেড আল্ট্রাটেক সিমেন্ট মিডল ইস্ট ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের নিকট হতে এমিরেটস সিমেন্ট বাংলাদেশ লিমিটেড ও এমিরটস পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের শতভাগ শেয়ার কেনার সিদ্ধান্ত নেয়। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের নিয়ম অনুযায়ী আদালতে আবেদন করে কোম্পানিটি। তার প্রেক্ষিতে ৭ ফেব্রুয়ারি একীভূতকরণের অনুমোদন দেয় আদালত। ।

শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন নেয়ার জন্য কোম্পানিটি আগামী ২ এপ্রিল অতিরিক্ত সাধারণ সভা (ইজিএম) করবে। আগামী ২৫ মার্চ এ সংক্রান্ত রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে অবস্থিত কোম্পানিটির কারখানা প্রাঙ্গনে এই ইজিএম অনুষ্ঠিত হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অধিগ্রহণ মূল্য ধরা হয়েছে ২ কোটি ১৫ লাখ ১৮ হাজার ৬৮৪ ডলার বা ১৮২ কোটি ৫৮ লাখ ৬০ হাজার ৩৮৪ টাকা।

 

এমিরেটস সিমেন্টের মুন্সীগঞ্জের মুক্তারপুরে বার্ষিক দশমিক ৫ মেট্রিক টন সক্ষমতার একটি গ্রাইন্ডিং প্লান্ট রয়েছে। অন্যদিকে কাঁচপুর ও চট্টগ্রামে হাইডেলবার্গ সিমেন্টের দুটি গ্রাইন্ডিং প্লান্ট রয়েছে।কোম্পানিটির বর্তমান বার্ষিক উৎপাদন সক্ষমতা ১০ লাখ ৭৫ হাজার টন। কাঁচপুরের প্লান্টে নির্মাণাধীন নতুন গ্রাইন্ডিং মিলের কাজ শেষ হলে এর সঙ্গে আরো ৪ লাখ ৭২ হাজার টন পিসিসি সিমেন্ট উৎপাদনের সক্ষমতা যোগ হবে।

 

ডিএসই’র তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ৭৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয় হাইডেলবার্গ সিমেন্ট। এ বছর কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয় ১৪ টাকা ৩৩ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়ায় ৮২ টাকা ৬৮ পয়সায়। এর আগে ২০১৭ হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস ছিল ১৪ টাকা ২১ পয়সা। ওই বছরে কোম্পানিটি ১৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল।

ছাড়া ২০১৬ ও ২০১৫ হিসাব বছরে ৩০০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। তবে লোকসানের মধ্যে পড়ে ২০১৯ সালে কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের কোনো ধরনের লভ্যাংশ না দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

 

এদিকে কোম্পানিটির সর্বশেষ প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২০ সালের জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ৩ টাকা ২ পয়সা। আর ২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে শেয়ার প্রতি সম্পদ দাঁড়িয়েছে ৬৮ টাকা ৮৮ পয়সা।

প্রজন্মনিউজ২৪/এসএ

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন