শেষ ধাপে ৯টি পৌরসভায় ভোটের সিদ্ধান্ত আজ

এপ্রিলে চার শতাধিক ইউপিতে নির্বাচন

প্রকাশিত: ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২১ ১১:১৬:৫৩

এপ্রিলে চার শতাধিক ইউপিতে নির্বাচন

আগামী এপ্রিলের প্রথমার্ধে চার শতাধিক ইউনিয়ন পরিষদের ভোট করার পরিকল্পনা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মার্চের প্রথমেই তপশিল হতে পারে। আজ বুধবার কমিশন সভায় এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। একই সঙ্গে শেষধাপের আরও ৯টি পৌরসভার ভোটের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে কমিশন (ইসি)। ইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

গত ১১ ফেব্রুয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা জানিয়েছিলেন, আগামী এপ্রিলের ৭ তারিখে আরেকটি পৌরসভা নির্বাচন হবে। একই সঙ্গে কিছু ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন হবে। এ জন্য ১৭ ফেব্রুয়ারি কমিশন সভায় বিষয়টি চূড়ান্ত হবে, কয়টি পৌরসভা ও ইউপিতে ভোট করা যায় তা পর্যালোচনা করা হবে।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাপতিত্বে আজ বিকাল ৩টায় কমিশন সভা অনুষ্ঠিত হবে। ঐ সভায় পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে। সেক্ষেত্রে ষষ্ঠ ধাপে ৯টি পৌরসভার ভোটের জন্য বলা হয়েছে। এছাড়াও চার শতাধিক ইউনিয়ন পরিষদের ভোট এপ্রিলে করার জন্য প্রস্তাবনা দেওয়া হচ্ছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে কমিশন সভায়।

আইনানুযায়ী আগামী ২১ মার্চের মধ্যে ৭৫০ ইউপিতে ভোট হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রস্তুত না থাকায় মার্চে ভোট হবে না। আগামী ২ মার্চ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর ইউপি নির্বাচনের প্রথম ধাপের তপশিল ঘোষণা করবে ইসি।

নির্বাচন কমিশন ২১ মার্চের পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে ইউপির ভোট করতে হবে। এক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে লিখিতভাবে ইসিকে জানাতে হবে। এর মধ্যে আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে পবিত্র রজমান শুরু হচ্ছে। ফলে রমজানের আগেই প্রথম ধাপের ভোট হচ্ছে।

ইসির ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, কমিশন থেকে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা হওয়ার পর প্রথম ধাপের ভোটের জন্য সিডি প্রস্তুত করার জন্য বলা হয়েছে। ২ মার্চের পর ভোটার তালিকার সিডি প্রস্তুত করেই প্রথম সপ্তাহে প্রথম ধাপের তপশিল ঘোষণা করা হতে পারে। আর ভোট হতে পারে রমজানের আগেই। পরবর্তী ধাপগুলোর ভোট হবে রজমানের পর।

গত বারের মতো আসন্ন ইউপির ভোটও হবে দলীয় প্রতীকে। চেয়ারম্যান বা মেম্বার প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা বাধ্যতামূলক নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন জায়গায় চাউর হয়েছে যে, চেয়ারম্যান প্রার্থীর ক্ষেত্রে এইচএসসি এবং মেম্বার প্রার্থীর ক্ষেত্রে এসএসসি পাশ হতে হবে। এটিকে স্রেফ গুজব বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। তিনি ইত্তেফাককে বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটি নিয়ে গুজব ছড়ানো হয়েছে। এ ধরনের কোনো উদ্যোগ বা প্রচেষ্টা গ্রহণ করা হয়নি। কোনো পরিকল্পনাও নেই। জাতীয় সংসদ নির্বাচন করার জন্য সংসদ সদস্যদের কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগে না। সেখানে ইউপিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা বাধ্যতামূলক করা সংবিধান বিরোধীও।

প্রজন্মনিউজ২৪/সাইফুল

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন