কর্মমুখী শিক্ষার অভাবে বাড়ছে শিক্ষিত বেকারের তালিকা

প্রকাশিত: ২৬ জানুয়ারী, ২০২১ ০৩:৫৫:২৪

কর্মমুখী শিক্ষার অভাবে বাড়ছে শিক্ষিত বেকারের তালিকা

কর্মমুখী শিক্ষার অভাবে দেশে শিক্ষিত বেকার বেড়েই চলছে।বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ হিসাবে দেশে মোট বেকারের ১১ দশমিক ২ ভাগই শিক্ষিত।এরমধ্যে উচ্চশিক্ষিত বেকার ১৫ দশমিক ১ শতাংশ।এজন্য শিক্ষিতদের সরকারি চাকরির মোহ এবং অদক্ষতাকে দুষছেন চাকরিদাতারা।আর অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এ সংকট উত্তরণে শিক্ষার মান বাড়ানোর পাশাপাশি বাড়াতে হবে দক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ।
প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েট সোহাগ আহাম্মেদ।যার প্রতিদিনের সকাল শুরু হয় চাকরির খবরের পাতায় চোখ বুলিয়ে।তবু অধরাই থেকে যায় চাকরি নামের সোনার হরিণ। শুধু সোহাগই নয়, এরকম একরাশ হতাশা নিয়ে চাকরির বাজারের ঘুরে হয়রান মেহেদি, খালিদ, সুমনও।প্রায়ই আড্ডায় উঠে আসে নানান হতাশার গল্প।রয়েছে চাকরি না পাওয়ার বেশ তিক্ত অভিজ্ঞতাও।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো-বিবিএসের হালনাগাদ তথ্যমতে, দেশের শ্রমবাজারে প্রতিবছর নতুন যুক্ত হচ্ছে ২০ লাখ মানুষ।জরিপ বলছে, দেশে বেকারত্বের হার ৪ দশমিক ২।যেখানে মোট বেকারত্বের ১১ দশমিক ২ শতাংশই শিক্ষিত। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন-ইউজিসির সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদনের হিসাবে জাতীয়, উন্মুক্ত, ইসলামি ও ৪৩টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১৯ সালে ডিগ্রিপ্রাপ্ত ৩৮ লাখ ৭৬ হাজার ১শ’ ১৪ জন।আর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এর সংখ্যা ৩ লাখ ৪৯ হাজার ১শ’ ৬০।উচ্চশিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধির পেছনে অদক্ষতা এবং মানসিকতাকেও দুষছেন নিয়োগদাতারা।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, কর্মদক্ষ করে তৈরি করতে হবে শিক্ষর্থীদের।প্রয়োজনে বাড়াতে হবে শিক্ষার মান।সেই সাথে দক্ষ কর্মী হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতেও দরকার  ভালো প্রশিক্ষণ।বেকারত্বের হার কমাতে প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার প্রয়োজন বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা।

প্রজন্মনিউজ২৪/হারুন

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন



আরো সংবাদ