তীব্র শীতে কুড়িগ্রামের জনজীবন বিপর্যস্ত

প্রকাশিত: ১৪ জানুয়ারী, ২০২১ ০১:২৭:১৬

তীব্র শীতে কুড়িগ্রামের জনজীবন বিপর্যস্ত

কুড়িগ্রামে তীব্র শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন।তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে নিচে নামছে।এর ফলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহটি বৃহস্পতিবার সকাল থেকে মাঝারি আকার ধারণ করেছে।তাপমাত্রা গত ২৪ ঘন্টায় ১ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে ৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে এসেছে।

এদিকে সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়েছিল চারদিক।এ সময় পর্যন্ত দুর্ঘটনা এড়াতে যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে হয়েছে।
এরপর সূর্যের মুখ দেখা গেলেও তার আলোতে কাঙিক্ষত উত্তাপ পাওয়া যাচ্ছে না।পাশাপাশি বইছে কনকনে হিমেল হাওয়া।ফলে রাত থেকে সকাল পর্যন্ত ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে বেশি।এই পরিস্থিতিতে অতিদরিদ্র এবং দিন এনে দিন খাওয়া শ্রমজীবী মানুষদের দুর্ভোগের অন্ত নেই।

সকালে সদর উপজেলার চর কুড়িগ্রাম, সুভারকুটি ও পলাশবাড়ি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অতিদরিদ্র মানুষেরা প্রয়োজনীয় শীত বস্ত্রের অভাবে লতাপাতা ও খড়কুটোতে আগুন জ্বালিয় তারই উত্তাপে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।
এদিকে জেলার রাজারহাটে অবস্থিত কৃষি ও সিনপটিক আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানিয়েছেন, মৃদু শৈত্যপ্রবাহটি বৃহস্পতিবার সকাল থেকে মাঝারি আকার ধারণ করেছে।কমেছে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ব্যবধান।সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়েছিল চারদিক।ফলে এ সময় ঠান্ডা অনুভূত হয়েছে বেশি।তবে আকাশে মেঘ না থাকায় সকালের পর সূর্যের মুখ দেখা গেলও উত্তাপ কম।
তিনি আরও জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

জেলা ত্রাণ ও পূণর্বাসন কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাই সরকার জানিয়েছেন, শীতার্ত দুঃস্থ পরিবারগুলোর সহায়তায় সরকারিভাবে এ পর্যন্ত জেলার ৯ উপজেলায় ৩৫ হাজার কম্বল, চাহিদা অনুযায়ী শীতবস্ত্র কিনে বিতরণের জন্য ৬৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ৯ হাজার শুকনো খাবারের প্যাকেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।এছাড়া বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন ও স্বেচ্ছাসেবী  সংগঠনের পক্ষ থেকে শীতার্ত দুঃস্থদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ অব্যাহত আছে।


প্রজন্মনিউজ২৪/হারুন

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন



আরো সংবাদ