ঢাকার আশুলিয়ায় আসিফ হত্যার ১৭ দিন পর গ্রেফতার ২

প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর, ২০২০ ০৯:৫৩:৫০

ঢাকার আশুলিয়ায় আসিফ হত্যার ১৭ দিন পর গ্রেফতার ২

ঢাকা আশুলিয়ার কলতাসূতী এলাকায় নিখোঁজের দুই দিন পর আসিফ (৮) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এ হত্যাকাণ্ডের ১৭ দিন পর শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ভোরে  যৌথ অভিযানে আশুলিয়ার কলতাসুতী এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে আশুলিয়া থানা পুলিশ ও ঢাকা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এরপর দুপুরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়।

শুক্রবার রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন সাভার ডিবির পুলিশের উপ-পরিদর্শক আশরাফুল আলম। গ্রেফতাররা হলেন নাটোর জেলার গুরুদাশপুর থানার নিতাই কর্মকারের ছেলে অন্ন কর্মকার (৩২) ও তার শ্যালকে টাঙ্গাইল জেলা সদর থানার গবিন্দ কর্মকারের ছেলে নেপাল কর্মকার (১৪)। তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

এর আগে গত ১৩ অক্টোবর সকালে আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের পূর্ব-কলতাসুতি এলাকার একটি শ্রমিক কলোনির গলি থেকে ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত আসিফ ওই এলাকার জুয়েল রানার ছেলে। সে স্থানীয় দিপারোজ স্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণিতে লেখাপড়া করত।

পুলিশ জানায়, ওই এলাকার একই বাড়ির ভাড়াটিয়া নিহত আসিফের পরিবার ও অন্ন কর্মকারের শ্যালক নেপাল কর্মকারকে (১৩) নিয়ে ভাড়া এক ইউনিটে থাকতো। নেপাল কর্মকার বাসাতেই থাকতো এবং আসিফসহ অন্যদের সঙ্গে খেলাধুলা করতো। তবে আসিফ প্রায়ই নেপাল দাশকে গালাগালি করতো। 

ঘটনার দিনও তাদের দ্বন্দ্ব হলে আসিফকে তার মা ঘরের ভেতর আটকিয়ে রাখে। বিকেলে ছেড়ে দিলে নেপাল কর্মকার তাকে ফ্যানের মোটর দেওয়ার কথা বলে রুমে নিয়ে যায়। মোটর দেওয়ার পরেও সে গালাগালি করলে আসিফের গলা টিপে ধরে নেপাল। সে নিস্তেজ হয়ে গেলে বিছানায় রেখে আবার গলায় পা দিয়ে চেপে ধরলে আসিফ মারা যায়। পরে তাকে তার ওয়ারড্রপে লুকিয়ে রাখে। 

এদিকে সন্ধ্যায় আসিফকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। পরে রাত ৯টায় নেপালের ভগ্নিপতি অন্ন কর্মকার বাসায় এলে তাকে ঘটনা খুলে বলে নেপাল। কোনো উপায় না পেয়ে ১২ অক্টোবর রাত ৩টার দিকে আসিফকে ওই গলিতে ফেলে দেয় অন্ন কর্মকার। 

পরে ১৩ অক্টোর সকালে আসিফের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এদিন রাতেই নিহত শিশুর বাবা জুয়েল রানা বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় ৭ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামী করে মামলা করেন।

ঢাকা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপ-পরিদর্শক  আশরাফুল আলম বলেন, এ ঘটনায় মামলা হলে তদন্ত শুরু করি। পরে তদন্তসাপেক্ষে শুক্রবার তাদের গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়। তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।


প্রজন্মনিউজ২৪/সাখাওয়াত

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন



A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Undefined index: category

Filename: blog/details.php

Line Number: 417

Backtrace:

File: /home/projonmonews24/public_html/application/views/blog/details.php
Line: 417
Function: _error_handler

File: /home/projonmonews24/public_html/application/views/template.php
Line: 199
Function: view

File: /home/projonmonews24/public_html/application/controllers/Article.php
Line: 87
Function: view

File: /home/projonmonews24/public_html/index.php
Line: 315
Function: require_once

বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আরো সংবাদ