দামুড়হুদায় জোড়া খুন: আদালতে একজনের দায় স্বীকার

প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর, ২০২০ ০৪:১০:০২ || পরিবর্তিত: ১৫ অক্টোবর, ২০২০ ০৪:১০:০২

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদার গোবিন্দপুরে দম্পতি খুনের রহস্য উম্মোচনে মিঠুন আলী নামে একজনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দিবাগত রাতে জবানবন্দি গ্রহণ করেন দামুড়হুদার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মানিক দাস।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দামুড়হুদা উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের ইয়ার আলি ও তার স্ত্রী রোজিনা খাতুনকে গলাকেটে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া তিন আসামির কাছ থেকে তথ্য পেয়ে একই গ্রামের ঈমান আলির ছেলে মিঠুনকে আটক করা হয়। পর তাকে চুয়াডাঙ্গা সিনিয়র জুড়িশিয়াল আদালতে হাজির করা হয়। মিঠুন এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করে। বিচারক মানিক দাস তার স্বীকারোক্তি রের্কড করেন। পর তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল খালেক জানান, দম্পতি হত্যাকাণ্ডের জট অনেকটা খুলতে শুরু করেছে। বেশ কয়েকটি বিষয় সামনে রেখে পুলিশ তদন্তকাজ এগিয়ে নিচ্ছে। তদন্তে মিঠুনের নাম পাওয়া গেলে তাকে আটক করে আদালতে তোলা হয়। মিঠুন আদালতে স্বীকার করেছে যে, সেসহ কয়েকজন মিলে এ হত্যাকাণ্ড  ঘটিয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও যারা জড়িত তাদেরও আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে মামলার তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত বলেননি ওসি।

উল্লেখ্য, দামুড়হুদার গোবিন্দপুর গ্রামে নিজ শয়নকক্ষে খাটের ওপর হিপাত মোল্লার ছেলে ইয়ার আলী (৫৫) এবং তার তৃতীয় স্ত্রী রোজিনা খাতুনকে (৪৫) ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলাকেটে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। গত ৪ অক্টোবর তাদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর নিহতদের জামাতা শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে ৯ জনকে সন্দেহভাজন আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ এ মামলায় ইয়ার আলীর সাবেক দ্বিতীয় স্ত্রী ও তার ভাতিজাসহ তিন জনকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠান।

প্রজন্মনিউজ২৪/আক্তার

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন



আরো সংবাদ