স্বল্প মূল্যে করোনার ভ্যাকসিন পাবে বাংলাদেশও!

প্রকাশিত: ০৯ অগাস্ট, ২০২০ ০৩:২১:২১ || পরিবর্তিত: ০৯ অগাস্ট, ২০২০ ০৩:২১:২১

করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন বা টিকা আবিষ্কারে মরিয়া হয়ে উঠেছে পুরো বিশ্ব। করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কারে অনেকটাই এগিয়ে গেছে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও যুক্তরাষ্ট্রের নোভাভ্যাক্স। এ দুটির কোনো একটি ভ্যাকসিন সফল হলেই তার সুফল পাবে বাংলাদেশও। বিশ্বের নিম্ন ও নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে স্বল্প মূল্যে দেওয়া হবে ভ্যাকসিন।

গত শুক্রবার বিষয়টি জানিয়েছে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে ভ্যাকসিন সহায়তা দেওয়া প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনস অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন (গ্যাভি)। তারা বাংলাদেশসহ ৯২টি দেশের জন্য সুখবর দিয়েছে।

এক বিবৃতিতে গ্যাভি বলেছে, ২০২১ সালে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর জন্য সম্ভাব্য নিরাপদ ও কার্যকর ভ্যাকসিনের ১০ কোটি ডোজ উৎপাদন ও বিতরণ ত্বরান্বিত করতে সিরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া (এসআইআই), গ্যাভি ও বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস একটি চুক্তি করেছে।

এ ত্রিপক্ষীয় চুক্তির আওতায় অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও নোভাভ্যাক্সের করোনা ভ্যাকসিন অনুমোদন পাওয়ার পর ১০ কোটি ডোজ তৈরি করে বিভিন্ন দেশে সরবরাহ করা হবে। আর এই সরবরাহের দায়িত্বে থাকবে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট। এ জন্য ওই প্রতিষ্ঠানকে ১৫ কোটি ডলার তহবিল দেবে বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন। চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি ডোজ ভ্যাকসিনের দাম পড়বে সর্বোচ্চ তিন ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় ২৫৪ টাকা।

করোনার ভ্যাকসিন উদ্ভাবনে যেসব প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আছে তাদের সঙ্গে আগাম ক্রয় চুক্তি করে সম্ভাব্য টিকা পাওয়া নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। যেসব দেশের বেশি অর্থ ও প্রভাব রয়েছে তাদেরই করোনার ভ্যাকসিন প্রাপ্তিতে অগ্রাধিকারের বিষয়টি স্পষ্ট ছিল। তবে গত গ্যাভি, বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ও সিরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ার উদ্যোগের ফলে বিশ্বের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কাছেও দ্রুত ভ্যাকসিন পৌঁছানোর সুযোগ সৃষ্টি হলো।

গ্যাভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. সেথ বার্কেল বলেন, ‘অনেকবার আমরা দেখেছি, ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলো নতুন চিকিৎসা, রোগ পরীক্ষা ও নতুন টিকা পাওয়ার দৌড়ে পেছনে পড়ে থাকে। করোনার টিকার ক্ষেত্রে আমরা এমনটি চাই না।’

তিনি বলেন, ‘যদি ধনী দেশগুলোই শুধু সুরক্ষিত হয় তাহলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, শিল্প ও সমাজ মহামারিতে বিপর্যস্ত হতে থাকবে। এমনটি যাতে না ঘটে সে জন্য আমাদের এই নতুন সহযোগিতা চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এটি শুধু কয়েকটি ধনী দেশ নয়, সব দেশের জন্য টিকা উৎপাদনের জন্য সামর্থ্য তৈরির উদ্যোগ। আমরা চাই সিরামের অন্যান্য ভ্যাকসিন উৎপাদকরাও এভাবে এগিয়ে আসবে।’

গত সপ্তাহে গ্যাভির পরিচালনা বোর্ড এএমসির আওতায় সহযোগিতা দেওয়া হবে এমন ৯২টি দেশের তালিকা চূড়ান্ত করেছে। ত্রিপক্ষীয় চুক্তি অনুসারে, অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কার্যকরী প্রমাণ হলে গ্যাভির সহযোগিতার লাভের তালিকায় থাকা ৫৭টি দেশ তা পাবে। আর যদি নোভাভ্যাক্সের টিকা তৈরির উদ্যোগ সফল হয় তাহলে গ্যাভির তালিকায় থাকা ৫৭টি দেশসহ মোট ৯২টি দেশ এ সুবিধা পাবে। বাংলাদেশ গ্যাভির সহযোগিতা পাওয়ার যোগ্য ৫৭টি দেশের তালিকায় আছে।

প্রজন্মনিউজ২৪/ওসমান
 

এ সম্পর্কিত খবর

আরব বিশ্বাসঘাতকরা ইসরায়িলকে সহযোগিতা করছে

উদ্বোধনের অপেক্ষায় উত্তরবঙ্গের প্রথম মাল্টিপ্লেক্স

দুই নায়িকা নিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শাকিব

৯ শতাংশের বেশি পেঁয়াজের এলসির সুদ না রাখার নির্দেশ

বিদেশি পর্যটকদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ভিসা চালু করছে থাইল্যান্ড

কুষ্টিয়া: কোটি টাকার সম্পত্তি দখলে নিয়েছে চক্র

পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধে অনুতপ্ত ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জার্মানিতে ঠাঁই পাচ্ছে গ্রিসের বিভিন্ন দ্বীপের ১৫০০ শরণার্থী

সাহেদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দাবি রাষ্ট্রপক্ষের

চাকরিপ্রার্থীরা সব চাকরিতে বয়সের ছাড় পাবেন না

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন





ব্রেকিং নিউজ