কাওছারের নতুন গাণিতিক সূত্র আবিষ্কার, অর্জন করলেন শ্রেষ্ঠ গবেষণা পুরস্কার

প্রকাশিত: ২০ জুলাই, ২০২০ ০৪:০৫:২৯

কাওছারের নতুন গাণিতিক সূত্র আবিষ্কার, অর্জন করলেন শ্রেষ্ঠ গবেষণা পুরস্কার

ফাহাদ হোসেন, নোবিপ্রবি প্রতিনিধি: মেশিন লার্নিং সম্পর্কিত নতুন  গাণিতিক সূত্র আবিষ্কার করে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) শিক্ষার্থী ও তরুণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষক   আহমেদ কাওছার আবারো পেলেন শ্রেষ্ঠ গবেষণা পুরস্কার। কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তায় গবেষণায় অবদান রেখে   এ নিয়ে বহুবার পুরস্কৃত হয়েছেন এই তরুন গবেষক।

১৯ জুলাই ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন কম্পিউটার এন্ড কমিউনিকেশন ম্যানেজমেন্ট ২০২০ এর ভার্সুয়াল কনফারেন্স শেষে শ্রেষ্ঠ গবেষণা পুরস্কারের জন্য কাওছারের নাম ঘোষণা করা হয়। এর আগে তিন দিন ব্যাপী ভার্চুয়াল কনফারেন্সে অংশ নিয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মনোনীত ৫৫ জন গবেষক তাদের গবেষণা পত্র উপস্থাপন করে।

এসোসিয়েশন ফর কম্পিউটিং মেশিনারি (এসিএম) এবং ইন্টারন্যাশনাল এসোসিয়েশন অফ কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি (আইএসিএসটিআই) উক্ত কনফারেন্স এর আয়োজন করে। কনফারেন্স শেষে একটি মেইলের মাধ্যমে তাকে পুরস্কারের জন্য তথ্য দিতে বলা হয়েছে। আগামী ৫ দিনের মধ্যে তাকে সনদ দেয়া হবে এবং আর্থিকভাবে পুরষ্কৃত করা হবে। আহমেদ কাওছার ইম্পেক্ট লার্নিং নামে নতুন একটি গানিতিক সুত্র বা এলগিরদম ডেভালোপ করেছেন। উক্ত কনফারেন্সে এটির গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন তিনি।

কাওছার জানান, তার এই আবিষ্কার দিয়ে মেশিং লার্নিং, ডেটা সায়েন্স , আর্টিফিশিয়াল ইন্টিল্যাজেন্স , পরিসংখ্যান কিংবা মেথমেটিকস এর লিনিয়ার সেপারেশনের রিগ্রেশন ও ক্লাসিফিকেশন এর সমস্যা সমাধান করা যাবে।

উল্লেখ্য, কাওছার স্নাতক শেষ করেই কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তায় বিশেষ অবদান রাখতে শুরু করেন। এতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক একাধিক সংস্থা থেকে স্বীকৃতি পেয়েছেন। এই পর্যন্ত দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ৪ টি শ্রেষ্ঠ গবেষণা পুরস্কার পেয়েছেন। সেগুলো হল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত আইইই , ইন্ডিয়ান রিসার্স সোসাইটি আয়োজিত স্কোপাস-ইলসভিয়ার, ডেফোডিল ইন্টার্ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি আয়োজিত স্পিঞ্জার এবং সিঙ্গাপুরে এসিএম- আএসিএসটিআই আয়োজিত আইসিসিসিসিএম- ২০২০।

তিনি আরো ২ টি মেশিং লার্নিং এবং এনএলপি এর গাণিতিক সুত্র  এলগরিদম ডেভালোপ করেছেন। করোনাকালীন পরিস্থিতিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পূর্ণ " ডাক্তার করোনা " এপ্যাস তৈরি করে সারাদেশে বেশ সাড়া ফেলেন। " ডাক্তার করোনা " এপ্যাসের মাধ্যমে চিকিৎসকের অনুপস্থিততে করোনার প্রাথমিক লক্ষণ সনাক্ত করে ব্যবস্হা গ্রহণ করা সম্ভব। বর্তমানে তিনি হিসাব লিমিটেড এ আর্টিফিশিয়াল ইন্টিল্যাজেন্স সাইন্টিস্ট হিসেবে কাজ করছেন।

প্রজন্মনিউজ২৪/ফরিদ

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন



আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ












ব্রেকিং নিউজ