এরশাদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত: ১৬ জুলাই, ২০২০ ১১:৫৭:০৪

সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
 জাতীয় যুবসংহতি ঢাকা মহানগর উত্তরের আয়োজনে বুধবার জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জাতীয় পার্টির  চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের বলেছেন, যত দিন যাবে মানুষ উপলব্ধি করতে পারবে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের অবদান। মানুষ মূল্যায়ন করতে শুরু করেছে তার কল্যাণময় কীর্তি। এরশাদ ছিলেন একজন সফল মানুষ।তিনি উপজেলা পরিষদ সৃষ্টি করে শহরের সেবা তৃণমূলে পৌঁছে দিয়েছেন। বিচার ব্যবস্থা বিকেন্দ্রীকরণ করে উপজেলা পর্যায়ে মুন্সেফ কোর্ট এবং বড় বড় শহরে হাইকোর্টের বেঞ্চ গঠন করেছিলেন। ঔষধ নীতি করে বাংলাদেশের ঔষধ শিল্পের বিকাশে অবদান রেখেছেন। আবার স্বাস্থ্য ও শিক্ষানীতি করে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চেষ্টা করেছিলেন।
সভায় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান বলেন, কোটি মানুষের জন্য কল্যাণময় কাজ করলেও কিছু সুবিধাভোগী মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন। সুবিধাভোগীরাই এরশাদের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছিলেন। সুবিধাভোগী গোষ্ঠীর অপপ্রচার ও কুৎসা রটনাকালেও ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের দুঃসময়ে ৫টি করে আসনে নির্বাচিত হয়ে অনন্য রেকর্ড করেছেন।
এসময় জাতীয় পার্টি মহাসচিব ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, জাতীয় পার্টি গণমানুষের আস্থা নিয়ে আবারও দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পাবে। একটি মহল জাতীয় পার্টিতে বিভেদ সৃষ্টি করতে চায়। জাতীয় পার্টি যেন এগিয়ে যেতে না পারে সেজন্য ষড়যন্ত্র চলছে। তবে সব ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে জাতীয় পার্টিকে এগিয়ে নিতে হবে।
জাতীয় যুবসংহতি ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক ফজলুল হক ফজলুর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন- প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভরায়, যুগ্ম মহাসচিব ও জাতীয় যুবসংহতির সাধারণ সম্পাদক ফখরুল আহসান শাহজাদা, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মঞ্জুর হোসেন মঞ্জু, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবসংহতির সদস্য সচিব মঞ্জুরুল হক মঞ্জু, জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাদেক সরদার বাদল, যুগ্ম দফতর সম্পাদক ও জাতীয় যুবসংহতির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ আলম।
দোয়া ও মিলাদ মাহফিল : মঙ্গলবার রাজধানীর উত্তরা ৫নং সেক্টরের ২নং রোডের ৫১নং হাউসের একটি রেস্টুরেন্টে সাবেক এমপি এইচএম শাহরিয়ার আসিফের আয়োজনে এরশাদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সোলায়মান আলম শেঠ, কারী হাবিবুল্লাহ বেলালী, ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন রাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা মিজানুর রহমান, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান আকাশ, পল্লীবন্ধু পরিষদের সদস্য সচিব নিয়াজ আলী ভূঁইয়া, কেন্দ্রী নেতা আশরাফ সুমন, কেন্দ্রীয় ধর্মবিষয়ক সম্পাদক মাওলানা জোবায়ের হোসেন, কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মিন্টু, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক মাহমুদ আলম, কেন্দ্রীয় নেতা রেজাউল করিম রেজা, কেন্দ্রীয় সাবেক ছাত্রসমাজ নেতা শফিকুল ইসলাম দুলাল, ঢাকা জেলা শ্রমিক পার্টির সভাপতি আল-কামরান, টঙ্গী থানা জাতীয় যুবসংহতির সভাপতি মো. ইউনুস, কেন্দ্রীয় যুবনেতা জিল্লর রহমান, তুরাগ থানা সাংগঠনিক সম্পাদক হেলাল উদ্দিন সরকারসহ কয়েকশ’ নেতাকর্মী। সাবেক এমপি এইচএম শাহরিয়ার আসিফ বলেন, পল্লীবন্ধু এরশাদ সারা জীবন দেশসেবায় কাটিয়ে গেছেন। সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে কাজ করে গেছেন।
প্রজন্মনিউজ২৪/জহুরুল হক

 

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন



আরো সংবাদ