আজিমপুর মাতৃসদন ২৫ জনকে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত: ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০৪:৫৩:৪৭ || পরিবর্তিত: ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০৪:৫৩:৪৭

বেশি দামে ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম কিনে ৫ কোটি ২১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আজিমপুর মাতৃসদন ও শিশু স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধায়ক ইসরাত জাহানসহ ২৫ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বেশি দামে ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম কিনে ৫ কোটি ২১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আজিমপুর মাতৃসদন ও শিশু স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধায়ক ইসরাত জাহানসহ ২৫ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) ইমিগ্রেশন বরাবর পাঠানো চিঠিতে ২৫ জনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা আরোপের অনুরোধ জানায় দুদক।

দুদকের উপ-পরিচালক আবুবকর সিদ্দিকের সই করা চিঠির সূত্রে বিষয়টি জানা গেছে।

এর আগে মঙ্গলবার তাদের বিরুদ্ধে পৃথক চারটি মামলা দায়ের করেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. আবুবকর সিদ্দিক।  মামলা দায়ের করার পরপরই আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

মামলায় ১৭ জন চিকিৎসক ও সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের আটজনকে আসামি করা হয়।

মামলার  আসামিরা হলেন- আজিমপুর মাতৃসদন ও শিশু স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধায়ক ইসরাত জাহান, পরিবারকল্যাণ পরিদর্শিকা প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের সাবেক অধ্যক্ষ ও দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সদস্য পারভীন হক চৌধুরী, মাতৃসদনের সাবেক সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সদস্য মাহফুজা খাতুন, সাবেক সহকারী কো-অর্ডিনেটর (ট্রেনিং অ‌্যান্ড রিসার্চ) ও দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সদস্য চিন্ময় কান্তি দাস, সাবেক মেডিক‌্যাল অফিসার ও দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সদস্য সাইফুল ইসলাম, মেডিক‌্যাল অফিসার (শিশু) ও বাজারদর যাচাই কমিটির সদস্য মাহফুজা দিলারা আকতার, মাতৃসদনের মেডিক‌্যাল অফিসার ও বাজারদর যাচাই কমিটি সদস্য নাজরিনা বেগম, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও বাজারদর যাচাই কমিটির সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম, পরিবারকল্যাণ পরিদর্শিকা প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সদস্য জেবুন্নেসা হোসেন, সিনিয়র কনসালট্যান্ট (গাইনি) ও বাজারদর যাচাই কমিটির সভাপতি রওশন হোসনে জাহান, মাতৃসদনের সাবেক সহকারী কো-অর্ডিনেটর (ট্রেনিং অ‌্যান্ড রিসার্চ) ও পরিবার পরিকল্পনার অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. লুৎফুল কবীর খান, মেডিক‌্যাল অফিসার ও দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সদস্য রওশন জাহান, সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হালিমা খাতুন, মাতৃসদনের বিভাগীয় প্রধান (শিশু) ও বাজারদর যাচাই কমিটির সদস্য মো. আমীর হোচাইন, সাবেক সমাজসেবা কর্মকর্তা ও বাজারদর যাচাই কমিটির সদস্য মোছা. রইছা খাতুন ও সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান।

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক কাজী গোলাম আহসান, সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নাছির উদ্দিন, জুনিয়র কনসালট্যান্ট (শিশু) নাদিরা আফরোজ, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. নাছের উদ্দিন, সমাজসেবা কর্মকর্তা বিলকিস আক্তার ও মেডিক‌্যাল অফিসার আলেয়া ফেরদৌসি।

ঠিকাদারদের মধ্যে যাদের আসামি করা হয়েছে- মনার্ক এস্টাব্লিশমেন্টের মালিক মো. ফাতে নূর ইসলাম, মেসার্স নাফিসা বিজনেস কর্নারের মালিক শেখ ইদ্রিস উদ্দিন (চঞ্চল), সান্ত্বনা ট্রেডার্সের মালিক নিজামুর রহমান চৌধুরী।

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন



আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ