পরিবারে আর্থিক সংকটের কারনে বেড়েই চলেছে শিশুশ্রম

প্রকাশিত: ২৫ নভেম্বর, ২০১৯ ১১:৪১:৪৮

বাংলাদেশ প্রেক্ষাপটে অর্থনৈতিক দুরবস্থা হচ্ছে শিশু শ্রমের প্রধান কারণ। লেখাপড়ার খরচ দিতে না পেরে এবং সংসারের অসচ্ছলতার গ্লানি একজন মা-বাবাকে বাধ্য করে তার সন্তানকে শ্রমে নিযুক্ত করতে।বাংলাদেশে শিশুশ্রমিকের সংখ্যা ৫ থেকে ১৪ বছর বয়সী মোট শিশু জনসংখ্যার ১৯%, ছেলেশিশুদের ক্ষেত্রে এই হার ২১.৯% এবং মেয়ে শিশুদের ক্ষেত্রে তা ১৬.১%। অর্থনীতির খাত অনুযায়ী শিশুশ্রমিকদের বণ্টনের চিত্র হচ্ছে: কৃষি ৩৫%, শিল্প ৮%, পরিবহণ ২%, অন্যান্য সেবা ১০% এবং গার্হস্থ্যকর্ম ১৫%। কিন্তু পরিবহন খাতে শিশুশ্রমের ক্ষেত্রে লিঙ্গ বৈষম্য ব্যাপক।

তবে শিশুশ্রম নিয়োগের প্রায় ৯৫%-ই ঘটে অনানুষ্ঠানিক খাতে। এদের জন্য সাপ্তাহিক গড় কর্মঘণ্টা আনুমানিক ৪৫ এবং মাসিক বেতন ৫০০ টাকার নিচে। মেয়ে শিশুশ্রমিকের মাসিক বেতন ছেলে শিশুশ্রমিকের তুলনায় গড়ে প্রায় ১০০ টাকা কম। বাংলাদেশের আনুমানিক ২০% পরিবারে ৫ থেকে ১৪ বছরের কর্মজীবী শিশু রয়েছে। এই সংখ্যা শহরের পরিবারগুলির জন্য ১৭% এবং গ্রামীণ পরিবারের জন্য ২৩গাইবান্ধায় একজন রিকশা চালক শিশুর সাথে কথা বললে সে বলে। বাবা মা যা রোজগার করে তাদিয়ে কোনমত দিন পার হচ্ছে না। ফলে পরিবারে লেগেই থাকছে অভাব অনটন তাই পড়ালেখা ছেরে বাধ্যহয়ে রিকশা চালাই। তার দৈনিক রোজগার এর কথা জিঙ্গেস করলে সে বলে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা । তবে রিকশা চালকতুহিন জানিয়েছে আর্থিক সহায়তা পেলে আবার পড়ালেখা শুরু করবে।

 

 

প্রজন্মনিউজ২৪/মোঃনাজমুল/আঃমান্নান

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন