দুর্নীতির আখড়ায় পরিনত হয়েছে গাইবান্ধার সড়ক ও জনপথ বিভাগ

প্রকাশিত: ০৯ নভেম্বর, ২০১৯ ০৪:১৬:১৪

প্রতিনিধি, গাইবান্ধা: ২০১৬ সালে ১৩ অক্টোবর গাইবান্ধায় সরক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে যোগদান করেন আসাদুজ্জামান বর্তমান কর্মস্থল গাইবান্ধায় তিনি ৩ বছর পূর্ণ করেছেন। জানা যায় তিনি যোগদান করার পড় থেকে বেশ কয়েকটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সাথে আতাত করে সড়ক বিভাগে বৃহত্তর একটি সিন্ডিকেট তৈরী করেছেন। ফলে সড়ক ও জনপথ বিভাগ দুর্নীতি অনিয়মের আখড়ায় পরিনত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দুর্নীতি পরিচালনা করেন এই কর্মকর্তা। স্থানীয় রাজনীতির দলের নেতাদের সাথে যেমন তার রয়েছে সু সম্পর্ক। তেমনি সাংবাদিকদের সাথে রয়েছে তার সখ্যতা। তার সময়ের গাইবান্ধায় এক হাজার  কোটি টাকার ও বেশি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে। প্রতিটি কাজের গুনগত মান নিয়ে একাধিক বার প্রশ্ন ওঠেছে। উল্লেখযোগ্য প্রকল্প সমুহের মধ্যে শতকোটি টাকা ব্যায়ে গাইবান্ধা সাঘাটা ফুলছড়ি নতুন সড়ক নির্মিত হয়েছে।

অপরিকল্পিত ও নিম্ন মানের নির্মান সামগ্রী ব্যাবহারের ফলে নির্মানের তিন মাসের মাথায় বন্যায় এই সড়কের বৃহত্তর অংশ ভেঙ্গে যায়। বেশ কয়েকটি ব্রীজ কালভার্ট চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যায়। ফলে বেশ কিছু দিন সাঘাটা ফুলছড়ি সড়কের সাথে গাইবান্ধার সড়ক যোগাযোগ ব্যাবস্থা বন্ধ হয়েছিল। নির্ভর যোগ্য সুত্রে জানাযায়,  সিন্ডিকেটের কারনে এই রাস্তায় পর দরপত্র দুই বার টেন্ডার বাতিল করা হয়।

তৃতীয় দফায় দরপত্রে কাজ দেয়া হয় সড়ক বিভাগ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আইসিসি প্যারাডাইস এবং  এমএম বিল্ডার্স ও মতলুবুর রহমান এই তিনটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ প্রদান করা হয়।  জানা যায় বিগত ৩ ববছরের প্রতিটি প্রকল্প বাস্তবায়নের ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের আশ্রয় গ্রহণ করেছেন এই কর্মকর্তা।  এসব প্রকল্পে অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাহী প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান জানান" আমরা কেউ সুফি কিংবা সাধু না। কাজ করলে ছোট খাটো অনিয়ম থাকবে। সব কিছু ম্যানেজ করেই তাকে চলতে হয়" ।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর রংপুর বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী একিউএম একরাম উল্লা বলেন একই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান একাধিক কাজ যাতে না পায় সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে সুপারিশ প্রদান করা হয়েছে।তবে তাদের কাজের গুনগত মান যাচাইয়ের দায়িত্ব সড়ক ও জনপথ বিভাগের। এক্ষেত্রে কোন কর্মকর্তা দায়িত্ব এড়ানোর চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রজন্মনিউজ২৪/ আজাদ / মামুন

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন