কতৃপক্ষের উদাসীনতায় চরম দূর্ভোগে গাইবান্ধা সদর হাসপাতাল

প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর, ২০১৯ ১১:৪২:৫৫

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি : যথেষ্ট পরিমান জায়গা ও জনবল সহ বিভিন্ন  সমস্যায় জর্জরিত গাইবান্ধা জেলা হাসপাতাল। যার ফলে যথেষ্টসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ রোগীরা।বিগত ২০১৪ সালে ২০০ শয্যার অনুমোদন পাওয়া এই হাসপাতাটিতে।  কিন্তু বর্তমানে ১০০ শয্যার অনুমোদন আছে। এরপরও ৩৯টি পদ শূন্য রয়েছে। শূন্য পদের মধ্যে চিকিৎসক ২০ জন ও অন্যান্য পদে ১৯ জন।

এত কম জনবল দিয়ে প্রতিদিনই হাসপাতালে ৩০০ এর অধিক রোগী ভর্তি নেওয়া হচ্ছে। আর জরুরি ও বহির্বিভাগ মিলে হাসপাতালে সহস্রাধিক রোগী চিকিৎসা সেবা নেন এই হাসপাতালটিতে। নারী,পুরুষ ও শিশু সহ ডায়রিয়া এবং গাইনি বিভাগ,সবগুলো বিভাগেই বেড ও জায়গার চরম সংকট রয়েছে। ফলে হাসপাতালের কক্ষের ভেতরে ও বারান্দার মেঝেতে গাদাগাদি করে রোগীদের চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

অনেকে বেড না পেয়ে মেঝেতে শুধু চাদর বিছিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আর দোতলায় মহিলা ওয়ার্ডের বারান্দায় ফ্যান না থাকায় রোগীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এছাড়া হাসপাতাল চত্বর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং ভালো চিকিৎসার বিষয়ে কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা লক্ষ্য করা গেছে। নাম প্রকাশ না করা শর্তে হাসপাতালের একজন নার্স জানান, প্রতিদিন এই বিপুল সংখ্যক রোগী সামলানো অত্যন্ত কষ্টকর।

কেননা ১০০ রোগীর নার্স দিয়ে ৩০০ বা তারও অধিক রোগীর সেবা দিতে হয়। এতে নার্সদের অনেক সমস্যায় পড়তে হয়। এসব বিষয়ে হাসপাতালটির তত্ত্বাবধায়ক "ডা. মো. মাহফুজার রহমান" বলেন, যে সব পদ শূন্য আছে সে পদগুলোতে জনবল চেয়ে অসংখ্যবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তালিকা পাঠানো হয়েছে। কিন্তু আজও জনবল পাওয়া যায়নি।

তবে চিকিৎসা সহায়ক উপকরণ সংকট নিরসন করা হচ্ছে এবং রোগীদের কাঙ্ক্ষিত সেবা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সন্ধানী ডোনার ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক "নয়ন চন্দ্র রায়" বলেন, ‘হাসপাতালে দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চক্ষু এবং নাক-কান-গলার কোনো চিকিৎসক নেই। আর আজ পর্যন্ত এ হাসপাতালে চর্ম ও যৌন রোগের কোনো চিকিৎসক দেখা যায়নি। ফলে অনেক রোগীরা কাঙ্ক্ষিত সেবা না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে যান।

প্রজন্মনিউজ২৪/ আজাদ/ মামুন

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন



আরো সংবাদ