আবরার হত্যা

অমিত সাহা ছাত্রলীগ থেকে স্থায়ী বহিষ্কার

প্রকাশিত: ১৪ অক্টোবর, ২০১৯ ০৪:১৮:০৮

বুয়েটের ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়টি সংগঠনের তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের আইনবিষয়ক উপ-সম্পাদক অমিত সাহাকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। সোমবার ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অমিত সাহাকে বহিষ্কারের বিষয়টি জানানো হয়।

ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আল নাহিয়ান খান জয় ও লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সংগঠনের দুই সদস্যের কমিটির অধিকতর তদন্তে এ তথ্য উঠে এসেছে, অমিত সাহা ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে (ফেসবুকে) কথোপকথনের সাহায্যে সে ওই ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় অমিত সাহাকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হলো।

গত বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) সকালে ঢাকার সবুজবাগ থেকে অমিত সাহাকে আটক করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। বুয়েটের শেরেবাংলা হলের যে ২০১১ নম্বর কক্ষে আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়; সেই কক্ষটি অমিত সাহার। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় অমিত সাহা আবরারের এক বন্ধুকে মেসেজ দিয়ে জানতে চান ‘আবরার ফাহাদ হলে আছে কিনা। মেসেজের এক ঘণ্টার মধ্যেই শেরেবাংলা হলের ছাত্রলীগ নেতারা তাদের সহকর্মীদের আবরারের ১০১১ নম্বর কক্ষে পাঠিয়ে তাকে ২০১১ নম্বর কক্ষে নিয়ে আসার নির্দেশ দেন।

প্রসঙ্গত, আবরার ফাহাদকে গত ৬ অক্টোবর রাতে নিজের কক্ষ থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। নিহত আবরার বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি শেরে বাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন। পরদিন ৭ অক্টোবর আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

মামলায় ১৯ জনকে আসামি করা হয়েছে, যারা সবাই ছাত্রলীগের নেতাকর্মী। আসামিদের প্রায় সবাইকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। ১০ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর সবুজবাগ থানার রাজারবাগ কালীবাড়ি এলাকার একটি বাসা থেকে অমিত সাহাকে আটক করে ডিবি পুলিশ।

প্রজন্মনিউজ২৪/মামুন

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন



আরো সংবাদ