বশোমুরবিপ্রবি সাংবাদিক জিনিয়াকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার ও হয়রানির ঘটনায় ঢাকসাস'র মনববন্ধন

প্রকাশিত: ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১০:২৩:১৭

বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যাল শিক্ষার্থী  ও বশোমুরবিপ্রবি'র কর্মরত সাংবাদিক ফাতিমা তুজ জিনিয়াকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার ও হয়রানির ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি এবং ক্যাম্পাসে স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিতকরণের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশর আয়োজন করেছে ঢাকা কলেজ সাংবাদিক সমিতি ( ঢাকসাস)।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় ঢাকা কলেজ শহীদ মিনারের সামনে  এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধনে ঢাকসাস সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ সহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এমন সিদ্ধানে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে গণমাধ্যম ব্যাক্তিরা। সারাদেশের ক্যাম্পাস জার্নালিজমের ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটামে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে আসার মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সিদ্ধান্তের পরিবর্তন আনে।

আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ফাতেমা-তুজ-জিনিয়া পড়ালেখার পাশাপাশি 'দ্য ডেইলি সান' নামে একটি জাতীয় দৈনিকের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক হিসেবেও কাজ করেন।

আজ ফাতেমা-তুজ-জিনিয়ার সাথে মুঠোফোনে কথা হলে দেশ রুপান্তর জানায়, অামার সাংবাদিকতা ও ফেসবুক স্ট্যাটাসের জের ধরে সাময়িক বহিষ্কার করে কর্তৃপক্ষ। এখন আবার আইন বিভাগের শিক্ষক শিক্ষার্থীদের ক্ষমা চাওয়া এবং ভবিষ্যৎ বিবেচনা করে প্রত্যাহার আদেশ প্রত্যাহার করা হয় মর্মে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। যা মিথ্য, আমি কিংবা আমার কোন শিক্ষক ক্ষমা চায়নি বলেও দাবি করে এ শিক্ষার্থী।

গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়- গত ২২ আগস্ট প্রতিবেদন তৈরির জন্য উপাচার্য অধ্যাপক ড. খোন্দকার নাসির উদ্দিনের বক্তব্য নিতে তার কার্যালয়ে যান ‘ডেইলি সান’ পত্রিকার ক্যাম্পাস প্রতিবেদক ফাতেমা তুজ জিনিয়া। এসময় উপাচার্য তাকে বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া একটি স্ট্যাটাসের ব্যাখ্যা চান। কর্তব্যরত সাংবাদিক স্ট্যাটাসের ব্যাখ্যা দেন কিন্তু উপাচার্য তাকে হুমকি-ধামকি দেন ও অশোভন আচরণ করেন। এরপর গত ১১ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত এক আদেশে ফাতেমা তুজ জিনিয়াকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।

বশেমুরবিপ্রবির ভিসিকে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে ঢাকসাস সভাপতি মাহমুদুল হাসান বলেন, ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদেরকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। দুর্নীতির সাথে জড়িত কোন ব্যক্তি বশেমুরবিপ্রবি মত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে থাকার কোনো নৈতিক অধিকার রাখেন না। এসময় তিনি বশেমুরবিপ্রবির ভিসির অধ্যাপক ড.খোন্দকার নাসিরউদ্দিনের পদত্যাগের দাবি করেন।

মানবন্ধনে ঢাকসাস সভাপতি মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন দৈনিক যুগান্তর  সাংবাদিক ও ঢাকসাস সাধারণ সম্পাদক বিল্লাহ হোসেন সাগর  , সাংবাদিক আনাস  প্রমুখ।

প্রজন্মনিউজ২৪/রেজাউল

 

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন



আরো সংবাদ