মাঠে ভালো করলে নেপাল থেকে চ্যাম্পিয়ন হয়ে আসা সম্ভব : ফাহিম মোর্শেদ

প্রকাশিত: ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০৩:৩৯:১১

নাজমুল ইসলাম: ভালো করার মিশন নিয়েই আজ নেপাল যাচ্ছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৮ ফুটবল দল। সকাল সাড়ে দশটায় রওয়ানা হবে ৩০ সদস্যের দলটি।

অনূর্ধ্ব-১৮ দলে আছেন গোবিন্দগঞ্জের কৃতি সন্তান ২০১৫ সালে সিলেটে সাফগেমস অনুর্ধ্ব -১৬ দলের সাবেক অধিনায়ক সাফ চ্যাম্পিয়নের নায়ক ফাহিম মোর্শেদ।

দলের অন্যতম খেলোয়াড় মাঝ মাঠের কাণ্ডারি ফাহিম মোর্শেদ বলেন, আমরা যদি সবাই নিজ নিজ পজিশন থেকে নিজেদের সেরাটা দিতে পারি তাহলে ভালো রেজাল্ট করা সম্ভব। আমাদের দলের সব বিভাগের খেলোয়াড়রাই ভালো। মাঠে ভালো পারফরম্যান্স করতে পারলে নেপাল থেকে চ্যাম্পিয়ন হয়ে আসাও সম্ভব।

ফাহিম মোর্শেদ আরোও বলেন, ‘আমরা নিজেদের ভিতর ভাল বোঝাপড়া করলে সেরাটা দিতে পারব। কোচের স্বপ্নপুরন করাটাই এখন টার্গেট। আশা করি ভালো করব ইনশাআল্লাহ।

দলের প্রধান কোচ অ্যান্ড্রু পিটার টার্নার বলেন, ‘আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত। ফাহিম মোর্শেদকে নিয়ে আমি আশাবাদী। আমি টোটাম হাম ক্লাবে ১৭ নম্বর জার্সি নিয়ে খেলতাম। সেই জার্সি নাম্বারটা আমি ফাহিম মোর্শেদকে দিয়েছি। উনি বলেছেন এই টুর্নামেন্টে আমার মাঝে ফাহিম মোর্শেদকে খুজে পেতে চাই। সবমিলে ছেলেরা সেরাটা দেয়ার চেষ্টা করবে।

এদিকে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ চ্যাম্পিয়নশিপে চূড়ান্ত পর্বে খেলছে বাংলাদেশ নারী দল।সোমবার এএফসি অনুর্ধ্ব-১৬ চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে কাতার গেছে বাংলাদেশের কিশোর ফুটবলাররা। আজ আরো একটি বয়সভিত্তিক দল সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে নেপাল যাচ্ছে। এনিয়ে গতকাল বাফুফে ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির ম্যানেজার আমের খান বলেন আমাদের চেষ্টা থাকবে ভালো করার। এ সময় প্রধান কোচ অ্যান্ডু্র পিটার টার্নার, সহকারী কোচ কাজী আলতাফুল হক, রাশেদ আহমেদ পাপ্পু এবং ফুটবলার ইয়াসিন খান উপস্থিত ছিলেন। ২০১৫ সালে নেপালে বসেছিল সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম আসর। সেবার সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হয় বাংলাদেশকে।

কিন্তু এএফসির টুর্নামেন্টের সঙ্গে সমন্বয় করতেই ২০১৭ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ টুর্নামেন্টটি হয়ে যায় অ-১৮। ভুটানে অনুষ্ঠিত পাঁচ দেশের অংশ্রগহণে অনুষ্ঠিত ওই টুর্নামেন্টের ফাইনালে নেপালের কাছে হেরে রানার্সআপ ট্রফি নিয়ে দেশে ফেরে বাংলাদেশ। দু’বছর বাদে অনুষ্ঠেয় এবারের টুর্নামেন্টে অবশ্য দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের সাত দেশই অংশ নিচ্ছে।

বাংলাদেশ স্কোয়াড

গোলরক্ষক : মহিউদ্দিন, মিতুল মারমা ও শান্ত কুমার রায়।

রক্ষণভাগ : ইয়াসিন আরাফাত, উত্তর রায়, সাদেকুজ্জামান ফাহিম, ইমন খান, কাজী রাহাদ মিয়া, রাকিবুল ইসলাম, তানভীর হোসেন।

মধ্যমাঠ : মো. রিদয়, ফাহিম মোর্শেদ, ওমর ফারুক মিঠু, ইমন আলী, সাগর হোসেন, দিপক রায়।

আক্রমণভাগ : জমির উদ্দিন, ফয়সাল আহমেদ ফাহিম, সম্রাট আহমেদ, নাইম হোসেন, নিহাত জামান উচ্ছ্বাস, মিরাজ হোসেন ও আমির হাকিম বাপ্পী।

গ্রুপ ‘এ’ : নেপাল, মালদ্বীপ, ভুটান ও পাকিস্তান।

গ্রুপ ‘বি’ : বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলংকা।

বাংলাদেশের ম্যাচগুলো

২১ সেপ্টেম্বর : বাংলাদেশ-শ্রীলংকা

২৫ সেপ্টেম্বর : বাংলাদেশ-ভারত

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন