মেধাবী ছাত্রের গল্প

প্রকাশিত: ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০৪:০৮:২১ || পরিবর্তিত: ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০৪:০৮:২১

 

মো: আরিফুল ইসলাম,চট্রগ্রাম: তানভীরুল ইসলাম নোয়াখালী জেলার সূবর্নচর থানাধীন উত্তর চরকলা গ্রামের এক মুসলিম সম্ভ্রান্ত পরিবাবরের সন্তান। ছোট্ট পরিবাবরের আদর,স্নেহ, মায়ামমতা, আর ভালেবাসায় বেড়ে ওঠা তার। চার ভাই বোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট।

তানভীরের পড়া লেখার হাতেখড়ি গ্রামের একটি প্রাথমিক স্কুলে।তারপর সেখান থেকে সে ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেয়ে উত্তীর্ণ হন। তারপর তিনি সেখান থেকে ঢাকায় চলে আসেন এবং ঢাকার মীরপুরের একটি মাদ্রাসায় ষষ্ঠ শ্রেনীতে ভর্তি হন।

সেখানেও রাখেন কৃতিত্বের স্বাক্ষর, এরপর ভর্তি হন দেশসেরা প্রতিষ্ঠান ঢাকার মীরহাজীরবাগে অবস্থিত তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসায় সেখানেও তিনি ধারাবাহিকভাবে মেধার স্বাক্ষর রেখে উচ্চমাধ্যমিকে অর্জন করেন গোল্ডেন A+।

তানভীরের ইচ্ছা ছিল সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করবে,কিন্ত নিয়তির কাছে যে তাকে হারতে হয়েছে।তানভীরের বড় ভাই অধ্যাপনা করেন চট্রগ্রামের একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং তার পরামর্শেই একসময় তিনি সব কিছুকে মারিয়ে ভর্তি হন চট্রগ্রামের আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকোনমিক্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগে।

বাবা-মা,ভাই বোনের প্রিয় তানভীরুল এক সময় প্রিয় হয়ে ওঠেন শিক্ষক-শিক্ষিকা ও বন্ধু মহলে। নিয়মিত ক্লাস, টিওটোরিয়াল,এ্যাসাইনমেন্ট আর অর্থনীতির সব মৌলিক প্রশ্নের ভীরে হারিয়ে ফেলেন নিজেকে। ভূলে যান ঢাবিতে ভর্তি হওয়ার স্বপ্ন। সে সবকিছু ভূলে পড়াশুনায় মনোযোগী হন এবং চিন্তা করতে থাকেন কিভাবে এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভাল রেজাল্ট করা যায়।যার ফলশ্রুতিতে তিনি একাধারে সাফল্য পেয়ে গিয়েছেন,বরাবর প্রমান করেছেন যে তিনিই সেরা।

তিনি প্রথম সেমিস্টার থেকে অস্টম সেমিস্টার পর্যন্ত কৃতিত্বের সাথে আউট অফ ফোর সহ গড়ে ৩.৮১ পেয়ে মেধার স্বাক্ষর রাখেন। তার ধারাবাহিক সাফল্যের গল্প শুনতে চাইলে তানভীরে বলেন- নিয়মিত ক্লাস, শিক্ষকদের লেকচার অনুসরণ করা আর নিজের মত করে নোট করার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং নিয়মিত ৪-৫ ঘন্টা বইয়ের সাথে সম্পর্ক রাখাই যথেস্ট বলে মনে করেন তিনি।

তিনি শুধু দেশেই নয় বরং দেশের বাহিরেও ভাল করার স্বপ্ন দেখেন তানভীর। তার সাফল্যের ধারাবাহিকতায় তিনি গত আগস্ট মাসে চীনের বেইজিং নর্মাল ইউনিভার্সিটির মাস্টার্স ফল'১৯ সেমিস্টারে ওয়ার্ল্ড ইকনমিক্স এর উপর চীন সরকারের ফুল ফ্রি স্কলারশিপ পান তিনি।

তিনি মনে করেন তার পথচলার এখনও অনেক বাকি। রক্তচক্ষু কে ভয় না পেয়ে তার জবাব কাজের মধ্য দিয়ে দেয়াই হলো সাফল্য। ভবিষৎ এ নিজেকে অনেক বেশি যগ্য করার মধ্য দিয়ে দেশ ও জাতীর সেবা করার প্রত্যয় ব্যাক্ত করেন তিনি।

প্রজন্মনিউজ২৪/শেখ ফরিদ

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন



আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ