রেলের টিকিট যেন সোনার হরিণ!

প্রকাশিত: ২৩ অগাস্ট, ২০১৯ ১১:১৭:২১

ঈদের ছুটি শেষ হয়েছে সপ্তাহ পেরোলো, ধীরে ধীরে ঢাকা যেতে শুরু করেছে কর্মজীবী মানুষ। জামালপুর থেকেও ঢাকা যেতে শুরু করেছে লোকজন। তবু এতোদিন পেরিয়েও জামালপুর থেকে ঢাকাগামী ট্রেনের টিকিট সহজে মিলছে না। কেউ কেউ বলছেন, এখনো ট্রেনের টিকিট যেন সোনার হরিণ! এক্ষেত্রে টিকিট কালোবাজারির অভিযোগ মিললো বেশ কিছু।

জামালপুরের ইসলামপুর রেলওয়ে স্টেশনে কথা হচ্ছিল ঢাকাগামী যাত্রী কাউছার আহাম্মেদের সঙ্গে। খেদ প্রকাশ করে তিনিই বললেন, ট্রেনের টিকিট যেন নয়, এক একটি সোনার হরিণ। পাঁচ দিন যাবত ঘুরে একটি টিকিটও পাইনি।

ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ রুটে দু’টি আন্তঃনগর, একটি বেসরকারি (কমিউটার) ট্রেন এবং সড়কপথে কয়েকটি বাস চলাচল করছে। ট্রেনের ক্ষেত্রে ইসলামপুরে রেলওয়ে স্টেশনের ২৪ আগস্টের আগের কোনো টিকিট মিলছে না। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলতে চাইলেও পারা যায়নি।

তবে কিছুটা সময় স্টেশন ঘুরে বোঝা গেলো, কাউন্টারে টিকিট না মিললেও কালোবাজারে মিলছে সহজেই। কালোবাজারিরা আগে থেকে তাদের ভাড়াটে লোক প্রতিদিন লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কিনে নেয়। এরপর তা অনেক বেশি দামি বিক্রি করে ঢাকাগামী যাত্রীদের কাছে।

তবে কালোবাজারিদের কারবারে এসেছে পরিবর্তন। তারা এখন নিজের কাছে টিকিট রাখে না, স্টেশনে যাত্রীর সঙ্গে দফারফা হলে বাড়ি গিয়ে বা অন্য কোনো জায়গায় গিয়ে টিকিট পৌঁছে দেয়। চাহিদা বুঝে এসির ৪২৬ টাকার টিকিট ১৫০০ টাকা, ২২৫ টাকার চেয়ার টিকিট ১০০০ টাকা আদায় করা হচ্ছে।

রেলওয়ে স্টেশন মাস্টারের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, আন্তঃনগর তিস্তা এক্সপ্রেস ট্রেনে ইসলামপুর স্টেশনের জন্য ৯৭টি আসন রয়েছে। এর মধ্যে কেবিন ৭টি, এসি চেয়ার ৩০টি ও চেয়ার ৬০টি। ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস ট্রেনে ১৪০টি আসন রয়েছে, এরমধ্যে চেয়ার ১০টি, শোভন চেয়ার ১৩০টি। এছাড়া বেসরকারি কমিউটার ট্রেনের ঢাকার জন্য ৬০টি ও ময়মনসিংহের জন্য ১০টি আসন রয়েছে।

প্রজন্মনিউজ/দেলাওয়ার হোসাইান।

 

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন



আরো সংবাদ