টঙ্গীতে ভাড়াটিয়ার ছেলেকে হত্যা

প্রকাশিত: ২২ জুন, ২০১৯ ০৬:৩৪:৫২

‘হে আল্লাহ এক মাসের দোকান ভাড়ার জন্য আমার ছেলেরে মাইরা ফালাইছে ওরা, আল্লাহ রে ও আল্লাহ এ কি অইল, বাবা সাইফ ওঠ একটু কথা ক, আল্লাহ রে আমার ছেলে কথা কয় না,’ এমন আর্তনাদ করছিলেন নিহত সাইফের (১৪) শোকাহত বাবা আব্দুল কাইয়ুম ও মা সাহিদা বেগম।

আজ দুপুরে ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসপের ভাড়াটিয়ার ছেলেকে এহত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনার পর অভিযুক্ত দোকান মালিক হারুন সরকার গা ঢাকা দিয়েছেন।

এবিষয়ে অভিযুক্ত হারুন সরকারের বড় বোন শেলি সরকার বলেন, ভাড়াটিয়ার ছেলেকে আমার ভাই হারুন মেরেছে এ অভিযোগ সত্য নয়।

নিহতের পিতা আব্দুল কাইয়ুম জানান, দোকানের মালিক হারুন সরকার তার কাছে এক মাসের দোকান ভাড়া বাবদ ১৫ হাজার টাকা পান। গত কয়েকদিন ধরে ভাড়ার টাকার জন্য তাগাদা দিচ্ছিলেন। এরই জের ধরে আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দোকান মালিক হারুন ভাড়ার টাকার জন্য দোকানে আসেন। এসময় ভাড়াটিয়া আব্দুল কাইয়ুমকে না পেয়ে হারুন ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন এবং কাইয়ুমের ছেলে মাদ্রাসা পড়ুয়া সাইফকে দোকানের ভেতর রেখেই বাইরে থেকে তালাবদ্ধ করে চলে যান। এর কিছুক্ষণ পর আশপাশের লোকজন দোকানের ভেতর থেকে লেদ মেশিনে প্যাঁচানো অবস্থায় সাইফকে উদ্ধার করে টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেন। নিহত সাইফ দিনাজপুর জেলার কোতয়ালী থানার মাজাভাঙ্গা গ্রামের আব্দুল কাইয়ুমের ছেলে এবং উত্তরাস্থ জামাল উদ্দিনের বাড়ির ভাড়াটিয়া। সে উত্তরার একটি মাদ্রাসায় হাফেজি পড়তো।

এব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে টঙ্গী পূর্ব থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন বলেন, নিহতের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

প্রজন্মনিউজ২৪/নাবিল

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন



আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ