সেই স্কুলটি করার জন্য আগ্রহ প্রকাশ ডা: অব্দুর রাজ্জাকের

প্রকাশিত: ২৪ এপ্রিল, ২০১৯ ০৩:৩১:২২ || পরিবর্তিত: ২৪ এপ্রিল, ২০১৯ ০৩:৩১:২২

শরীয়তপুর সদর উপজেলার ডোমসার ইউনিয়নের চর ডোমসার গ্রামে অবস্থিত চর ডোমসার বে-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি কালবৈশাখী ঝড়ে, বিদ্যালয়ের টিনের ঘর দুমড়ে মুচড়ে ফসলি জমিতে পড়ে আছে। বিদ্যালয়ের জমির মাঝখানে  খোলা ভিটি । ভিটির উত্তর পাশে দুইটি তালগাছ ও শিমুল গাছ, সেই গাছের নিচেই চলছে পাঠদান। শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে ডা: আব্দুর রাজ্জাক প্রতিষ্ঠানটি নিজ উদ্দ্যেগে করে দিতে চান।

ডা: আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ঐদিন স্টার হেটেলে খাবার খেয়ে ২৪৮ টাকা বিলে ৫০ টাকা সরকারকে ভ্যাট দেয়া লাগছে! মাঝে মধ্যে পত্রিকায় দেখি এমপি মন্ত্রীদের টাকা ফুলে ফেপে প্রেগন্যান্ট হয়ে নিউইয়র্কসহ বিভিন্ন জায়গায় বিশালাকৃতির সন্তান প্রসব করছে! যাই হোক, বেশী খাচ্ছে, বেশী কাজ করছে! সব কিন্তু আমার আপনার কষ্টের টাকা !

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন তদবিরের পর স্কুল করার জন্য সরকার এর পক্ষ থেকে চল্লিশ হাজার টাকা অনুদান পাইছি!! চল্লিশ হাজার টাকায় তো ভাল একটা টয়লেট ও হয় না!

তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রাতুল বলে, ‘সামনে প্রথম সাময়িক পরীক্ষা। খোলা স্থানে ক্লাস করতে আমাদের  খুব সমস্যা হচ্ছে। তাই আমাদের একটি ভবন হলে লেখাপড়া ভালো হতো।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ফারজানা আক্তার বলেন, ‘বিদ্যালয়ের কাগজপত্র, ফাইলপত্র, চক-ডাস্টার ইত্যাদি ব্যাগে ভরে প্রতিদিন বাড়িতে নিতে হয়। এত ছেলে-মেয়ে নিয়ে এলাকার কোনো বাড়িতেও উঠতে পারছি না।

তিনি বলেন, শুনলাম বে-সরকারি বিদ্যালয়গুলো এমপিওভুক্ত হচ্ছে। আমাদের স্কুলটি এমপিওভুক্ত হলে আর একটি ভালো ভবন হলে এলাকার ছেলে-মেয়েরা সঠিকভাবে লেখাপড়ার সুযোগ পেত।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহাবুর রহমান শেখ বলেন, স্কুল ঘরটি ঝড়ে উড়ে গেছে । আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ঘর তৈরি করতে ৪০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। বড় ধরনের বরাদ্দ দেয়া যায় কি-না সেই চেষ্টা করা হচ্ছে।

প্রজন্মনিউজ২৪/ওসমান

 

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন



আরো সংবাদ