জন্মভূমিতেই চিরনিদ্রায় শায়িত কবি আল মাহমুদ

প্রকাশিত: ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ ০৬:৪২:৩০

তৃতীয় নামাজে জানাজা শেষে বেলা তিনটার কিছু আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মৌড়াইলে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।  নিজ গ্রামের মাটিতে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি আল মাহমুদ।

রোববার বেলা ১১ টায় সর্ব সাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য কবির লাশ রাখা হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নিয়াজ মোহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে। বাদ জোহর বিদ্যালয় মাঠেই তার তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর দক্ষিণ মৌড়াইল কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়।

কবির মামা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি বলেন, আমরা আমাদের একজন অভিভাবক হারিয়েছি। আমাদের মাথার উপর থেকে ছায়া চলে গেছে।’ তিনি বলেন, ‘কবির শূন্যতা কখনো পূরণ হবার নয়। বাংলা সাহিত্যে তার অবদান এই দেশের মানুষ মনে রাখবে। তিনি আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবেন তার কর্মের মাধ্যমে।’

গত শুক্রবার রাত এগারোটায় ধানমন্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন সমকালীন বাংলা সাহিত্যের প্রধান কবি আল মাহমুদ। তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। পর দিন শনিবার দুপুরে কবির লাশ তার সাবেক কর্মস্থল বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে নেয়া হয় শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য। সেখানে একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী কবির ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

এর পর লাশ নেয়া হয় জাতীয় প্রেসক্লাবে। সেখানে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে আল মাহমুদের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর রাতে আল মাহমুদের লাশ ঢাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দক্ষিণ মৌড়াইল মোল্লাবাড়িতে নেয়া হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি না পাওয়ায় আল মাহমুদের লাশ কেন্দ্রিয় শহীদ মিনারে নিয়ে যাওয়া হয়নি।

আল মাহমুদ শুধু আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি নন, তিনি একাধারে ছিলেন ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্প লেখক, শিশুসাহিত্যিক ও সাংবাদিক।

প্রজন্মনিউজ২৪

 

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন